নেপালে জলবিদ্যুতের টানেলে ‘শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে’ যেভাবে ২ জনকে জীবিত উদ্ধার

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮: ০৩
জীবিত উদ্ধারের পর কবির মহার্জনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার নয় দিন পর শ্বাসরুদ্ধকর এক অভিযানে কাদামাটি ও পাথরে বন্ধ হয়ে যাওয়া জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে দুই কর্মীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। রসূয়া জেলায় ত্রিশূলি-থ্রিএ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ওই টানেলে আরও মানুষ আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিবিসির খবরে বলা হয়, উদ্ধারস্থলে থাকা নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানিয়েছেন, প্রথম উদ্ধার হওয়া সঞ্জয়া সাহকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। তিনি নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের একজন মেকানিক্যাল ফোরম্যান। দ্বিতীয় উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম কবির মহার্জন।

সঞ্জয় সাহর সহকর্মী সুরেশ চৌধুরী বিবিসিকে বলেন, ‘আমি খুব, খুব খুশি। আমি এই খবরের অপেক্ষায় ছিলাম। এতে আশা তৈরি হয়েছে যে অন্যদেরও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কবির মহার্জন উদ্ধারের পর ‘হেসেছেন এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন’। তবে সঞ্জয় সাহ কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।

টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার সঞ্জয় শাহকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার সঞ্জয় শাহকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

কবির মহার্জনের স্ত্রী হিরাশোভা মহার্জন বিবিসি নেপালিকে বলেন, স্বামীকে জীবিত পাওয়ার খবর শুনে তারা সবাই খুব খুশি। তিনি বলেন, ‘আমি ফেসবুকে ছবিগুলো দেখেছি। আমি খুব খুশি হয়েছি। তাকে কাঠমান্ডুর সেনাবাহিনীর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। আমি হাসপাতালের দিকে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১০ দিন ঠিকমতো খেতে বা পান করতে পারিনি। আমরা খুব ভয় পেয়েছিলাম। এখন আমরা সবাই খুশি। খুশিতে আমরা কাঁদছিও।’

নয় দিন ভূগর্ভে আটকে থাকা কবির মহার্জনকে উদ্ধার করছেন উদ্ধারকারীরা। ছবি: সংগৃহীত
নয় দিন ভূগর্ভে আটকে থাকা কবির মহার্জনকে উদ্ধার করছেন উদ্ধারকারীরা। ছবি: সংগৃহীত

উদ্ধার অভিযানে যুক্ত টানেল বিশেষজ্ঞ আর্নল্ড ডিক্স নেপালের জলবিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে ত্রিশূলি-থ্রিএ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছানোর পথ তৈরির বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি International Tunnelling and Underground Space Association-এর সভাপতি। শুক্রবার দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনাটিকে তিনি ‘অলৌকিকতার পর অলৌকিকতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

যেভাবে এগোয় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান

উদ্ধার অভিযানের প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল জলবিদ্যুৎকেন্দ্রটির অবস্থান শনাক্ত করা। নেপাল-তিব্বত সীমান্তে গত সপ্তাহের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় আশপাশের ভূদৃশ্য এতটাই বদলে গিয়েছিল যে আগের চেহারা দেখে জায়গাটি চেনার উপায় ছিল না।

ডিক্স বলেন, ‘এর আগে এমন কোনো উদ্ধার অভিযান দেখিনি, যেখানে একটি টানেলের প্রবেশপথ খুঁজে বের করতে হয়েছে, যেটি আগে পাহাড়ের ওপর ছিল, কিন্তু এখন মাটির নিচে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন, ভূমিধসের ব্যাপ্তি কতটা ভয়াবহ ছিল। এটি টানেলের প্রবেশপথ পুরোপুরি চাপা দিয়ে ফেলেছিল।’

পুরোনো টপোগ্রাফিক মানচিত্র, দুর্যোগের পর ওই এলাকার স্যাটেলাইট ছবি, হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ভিডিও, প্রকৌশলগত বিভিন্ন পদ্ধতি এবং পাহাড়ের ওপর পাওয়া বিদ্যুতের খুঁটির মতো বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে ডিক্স ও তার দল টানেলের প্রবেশপথের সম্ভাব্য অবস্থান নির্ধারণ করেন। এরপর সেখানে খনন শুরু হয়।

প্রবেশপথ খুঁজে পাওয়ার পর নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল টানেলের ভেতরে আটকে থাকা মানুষদের অবস্থান শনাক্ত করা।

ডিক্স বলেন, ‘আমরা জানতাম তারা সামনে কোথাও আছে, কিন্তু ঠিক কোথায়, তা জানতাম না। তাই সঠিক দিকে খনন শুরু করতে হয়। আর সম্ভব হলে ভেতর থেকে কারও আওয়াজ শোনা যায় কি না, সেটাও শুনতে হয়।’

টানেলের ভেতরে কাদা ও পাথরের স্তূপ এতটাই শক্ত ছিল যে উদ্ধারকারীদের পথ পরিষ্কার করতে বিস্ফোরক ব্যবহার করতে হয়েছে। কিছু পাথর ছিল গাড়ির চেয়েও বড়। ডিক্স বলেন, সাধারণ পরিস্থিতিতে তারা কখনোই এমনটি করেন না। কারণ এতে টানেলের ভেতরে আটকে থাকা মানুষ এবং উদ্ধারকারীদের নিজেদেরও প্রাণহানির ঝুঁকি থাকে।

বিস্ফোরণের কাজ নিখুঁতভাবে পরিচালনা করায় নেপালের সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন ডিক্স। তার ভাষায়, সেনাবাহিনী এমনভাবে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যাতে টানেলটি অস্থিতিশীল হয়ে না পড়ে।

এরপর উদ্ধারকারীরা দেখতে পান, টানেলের ভেতর এখনো পানি জমে আছে। পানি বের করে দিতে খননযন্ত্র ও পাম্প ব্যবহার করা হয়। টানেল থেকে বাইরে থাকা নদী পর্যন্ত একের পর এক নালা খনন করা হয়, যাতে ভেতরের পানি বের হয়ে যেতে পারে।

এরপর টানেলের ওপরের অংশে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে একজন মানুষের যাওয়ার মতো ‘খুব ছোট একটি টানেল’ তৈরি করা হয়।

আটকে পড়া কর্মীদের উদ্ধারে অন্ধকার টানেল দিয়ে এগিয়ে যান উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
আটকে পড়া কর্মীদের উদ্ধারে অন্ধকার টানেল দিয়ে এগিয়ে যান উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

ডিক্স বলেন, ‘এই জায়গাটির সুবিধা হলো, মূল টানেলের ছাদটিকেই ছোট টানেলটির ছাদ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। একই সঙ্গে এতে বন্যার পানির ঝুঁকিও কমে।’

শুক্রবার ভোররাতে উদ্ধারকারীরা ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বরের মতো একটি শব্দ শুনতে পান।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তারা ভেতরের দিকে চিৎকার করে বলেন, ‘চিন্তা করবেন না, আমরা আপনাদের উদ্ধার করতে এখানে এসেছি।’ এর জবাবে ভেতর থেকে ক্ষীণ একটি কণ্ঠে ‘ঠিক আছে’ শব্দটি শোনা যায়।

এর কিছুক্ষণ পরই সঞ্জয়া শাহ ও কবির মহার্জনকে জীবিত অবস্থায় টানেল থেকে বের করে আনা হয়।

আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কা

ত্রিশূলি-থ্রিএ টানেল থেকে দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের পরও অভিযান শেষ হয়নি। নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত জানিয়েছেন, টানেলের ভেতরে মোট ৩৯ জন শ্রমিক ছিলেন বলে তারা ধারণা করছেন। তবে তাদের মধ্যে কতজন এখনো জীবিত আছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া দুইজনকে সরাসরি হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

নেপালে এখনো ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েক শ শ্রমিক নদীর তীরবর্তী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্কে কাজ করতেন। বড় ধরনের উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে প্রকৌশলীরা এসব টানেলের ভেতরে বাতাস সরবরাহ করছেন।

নেপালের আরও প্রায় ছয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলেও পৃথক উদ্ধার অভিযান চলছে। এসব টানেলে ১৫০ জনের বেশি মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ত্রিশূলি-থ্রিএ টানেলে আটকে থাকা আরও অন্তত ৩৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছে।

‘গোল্ডিলকস জোনের’ দিকে এগোচ্ছেন উদ্ধারকারীরা

ডিক্সের হিসাব অনুযায়ী, টানেলের প্রবেশপথ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। তবে পাহাড়ের অনেক গভীরে থাকা জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছাতে আরও প্রায় ১৫০ মিটার খনন করতে হবে।

উদ্ধারকারীরা আশা করছেন, বন্যার সঙ্গে আসা ধ্বংসস্তূপ জলবিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছায়নি। কারণ তা হয়ে থাকলে ‘নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হতো—কেন্দ্রের ভেতরে থাকা যে কেউ পাথর ও কাদার আঘাতে আহত হতে পারতেন অথবা কেন্দ্রটি পানিতে ডুবে যেতে পারত।’

মাটির নিচে থাকা উদ্ধারকারী দল এখনো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

ডিক্স বলেন, ‘এখনো সামনে গিয়ে আমরা এমন পানির মুখোমুখি হতে পারি, যা টানেলের ভেতরে কাজ করা মানুষদের ডুবিয়ে দিতে পারে। আবার বাইরে নতুন করে বন্যা হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। সেক্ষেত্রে পেছন দিক থেকেও পানি আসতে পারে। অর্থাৎ দুই দিক থেকেই পানির মুখোমুখি হওয়ার ঝুঁকি আছে।’

তবে দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের পর উদ্ধারকারীরা আরও আশাবাদী হয়েছেন। সময়মতো আরও জীবিত মানুষকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

ডিক্স বলেন, ‘এটা বড় স্বস্তির বিষয় যে আমরা সঠিক পথেই এগোচ্ছি। আর এতে আমাদের নতুন করে শক্তি এসেছে যে উদ্ধারকাজ কীভাবে পরিচালনা করা হবে, সে বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা কাজ করছে। এর আগে আমরা কখনো এমন কিছু করিনি।’

ডিক্স এখন যে এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, সেটিকে তিনি ‘গোল্ডিলকস জোন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এটি এমন একটি এলাকা, যেখানে ‘জীবনের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল’।

এই এলাকা জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সবচেয়ে ওপরের অংশে। সেখানে কিছুটা ফাঁকা জায়গা রয়েছে, যেখানে বেঁচে থাকা মানুষজন অবস্থান করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডিক্স বলেন, ‘আমরা দুজনকে বের করে এনেছি। আমরা যদি ক্যাসিনোতে খেলতাম, তাহলে কেউ কেউ বলতে পারতেন, এবার উঠে যাওয়ার সময় হয়েছে। কিন্তু আমরা বলছি, খেলা চলছে, এবার ঘরের (ক্যাসিনোর) বিরুদ্ধে খেলতে হবে।’

টানেলে তৃতীয় ব্যক্তির মরদেহ

দুইজনকে জীবিত উদ্ধারের পর ত্রিশূলি-থ্রিএ প্রকল্পের টানেলের ভেতর থেকে তৃতীয় এক ব্যক্তির মরদেহও পাওয়া গেছে।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের উপব্যবস্থাপক সুরেশ রাউত ঘটনাস্থলে ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, মরদেহটির অবস্থা এতটাই খারাপ যে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন।

তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘টানেলের ভেতরে যে মরদেহটি পাওয়া গেছে, সেটি ফুলে গেছে এবং শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।’

‘মনে হচ্ছে, টানেল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় বন্যার পানিতে আটকা পড়ে ওই ব্যক্তি মারা গেছেন।’

নেপালে মৃতের সংখ্যা ১,২৮৭, নিখোঁজ ৫,০৮৩

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৫ হাজার ৮৩ জন। এর আগে দেশটির পুলিশ জানিয়েছিল, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২৮০ এবং নিখোঁজ ৪ হাজার ৭৯৮ জন।

ত্রিশূলি-থ্রিএ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উদ্ধার অভিযান চলার পাশাপাশি নেপালের অন্যান্য এলাকাতেও আকস্মিক বন্যার ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে হচ্ছে।

নেপালের সেনাবাহিনীর এক কর্নেল জানিয়েছেন, উপত্যকার সাতটি টানেল এবং আরও ১৯টি এলাকায় উদ্ধার অভিযানে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা ‘অবিশ্বাস্য’: জাতিসংঘ

নেপালের বন্যায় বেঁচে যাওয়া মানুষদের কাছে পৌঁছানো কতটা কঠিন হয়ে পড়েছে, তা নিয়ে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়কের কারণে বিচ্ছিন্ন হিমালয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে এখন পণ্যবাহী ড্রোন ও বহনকারী শ্রমিক ব্যবহারের কথা বিবেচনা করতে হচ্ছে।

নেপালে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী লিলা পিটার্স ইয়াহিয়া বলেন, ‘দুর্যোগের ব্যাপ্তি, ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা— সবকিছুই অবিশ্বাস্য। সেখানে উদ্ধার অভিযান এবং কাদামাটি ও পাথরে বন্ধ হয়ে যাওয়া জায়গাগুলোতে পৌঁছানো অত্যন্ত, অত্যন্ত, অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।’

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

মার্কিন ঘাঁটিতে ফের ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, বিস্তৃত হচ্ছে সংঘাত

কুয়েত জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলাটিকে ‘নির্লজ্জ ইরানি আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এর আগে বুধবার বাহরাইন ও জর্ডানও জানিয়েছিল, তারা ইরানের কয়েকটি বিমান হামলা প্রতিহত করেছে।

৮ ঘণ্টা আগে

আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরতে জাতিসংঘে নতুন বিশ্বমানচিত্রের প্রস্তাব

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভোট হতে যাচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর। টোগোর উদ্যোগে আনা এই প্রস্তাবে বিশ্ব জুড়ে প্রচলিত মার্কেটর মানচিত্রের ব্যবহার ধীরে ধীরে বন্ধ করে এমন একটি বিশ্বমানচিত্র গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন আরও নির্ভুলভাবে ফুটে ওঠে।

৯ ঘণ্টা আগে

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অপসারণের পরিকল্পনা কট্টরপন্থি ইসরায়েলি মন্ত্রীর

সাম্প্রতিক ইসরায়েলি প্রতিবেদনে পরিকল্পনাটিকে ‘ডিজিএংগেজমেন্ট ৭১০’ নামেও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে প্রথম বছরে ২ লাখ ৫০ হাজার এবং সাত বছরের মধ্যে প্রায় ১৮ লাখ ৬০ হাজার ফিলিস্তিনিকে গাজা থেকে সরানোর লক্ষ্য রয়েছে। পরিকল্পনায় গাজা ছাড়তে আগ্রহীদের জন্য গন্তব্য দেশের সঙ্গে সমঝোতা, নিয়ন্ত্রিত অভিবাসনপথ এবং পুনর

৯ ঘণ্টা আগে

৩১ দেশের জন্য মালয়েশিয়ার মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বন্ধ, আছে বাংলাদেশও

বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার ৩১টি দেশের নাগরিকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা সীমিত করেছে মালয়েশিয়া। নতুন নিয়মে এসব দেশের সাধারণ পর্যটকদের জন্য এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার পরিবর্তে মূলত সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রযোজ্য হবে।

১০ ঘণ্টা আগে
Advertisement