
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ থামাতে তিনি দুই দেশের সরকারকে ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ইউএস-সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত ও পাকিস্তানের নেতারা ‘‘পারমাণবিক যুদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন।’’ সেই পরিস্থিতিতে তিনি যেভাবে হস্তক্ষেপ করেন, তা তুলে ধরেন।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “তারা (ভারত ও পাকিস্তান) উভয়েই পারমাণবিক যুদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল। এটা জানার পর আমি তাদের বললাম, ‘ঠিক আছে, আপনারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন; তবে সেক্ষেত্রে আপনাদের প্রত্যেকের ওপর আমি ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব। আপনারা পরস্পরকে লক্ষ্য করে পরমাণু বোমা ছুড়বেন, মানুষ মারবেন আর আপনাদের পরমাণু অস্ত্রের ধুলোবালি লস অ্যাঞ্জেলেসে ভেসে আসবে— এটা কখনও উচিত নয়।”
“আমি যখন দুই দেশের নেতাদের ৩৫০ শতাংশ শুল্কের ভয় দেখালাম, তারা আমাকে বলল, ‘আমরা এটা পছন্দ করছি না।’ জবাবে আমি বলেছি, ‘আপনারা পছন্দ করুন আর না করুন— আমার কিছু যায় আসে না।”
ট্রাম্প জানান, তিনি এই হুমকি প্রদানের কিছু সময় পর প্রথম তাকে টেলিফোন করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং জানান যে পাকিস্তান সংঘাত থামাতে রাজি আছে। ট্রাম্প বলেন, “সত্যিকার অর্থে তিন আমাকে বলেছেন, ‘আমি লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি। এর কিছুক্ষণ পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাকে টেলিফোন করে বলেন, ভারতও সংঘাত থামানোর জন্য প্রস্তুত।”
প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভারত ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের সরকার তার দাবির সত্যতা স্বীকার করেছে, তবে ভারত এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ থামাতে তিনি দুই দেশের সরকারকে ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ইউএস-সৌদি ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।
ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ভারত ও পাকিস্তানের নেতারা ‘‘পারমাণবিক যুদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন।’’ সেই পরিস্থিতিতে তিনি যেভাবে হস্তক্ষেপ করেন, তা তুলে ধরেন।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “তারা (ভারত ও পাকিস্তান) উভয়েই পারমাণবিক যুদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিল। এটা জানার পর আমি তাদের বললাম, ‘ঠিক আছে, আপনারা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন; তবে সেক্ষেত্রে আপনাদের প্রত্যেকের ওপর আমি ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করব। আপনারা পরস্পরকে লক্ষ্য করে পরমাণু বোমা ছুড়বেন, মানুষ মারবেন আর আপনাদের পরমাণু অস্ত্রের ধুলোবালি লস অ্যাঞ্জেলেসে ভেসে আসবে— এটা কখনও উচিত নয়।”
“আমি যখন দুই দেশের নেতাদের ৩৫০ শতাংশ শুল্কের ভয় দেখালাম, তারা আমাকে বলল, ‘আমরা এটা পছন্দ করছি না।’ জবাবে আমি বলেছি, ‘আপনারা পছন্দ করুন আর না করুন— আমার কিছু যায় আসে না।”
ট্রাম্প জানান, তিনি এই হুমকি প্রদানের কিছু সময় পর প্রথম তাকে টেলিফোন করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং জানান যে পাকিস্তান সংঘাত থামাতে রাজি আছে। ট্রাম্প বলেন, “সত্যিকার অর্থে তিন আমাকে বলেছেন, ‘আমি লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচিয়েছি। এর কিছুক্ষণ পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাকে টেলিফোন করে বলেন, ভারতও সংঘাত থামানোর জন্য প্রস্তুত।”
প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভারত ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধ থামিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের সরকার তার দাবির সত্যতা স্বীকার করেছে, তবে ভারত এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শনিবারের এই হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ ড্রোন সংরক্ষণাগার ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান আচরণ না শুধরালে দেশটিকে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
সরকারি উদ্ধারকারী দলের তীব্র সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে লড়াই চালাচ্ছেন। এদিকে, মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ '৭২ ঘণ্টার সময়সীমা' দ্রুতই শেষ হয়ে আসছে।
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হ
১ দিন আগে
ইউরোপ জুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হয়ে এবার জার্মানি ও ইতালিকে গ্রাস করেছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। একই সঙ্গে ডেনমার্ক, স্লোভাকিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিতে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর
১ দিন আগে