বিশ্বকাপের মঞ্চে এক মহাকাব্যিক অবসান— শেষ লড়াইয়ে মুখোমুখি ২ বন্ধু

নাজমুল ইসলাম হৃদয়
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদ্রিচ— রিয়েল মাদ্রিদের বহু ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি অবদান এই দুজনের মিথষ্ক্রিয়ার। ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘ মহাকাব্যিক ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা কেবল মাঠের লড়াইয়ের পরিসংখ্যান বা কৌশলগত বিশ্লেষণের গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকে না, বরং হয়ে ওঠে এক বিশাল আবেগের আখ্যান। তেমনই এক আখ্যানের অপেক্ষায় এখন টরন্টোর বিএমও ফিল্ড, যেখানে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের মহারণে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে পর্তুগাল আর ক্রোয়েশিয়া।

বিশ্বকাপের ফেবারিট দুই দলের লড়াইয়ের কারণে এ ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা ছাপিয়ে এ ম্যাচ পরিণত হতে যাচ্ছে দুই বন্ধু— পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপে শেষ সাক্ষাতের মঞ্চে। ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে এরপর যে আর সময়ের এই দুই মহাতারকার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাই নেই!

৪১ বছর বয়সী রোনালদো। ৪০ বছর বয়সী মদ্রিচ। বিশ্ব ফুটবলের এই দুই মহীরূহ আজ এমন এক সীমানায় দাঁড়িয়ে, যেখানে পরাজয়ের মানে কেবল ম্যাচ হার নয়, বরং বিশ্বকাপের বর্ণিল মঞ্চ থেকে চিরতরে বিদায়।

এ ম্যাচের মাধ্যমেই ফুটবল ইতিহাসের পাতায় প্রথমবারের মতো দুজন চল্লিশোর্ধ্ব আউটফিল্ড খেলোয়াড় কোনো নকআউট ম্যাচে একে অন্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ১১তম এই ম্যাচ পেয়েছে এক বিশেষ মাত্রা, যেখানে সমাপ্তি ঘটবে একটি প্রজন্মের।

পরিসংখ্যানের দর্পণে রোনালদো-মদ্রিচ

রোনালদো ও মদ্রিচের ক্যারিয়ারের এই শেষ সূর্যাস্ত দেখার আগে একনজর তাকানো যাক তাদের দীর্ঘ পথচলার দিকে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু ২০০৩ সালে। তারপর ফুটবলের বহু রেকর্ড ভেঙে চুরমার করেছেন। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কলম্বিয়ার সঙ্গে শেষ ম্যাচসহ ২৩১টি ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচের হিসাবে তো বটেই, ১৪৫ গোল নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলের মালিকও তিনিই।

লুকা মদ্রিচের আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক কিছুটা পরে— ২০০৬ সালে। তবে ২০০ ম্যাচের মাইলফলক পেরিয়েছেন তিনিও, ঝুলিতে ২০১ ম্যাচের অভিজ্ঞতা। ম্যাচ সংখ্যার বিচারে তার অবস্থান তৃতীয় স্থানে। এ ক্ষেত্রে রোনালদো আর মদ্রিচের মাঝে যে নামটি রয়েছে, তার বিশ্বকাপযাত্রাও হয়তো এবারই শেষ— তিনি লিওনেল মেসি।

বলছিলাম মদ্রিচের কথা। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের পর থেকে ক্রোয়েশিয়ার মাঝমাঠকে এক সুতোয় গেঁথে রাখার কাজটি গত দুই দশক ধরে করে আসছেন লুকা মদ্রিচ। নিখাদ প্লেমেকার বলে গোলের সংখ্যা দিয়ে রোনালদো-মেসিদের সঙ্গে তুলনা চলে না তার। তারপরও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২৯টি গোলের মালিক তিনি।

২০০৯ সালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি রোনালদো-মদ্রিচ। রোনালদো তখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আর মদ্রিচ টটেনহ্যাম হটস্পারে। ছবি: সংগৃহীত
২০০৯ সালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি রোনালদো-মদ্রিচ। রোনালদো তখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আর মদ্রিচ টটেনহ্যাম হটস্পারে। ছবি: সংগৃহীত

এ তো গেল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার, দুই মহারথীর ক্লাব ক্যারিয়ারের বর্তমান অবস্থাও দেখে নেওয়া যাক একনজরে। চলতি ২০২৫/২০২৬ মৌসুমে রোনালদো আল-নাসর ও পর্তুগালের হয়ে ৪৩ ম্যাচে ৩৩টি গোলের পাশাপাশি করেছেন ৮টি অ্যাসিস্ট। এখনো তার পাসিং অ্যাকুরেসি ৮২ শতাংশ!

এসি মিলানের জার্সিতে চলতি মৌসুমে মদ্রিচের ৩৯ ম্যাচে রয়েছে ৩টি গোলের পাশাপাশি ৪টি অ্যাসিস্ট। পরিসংখ্যানে অ্যাসিস্টের খাতায় নাম না থাকলেও মিলানের বহু গোলের উৎস তারই পাস। এই বয়সেও পাসিং অ্যাকুরেসি ৯৩ শতাংশ, প্রতি ম্যাচে গড়ে বল স্পর্শ করেন ১০২ বার— তরুণ যেকোনো ফুটবলারের জন্যও ঈর্ষণীয় বটে!

আজকের ম্যাচে রোনালদোর প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভাঙার ক্ষমতা বনাম মদ্রিচের মাঝমাঠের নিপুণ কারুকাজ— এই লড়াইটিই হবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারক।

হেড-টু-হেড পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া

ঐতিহাসিকভাবে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার লড়াইগুলোতে পর্তুগালের জয়ের পাল্লা ভারী। সব মিলিয়ে মোট ১০ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, যার মধ্যে পর্তুগাল জিতেছে ৭ বার, ক্রোয়েশিয়া জিতেছে মাত্র একটি ম্যাচ।

তবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পরিসংখ্যান দিয়ে ফুটবল খেলা হয় না। ক্রোয়েশিয়া এমন এক দল, যারা ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল, সেমিফাইনাল খেলেছিল ২০২২ সালেও। সন্দেহাতীতভাবেই দারুণ সাফল্যের অন্যতম কারিগর মদ্রিচ। এ ম্যাচেও তার পায়ের জাদুর অপেক্ষায় থাকবে ক্রোয়েশিয়া।

তবে ফুটবল বিশ্লেষকদের বিচারে পর্তুগাল এ ম্যাচে কিছুটা ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নামবে। তবে তারাও ক্রোয়েশিয়ার ‘চেকার্ড’ জার্সিধারীদের নিয়ে সতর্ক থাকতেই বলছেন পর্তুগালকে, যার নেপথ্যে রয়েছে গত দুই বিশ্বকাপে নকআউটে ক্রোয়েশিয়ার পারফরম্যান্স।

এই লড়াইয়ে রোনালদো চাইবেন তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপে গোলের ধারা বজায় রাখতে। মদ্রিচও চাইবেন তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার জন্য একটি গৌরবময় বিদায় নিশ্চিত করতে।

রোনালদো-মদ্রিচ জুটি রিয়াল মাদ্রিদকে বহু সাফল্য এনে দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
রোনালদো-মদ্রিচ জুটি রিয়াল মাদ্রিদকে বহু সাফল্য এনে দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

রণকৌশল

রবার্তো মার্টিনেজ পর্তুগালের আক্রমণভাগ সাজিয়েছেন রোনালদোকে কেন্দ্র করে। তার ট্যাকটিক্যাল রিপোর্টে রোনালদো কেবল একজন গোলদাতা নন, বরং একজন লিডার। অন্যদিকে জ্লাতকো দালিচ তার ৪-৩-৩ ফরমেশনে মদ্রিচকে দিয়েছেন ফ্রি-রোল, যেন তিনি মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

আজকের ম্যাচে পর্তুগালের মিডফিল্ডে বার্নার্ডো সিলভা ও জোয়াও নেভেসের ভূমিকা হবে মদ্রিচকে নিষ্ক্রিয় রাখা। একইভাবে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগকে সারাক্ষণ পাহারা দিতে হবে রোনালদোর সেই চেনা ‘বক্স মুভমেন্ট’। বিশ্বকাপের এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে যে দল মাঝমাঠের দখল রাখতে পারবে, তাদেরই জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে।

মার্টিনেজ ও দালিচ উভয়েই জানেন, এ লড়াইয়ে কোনো ভুল করার জায়গা নেই; প্রতিটি পাস, প্রতিটি ট্যাকেল ও প্রতিটি শট হতে পারে কোনো একজনের আন্তর্জাতিক ফুটবলের শেষ অধ্যায়।

মুখোমুখি ২ বন্ধু

পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়ার এই ম্যাচটিকে বলা হচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম আবেগঘন এক ম্যাচ। কিন্তু কেন? কারণ আজ যে দুই প্রতিপক্ষ মাঠে নামছেন— রোনালদো আর মদ্রিচ— তাদের সম্পর্কটাও বহু পুরনো। ক্লাবের হয়েও দুজনে ছিলেন শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, আবার একসময়ে ছিলেন সতীর্থও!

২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মদ্রিচ ছিলেন টটেনহ্যাম হটস্পারে। রোনালদো তখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড হয়ে রিয়েল মাদ্রিদে। ফলে ইংলিশ লিগে দুজনে ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী। রোনালদো মাদ্রিদে যাওয়ার পর উয়েফার টুর্নামেন্টগুলোতে দুই তারকার লড়াইও দেখেছে ফুটবলপ্রেমীরা।

২০১৩ সালে জাতীয় দলের হয়ে মুখোমুখি রোনালদো-মদ্রিচ। দুজনে তখন রিয়ালের ড্রেসিং রুমে সতীর্থ। ছবি: সংগৃহীত
২০১৩ সালে জাতীয় দলের হয়ে মুখোমুখি রোনালদো-মদ্রিচ। দুজনে তখন রিয়ালের ড্রেসিং রুমে সতীর্থ। ছবি: সংগৃহীত

এই দুই প্রতিপক্ষই আবার সতীর্থ হয়ে যান ২০১২ সালে, যখন মদ্রিচ যোগ দেন রিয়ালে। আগে থেকেই সেখানে ছিলেন রোনালদো। তারপর দুজনে একসঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে কাটিয়েছেন ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ছয় বছর। একসঙ্গে জিতেছেন চার চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ক্লাবের হয়ে মাঠের প্রতিটি অনুশীলনে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা এই গভীর বন্ধুত্ব ও পেশাদারিত্ব আজ আন্তর্জাতিক ফুটবলে হবে মুখোমুখি।

আজ রাতে যারা টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে উপস্থিত থাকবেন, তারা কেবল ফুটবল দেখবেন না, তারা দেখবেন দুই বন্ধুর লড়াই, যারা নিজেদের দেশ ও জাতির জন্য শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়বেন।

বিদায়ের সুর

ম্যাচ শেষে জয়-পরাজয় যারই হোক, রোনালদো ও মদ্রিচ দুজনেই ফুটবল ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছেন স্থায়ীভাবে। কিন্তু এ ম্যাচের বিশেষত্ব হলো— এ ম্যাচের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে দুজনের মুখোমুখি হওয়ার সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাবে।

চার বছর পর ২০৩০ বিশ্বকাপে ৪৫ বছরের রোনালদো আর ৪৪ বছরের মদ্রিচকে বরং গ্যালারি কিংবা কোনো টেলিভিশন স্টেশনে দেখার সম্ভাবনাই বেশি। আর বেশি সম্ভাবনা— বিশ্বকাপে নিজ নিজ শেষ ম্যাচই হয়ে যেতে পারে দুই বন্ধুরই শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সে হিসাবে এ ম্যাচেই বেজে উঠবে যেকোনো এক তারকার বিদায় ঘণ্টা।

এই ৯০ মিনিটের পর মাঠের ঘাস হয়তো আবার সবুজ হয়ে উঠবে, কিন্তু দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীকে মাতিয়ে রাখা দুই কিংবদন্তির অন্তত একজনকে আর সে ঘাসে দেখা যাবে না একটিবারের জন্যও। টরন্টোর আকাশ তাই আজ সাক্ষী হতে যাচ্ছে এক বিষাদমাখা জয়গাথার, যেখানে শেষ বাঁশির আওয়াজ কেবল জয়ী দলকে উল্লাস দেবে না, বরং ফুটবলপ্রেমীদের মনে করিয়ে দেবে— একটি যুগের সমাপ্তি কেবলই একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এক জীবনের দীর্ঘ অনুরাগের বিদায়।

আজ রাতে রোনালদো বা মডরিচ যিনিই মাঠ ছাড়ুন, ফুটবলের ইতিহাসে তাদের জন্য সবসময় একটি সিংহাসন খালি থাকবে। এটি কোনো সাধারণ ম্যাচ নয়, ফুটবল ইতিহাসের এক অধ্যায়ের সমাপনীও বটে।

ad
ad

খেলা থেকে আরও পড়ুন

নকআউটের জয় উদ্‌যাপনের সময় মেক্সিকো সিটিতে নিহত ৩

স্বাগতিক দেশ হিসেবে এস্তাদিও আজতেকায় অর্জিত এই জয়ের পর সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো রাজধানীতে। মেক্সিকো সিটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রাজধানীর অন্যতম প্রধান সড়ক পাসেও দে লা রিফর্মা ও এর আশপাশের এলাকায় উদ্‌যাপনের জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই এলাকাতেই তিনটি ভিন্ন স্থানে অচেতন অবস্থায়

১ দিন আগে

৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, ইকুয়েডরকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা ৪০ বছর জয়ের দেখা না পাওয়া স্বাগতিকরা শেষ ৩২ দলের ম্যাচে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ষোলোয়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পেল মেক্সিকানরা।

১ দিন আগে

ফের জিতল নরওয়ে, ফিরল ‘ভাইকিং রো’, কেন জলদস্যুদের এ উদ্‌যাপন

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েই প্রথমবারের মতো নকআউটে জয় তুলে নিয়েছে নরওয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে আইভরি কোস্টকে হারিয়ে আর্লিং হাল্যান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডরা মাতলেন বুনো উল্লাসে। মাঠ ঘুরে উইনিং ল্যাপও দিলেন। সেই সঙ্গে সঙ্গে ফের ফিরিয়ে আনলেন ‘ভাইকিং রো’।

২ দিন আগে

সুইডেনকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স, প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে

বিরতির পর সুইডেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। উল্টো ৫৩তম মিনিটে সুইডিশ রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও খেলার গতি কমায়নি ফ্রান্স, বরং একের পর এক আক্রমণে সুইডেনের

২ দিন আগে