
ক্রীড়া ডেস্ক

চার বছর আগে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল সৌদি আরব। ওই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে আরেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ উরুগুয়ের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ১-১ গোলের ড্র করেছে তারা।
গ্রুপ ‘এইচ’-এর ম্যাচে দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি সৌদি আরব। তবে ম্যাচজুড়ে গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইসের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দলটি। এই ড্রয়ে প্রথম রাউন্ড শেষে গ্রুপের চার দলই এক পয়েন্ট করে নিয়ে সমতায় রয়েছে।
ফ্লোরিডার মিয়ামিতে হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। তবে আক্রমণের ধার ছিল না। বরং সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।
৪১তম মিনিটে দূরপাল্লার একটি শট উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা ঠিকমতো তালুবন্দি করতে পারেননি। তার হাত ফসকে বেরিয়ে আসা বলের ওপর সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে জালে পাঠান আবদুলেলাহ আল-আমরি। অপ্রত্যাশিত এই গোলে প্রথমার্ধ শেষ করে সৌদি আরব।
প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর বিরতিতে বড় সিদ্ধান্ত নেন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। দলের প্রধান স্ট্রাইকার ডারউইন নুনিয়েসকে তুলে নিয়ে আক্রমণের ধরন বদলে দেন তিনি।
এরপর যেন নতুন রূপে মাঠে নামে উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণকে চাপে রাখে তারা। পুরো ম্যাচে উরুগুয়ে ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ২০টিই দ্বিতীয়ার্ধে। কিন্তু প্রতিবারই তাদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইস।
কখনো দারুণ ডাইভ, কখনো অসাধারণ রিফ্লেক্স— একের পর এক সেভ করে উরুগুয়ের ফরোয়ার্ডদের হতাশ করেন তিনি। ম্যাচসেরা হওয়ার দাবিও জোরালো করেন এই গোলরক্ষক।
অবশেষে ৮০তম মিনিটে সৌদি রক্ষণের এক ভুলের সুযোগ নেয় উরুগুয়ে। বক্সের ভেতরে আলগা হয়ে যাওয়া বল পেয়ে সংকীর্ণ কোণ থেকেও জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ম্যাক্সি আরাউহো। আল-ওয়াইস এবার আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি।
বাকি সময়ে উরুগুয়ে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও সৌদি আরবের সংগঠিত রক্ষণ ও আল-ওয়াইসের দৃঢ়তায় আর কোনো গোল পায়নি।
এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘এইচ’-এর চারটি দলই প্রথম ম্যাচ শেষে এক পয়েন্ট করে অর্জন করেছে। ফলে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই নকআউটে ওঠার লড়াই আরও কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে।

চার বছর আগে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল সৌদি আরব। ওই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২৬ বিশ্বকাপেও নিজেদের প্রথম ম্যাচে আরেক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ উরুগুয়ের বিপক্ষে লড়াকু পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ১-১ গোলের ড্র করেছে তারা।
গ্রুপ ‘এইচ’-এর ম্যাচে দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি সৌদি আরব। তবে ম্যাচজুড়ে গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইসের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে দলটি। এই ড্রয়ে প্রথম রাউন্ড শেষে গ্রুপের চার দলই এক পয়েন্ট করে নিয়ে সমতায় রয়েছে।
ফ্লোরিডার মিয়ামিতে হার্ড রক স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। তবে আক্রমণের ধার ছিল না। বরং সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় সৌদি আরব।
৪১তম মিনিটে দূরপাল্লার একটি শট উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা ঠিকমতো তালুবন্দি করতে পারেননি। তার হাত ফসকে বেরিয়ে আসা বলের ওপর সবার আগে ঝাঁপিয়ে পড়ে জালে পাঠান আবদুলেলাহ আল-আমরি। অপ্রত্যাশিত এই গোলে প্রথমার্ধ শেষ করে সৌদি আরব।
প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর বিরতিতে বড় সিদ্ধান্ত নেন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। দলের প্রধান স্ট্রাইকার ডারউইন নুনিয়েসকে তুলে নিয়ে আক্রমণের ধরন বদলে দেন তিনি।
এরপর যেন নতুন রূপে মাঠে নামে উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণকে চাপে রাখে তারা। পুরো ম্যাচে উরুগুয়ে ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ২০টিই দ্বিতীয়ার্ধে। কিন্তু প্রতিবারই তাদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ান সৌদি গোলরক্ষক মোহাম্মদ আল-ওয়াইস।
কখনো দারুণ ডাইভ, কখনো অসাধারণ রিফ্লেক্স— একের পর এক সেভ করে উরুগুয়ের ফরোয়ার্ডদের হতাশ করেন তিনি। ম্যাচসেরা হওয়ার দাবিও জোরালো করেন এই গোলরক্ষক।
অবশেষে ৮০তম মিনিটে সৌদি রক্ষণের এক ভুলের সুযোগ নেয় উরুগুয়ে। বক্সের ভেতরে আলগা হয়ে যাওয়া বল পেয়ে সংকীর্ণ কোণ থেকেও জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন ম্যাক্সি আরাউহো। আল-ওয়াইস এবার আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি।
বাকি সময়ে উরুগুয়ে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও সৌদি আরবের সংগঠিত রক্ষণ ও আল-ওয়াইসের দৃঢ়তায় আর কোনো গোল পায়নি।
এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘এইচ’-এর চারটি দলই প্রথম ম্যাচ শেষে এক পয়েন্ট করে অর্জন করেছে। ফলে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই নকআউটে ওঠার লড়াই আরও কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে