
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ডিআর কঙ্গো। শেষ ২২ মিনিটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি। এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হয়েছে ‘এল’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল উজবেকিস্তানের। প্রথম ৩০ সেকেন্ডেই এলদর শোমুরোদভ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে ১১তম মিনিটে আর ভুল করেননি দলের অধিনায়ক। সংকীর্ণ কোণ থেকে ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে চমৎকার লবে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ডিআর কঙ্গো। নাথানায়েল এমবুকু দুর্দান্ত এক শটে সমতা ফেরালেও ভিএআরের সহায়তায় বিল্ডআপে ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়। ফলে বিরতির আগ পর্যন্ত পিছিয়েই থাকতে হয় আফ্রিকান প্রতিনিধিদের।
দ্বিতীয়ার্ধেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উজবেকিস্তানের রক্ষণ ভাঙতে হিমশিম খাচ্ছিল ডিআর কঙ্গো। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৬৮তম মিনিটে। বক্সের ভেতর ইয়োয়ানে উইসাকে ফাউল করেন ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভ। পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করে সমতা ফেরান নিউক্যাসল ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।
সমতায় ফেরার মাত্র দুই মিনিট পরই ইতিহাসের সুবাস পেতে শুরু করে ডিআর কঙ্গো। মেশাক এলিয়ার শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ধীর হয়ে গেলে সুযোগটি কাজে লাগান ফিস্টন মায়েলে। গোলরক্ষকের আগেই বল স্পর্শ করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
যোগ করা সময়ে জয় নিশ্চিত করেন উইসা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ বাঁকানো শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোলও।
তিন ম্যাচে প্রথম জয় দিয়েই ইতিহাস গড়ল ডিআর কঙ্গো। বিশ্বকাপে এই প্রথম শেষ নকআউটে উঠল তারা। একই সঙ্গে আফ্রিকার দলগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাও বজায় থাকল। এরই মধ্যে মহাদেশটির একাধিক দল নকআউট নিশ্চিত করেছে, আর ডিআর কঙ্গো সেই তালিকায় যোগ হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ডিআর কঙ্গো। শেষ ২২ মিনিটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি। এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হয়েছে ‘এল’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল উজবেকিস্তানের। প্রথম ৩০ সেকেন্ডেই এলদর শোমুরোদভ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে ১১তম মিনিটে আর ভুল করেননি দলের অধিনায়ক। সংকীর্ণ কোণ থেকে ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে চমৎকার লবে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ডিআর কঙ্গো। নাথানায়েল এমবুকু দুর্দান্ত এক শটে সমতা ফেরালেও ভিএআরের সহায়তায় বিল্ডআপে ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়। ফলে বিরতির আগ পর্যন্ত পিছিয়েই থাকতে হয় আফ্রিকান প্রতিনিধিদের।
দ্বিতীয়ার্ধেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উজবেকিস্তানের রক্ষণ ভাঙতে হিমশিম খাচ্ছিল ডিআর কঙ্গো। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৬৮তম মিনিটে। বক্সের ভেতর ইয়োয়ানে উইসাকে ফাউল করেন ম্যানচেস্টার সিটির ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানভ। পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করে সমতা ফেরান নিউক্যাসল ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।
সমতায় ফেরার মাত্র দুই মিনিট পরই ইতিহাসের সুবাস পেতে শুরু করে ডিআর কঙ্গো। মেশাক এলিয়ার শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ধীর হয়ে গেলে সুযোগটি কাজে লাগান ফিস্টন মায়েলে। গোলরক্ষকের আগেই বল স্পর্শ করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
যোগ করা সময়ে জয় নিশ্চিত করেন উইসা। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ বাঁকানো শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে এটি তার তৃতীয় গোলও।
তিন ম্যাচে প্রথম জয় দিয়েই ইতিহাস গড়ল ডিআর কঙ্গো। বিশ্বকাপে এই প্রথম শেষ নকআউটে উঠল তারা। একই সঙ্গে আফ্রিকার দলগুলোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাও বজায় থাকল। এরই মধ্যে মহাদেশটির একাধিক দল নকআউট নিশ্চিত করেছে, আর ডিআর কঙ্গো সেই তালিকায় যোগ হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায়।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে