
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফুটবলে নরওয়েকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ‘আই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে উঠেছে ফ্রান্স। বর্তমান রানার্স আপদের হয়ে ম্যাচে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পের সতীর্থ ওসমান দেম্বেলে। এদিকে গ্রুপের আরেক ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সেনেগাল।
ফ্রান্স কিংবা নরওয়ে— দু’দলেরই নকআউট নিশ্চিত ছিল আগেই। লড়াইটা ছিল কেবল গ্রুপসেরা হওয়ার। আর সেই লড়াইয়ে নামার আগেই যেন নিজেদের অর্ধেক গুটিয়ে নেয় নরওয়ে। দলের মহাতারকা আর্লিং হালান্ডসহ আগের ম্যাচের ১০ জন নিয়মিত খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে মাঠে নামে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি। অন্যদিকে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নরওয়েকে চেপে ধরে ফরাসীরা।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ফরাসিদের এগিয়ে নেন সদ্য ব্যালন ডি’অর জয়ী উইঙ্গার ওসমান দেম্বেলে। ২০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই তারকা। অবশ্য এর এক মিনিট পরেই থেলোনিয়াস আসগার্ডের গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল নরওয়ে।
তবে নরওয়ের সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচের ৩২ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ইতিহাস গড়েন দেম্বেলে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক।
দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি পেয়েও তা থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন নরওয়ের লারসেন। উল্টো ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে দেজিরে দুয়ে আরও একটি গোল করলে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। আগামী মঙ্গলবার ডালাসে শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরিকোস্টের মুখোমুখি হবে নরওয়ে, তবে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ এখনো নিশ্চিত হয়নি।
গ্রুপের আরেক বাঁচা-মরার ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সেনেগাল। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন পাপে থিয়াও। এই বড় জয়ের পর নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখে সেনেগাল এখন তাকিয়ে আছে অন্য গ্রুপগুলোর সমীকরণের দিকে।

বিশ্বকাপ ফুটবলে নরওয়েকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে ‘আই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে উঠেছে ফ্রান্স। বর্তমান রানার্স আপদের হয়ে ম্যাচে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পের সতীর্থ ওসমান দেম্বেলে। এদিকে গ্রুপের আরেক ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে হারিয়ে নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে সেনেগাল।
ফ্রান্স কিংবা নরওয়ে— দু’দলেরই নকআউট নিশ্চিত ছিল আগেই। লড়াইটা ছিল কেবল গ্রুপসেরা হওয়ার। আর সেই লড়াইয়ে নামার আগেই যেন নিজেদের অর্ধেক গুটিয়ে নেয় নরওয়ে। দলের মহাতারকা আর্লিং হালান্ডসহ আগের ম্যাচের ১০ জন নিয়মিত খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে মাঠে নামে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি। অন্যদিকে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নরওয়েকে চেপে ধরে ফরাসীরা।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই ফরাসিদের এগিয়ে নেন সদ্য ব্যালন ডি’অর জয়ী উইঙ্গার ওসমান দেম্বেলে। ২০তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই তারকা। অবশ্য এর এক মিনিট পরেই থেলোনিয়াস আসগার্ডের গোলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল নরওয়ে।
তবে নরওয়ের সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচের ৩২ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ইতিহাস গড়েন দেম্বেলে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক।
দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি পেয়েও তা থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন নরওয়ের লারসেন। উল্টো ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে দেজিরে দুয়ে আরও একটি গোল করলে ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। আগামী মঙ্গলবার ডালাসে শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরিকোস্টের মুখোমুখি হবে নরওয়ে, তবে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ এখনো নিশ্চিত হয়নি।
গ্রুপের আরেক বাঁচা-মরার ম্যাচে ইরাককে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সেনেগাল। দলের হয়ে জোড়া গোল করেন পাপে থিয়াও। এই বড় জয়ের পর নকআউটের আশা বাঁচিয়ে রেখে সেনেগাল এখন তাকিয়ে আছে অন্য গ্রুপগুলোর সমীকরণের দিকে।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে