
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড। স্বাভাবিকভাবেই খেলার সঙ্গে ইতিহাস মিলিয়ে ভিন্ন এক মাত্রা। সেখানে ৫৫ মিনিটের গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড। সে লিড ইংলিশরা ধরে রাখল ৮৫ মিনিট পর্যন্ত। ততক্ষণে আক্রমণ করতে করতে আর্জেন্টিনা রীতিমতো মরিয়া, সমর্থকদের উঠে গেছে নাভিশ্বাস।
সেখান থেকেই আবার কামব্যাকের মহাকাব্য লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে এসে একের পর এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড় নামালেন আলবিসেলেস্তের কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্টিনেজ।
৮৫ মিনিট থেকে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটের মধ্যে খেলার পুরো চিত্র উলটে গেল। ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল না। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে গেল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ বরাবরই আলাদা আবহ তৈরি করে। মেক্সিকো ১৯৮৬, ফ্রান্স ১৯৯৮ কিংবা ২০০২ বিশ্বকাপের স্মৃতি ঘিরে থাকা এই লড়াইয়েও শুরু থেকেই ছিল তীব্র উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শারীরি লড়াই, কৌশলী ফাউল আর স্নায়ুচাপই ছিল প্রথমার্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের স্পষ্ট কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি, অথচ দুই দল মিলে ফাউল করেছে ১৯টি। দুটি হলুদ কার্ডও পেয়ে যান দুই দলের দুজন।
প্রথমার্ধের খেলা কতটা নিষ্প্রাণ ছিল ফুটবল বিবেচনায়, তা নানা পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট। পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দল। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের এক্সজি তথা প্রত্যাশিত গোল ছিল মাত্র ০.০৫, আর্জেন্টিনার ০.০৩।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ডেকলান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেডই ছিল বলতে গেলে প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা। তবে সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাঁচ মিনিট পর এনজো দূরপাল্লার শট করে ইংল্যান্ডকে বাজিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। সেটিও ছিল না লক্ষ্যে।
মাঠে তখন উত্তেজনা তুঙ্গে। ৩৭ মিনিটে লিওনেল মেসি একের পর এক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে এগিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত তাকে ফাউল করে থামাতে বাধ্য হন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। সেই ফাউলে হলুদ কার্ডও দেখেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার। পুরো প্রথমার্ধ জুড়েই এমন কৌশলী ফাউল ছিল নিয়মিত দৃশ্য।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৫ মিনিটে প্রথমে হুলিয়ান আলভারেজের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জর্ডান পিকফোর্ড। সেই আক্রমণ প্রতিহত করার পরই পালটা আঘাত হানে ইংল্যান্ড।
হ্যারি কেইনের লম্বা পাস আংশিক ক্লিয়ার করেছিলেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। বলটি পেয়ে ডান প্রান্ত থেকে চমৎকার ক্রস তোলেন মরগান রজার্স। সেখানে নাহুয়েল মোলিনাকে পরাস্ত করে কাছ থেকে নিখুঁত ফিনিশে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।

গোলের পর আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। বিশেষ করে বাঁ প্রান্তে ডেজেড স্পেন্স ছিলেন দুর্দান্ত। আক্রমণে যেমন বারবার উঠে গেছেন, তেমনি রক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জুলিয়ানো সিমেওনে নিশ্চিত সুযোগের সামনে চলে গেলে অসাধারণ স্লাইড ট্যাকলে তাকে থামিয়ে দেন স্পেন্স। গোল বাঁচানোর পরও তার উদ্যাপন ছিল গোল করার সমতুল্য!
তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের কাছ থেকে আসা হেড দারুণভাবে ঠেকান পিকফোর্ড। এরপরই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। এগিয়ে থাকায় শেষ ১৫ মিনিটে ব্যবধান ধরে রাখতে তিনি পাঁচ ডিফেন্ডারের রক্ষণে চলে যান। অ্যান্থনি গর্ডনকে তুলে নামানো হয় এজরি কনসাকে।
এই পরিবর্তনই যেন ইংল্যান্ডের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। আর্জেন্টিনা উঠে আসে অলআউট অ্যাটাকে। ইংল্যান্ড নিজেদের অর্ধেই গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয়। একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের নাভিশ্বাস তুলে দেন মেসি-ম্যাক আলিস্টাররা।

শেষ পর্যন্ত চাপের ফল আসে ৮৬ মিনিটে, অপেক্ষার অবসান ঘটে আলবিসেলেস্তেদের। লিওনেল মেসির নেওয়া ছোট কর্নার থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেস।
গোলের পরও থামেনি আর্জেন্টিনা। অল্প সময়ের ব্যবধানে অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের নিচু শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো গোলবারের বাধায় গোলবঞ্চিত হন আলিস্টার। তবে এবারে তার আক্রমণ বৃথা যায়নি।
গোলবারে লেগে ফিরে আসা বল পেয়ে যান মেসি, সোজা চলে যান আক্রমণে। ডান প্রান্তে বল পেয়ে কয়েকজনকে কাটিয়ে নিখুঁত ক্রস ভাসিয়ে দেন ডি-বক্সে। ইংল্যান্ডের রক্ষণে তখন অনেকটাই ফাঁকায় দাঁড়িয়ে বদলি ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজ। নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন কাঙ্ক্ষিত লিড। সেই লিডই পরিণত হয় জয়সূচক গোলে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৯০+২ মিনিট!

৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেও এই ৭ মিনিটের ঝড়ে স্বপ্ন ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের। ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে গোল খাওয়ার পর আরও মিনিট দশেক খেলা চললেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি হ্যারি কেন-জুড বেলিংহামরা। অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচ নিয়ে যেতে পারেননি তারা। চেয়ে চেয়ে মেসিদের উঠতে দেখলেন ফাইনালে। নিজেদের ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান এত কাছে গিয়েও বাস্তব হয়ে উঠল না।
ম্যাচ শেষে স্পষ্ট হয়ে যায়, পুরো টুর্নামেন্টে খুব বেশি উজ্জ্বল না খেলেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। স্নায়ু ধরে রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত তারা ম্যাচের পর ম্যাচ দেখিয়েই যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে আরেকবার প্রমাণ করেছে কেন তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ইংল্যান্ডের হৃদয়ভাঙার গল্পের বিপরীতে মেসিদের আরও একবার ঝলসে ওঠার গল্পে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল।

বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড। স্বাভাবিকভাবেই খেলার সঙ্গে ইতিহাস মিলিয়ে ভিন্ন এক মাত্রা। সেখানে ৫৫ মিনিটের গোলে এগিয়ে ইংল্যান্ড। সে লিড ইংলিশরা ধরে রাখল ৮৫ মিনিট পর্যন্ত। ততক্ষণে আক্রমণ করতে করতে আর্জেন্টিনা রীতিমতো মরিয়া, সমর্থকদের উঠে গেছে নাভিশ্বাস।
সেখান থেকেই আবার কামব্যাকের মহাকাব্য লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে এসে একের পর এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড় নামালেন আলবিসেলেস্তের কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্টিনেজ।
৮৫ মিনিট থেকে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটের মধ্যে খেলার পুরো চিত্র উলটে গেল। ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল না। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে গেল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। আগামী রোববার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা দ্বৈরথ বরাবরই আলাদা আবহ তৈরি করে। মেক্সিকো ১৯৮৬, ফ্রান্স ১৯৯৮ কিংবা ২০০২ বিশ্বকাপের স্মৃতি ঘিরে থাকা এই লড়াইয়েও শুরু থেকেই ছিল তীব্র উত্তেজনা। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শারীরি লড়াই, কৌশলী ফাউল আর স্নায়ুচাপই ছিল প্রথমার্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের স্পষ্ট কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি, অথচ দুই দল মিলে ফাউল করেছে ১৯টি। দুটি হলুদ কার্ডও পেয়ে যান দুই দলের দুজন।
প্রথমার্ধের খেলা কতটা নিষ্প্রাণ ছিল ফুটবল বিবেচনায়, তা নানা পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট। পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দল। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের এক্সজি তথা প্রত্যাশিত গোল ছিল মাত্র ০.০৫, আর্জেন্টিনার ০.০৩।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ডেকলান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেডই ছিল বলতে গেলে প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা। তবে সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাঁচ মিনিট পর এনজো দূরপাল্লার শট করে ইংল্যান্ডকে বাজিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। সেটিও ছিল না লক্ষ্যে।
মাঠে তখন উত্তেজনা তুঙ্গে। ৩৭ মিনিটে লিওনেল মেসি একের পর এক ইংলিশ খেলোয়াড়কে কাটিয়ে এগিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত তাকে ফাউল করে থামাতে বাধ্য হন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। সেই ফাউলে হলুদ কার্ডও দেখেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার। পুরো প্রথমার্ধ জুড়েই এমন কৌশলী ফাউল ছিল নিয়মিত দৃশ্য।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫৫ মিনিটে প্রথমে হুলিয়ান আলভারেজের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জর্ডান পিকফোর্ড। সেই আক্রমণ প্রতিহত করার পরই পালটা আঘাত হানে ইংল্যান্ড।
হ্যারি কেইনের লম্বা পাস আংশিক ক্লিয়ার করেছিলেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। বলটি পেয়ে ডান প্রান্ত থেকে চমৎকার ক্রস তোলেন মরগান রজার্স। সেখানে নাহুয়েল মোলিনাকে পরাস্ত করে কাছ থেকে নিখুঁত ফিনিশে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন অ্যান্থনি গর্ডন।

গোলের পর আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। বিশেষ করে বাঁ প্রান্তে ডেজেড স্পেন্স ছিলেন দুর্দান্ত। আক্রমণে যেমন বারবার উঠে গেছেন, তেমনি রক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। জুলিয়ানো সিমেওনে নিশ্চিত সুযোগের সামনে চলে গেলে অসাধারণ স্লাইড ট্যাকলে তাকে থামিয়ে দেন স্পেন্স। গোল বাঁচানোর পরও তার উদ্যাপন ছিল গোল করার সমতুল্য!
তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে আর্জেন্টিনা। লিয়ান্দ্রো পারেদেসের কাছ থেকে আসা হেড দারুণভাবে ঠেকান পিকফোর্ড। এরপরই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। এগিয়ে থাকায় শেষ ১৫ মিনিটে ব্যবধান ধরে রাখতে তিনি পাঁচ ডিফেন্ডারের রক্ষণে চলে যান। অ্যান্থনি গর্ডনকে তুলে নামানো হয় এজরি কনসাকে।
এই পরিবর্তনই যেন ইংল্যান্ডের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। আর্জেন্টিনা উঠে আসে অলআউট অ্যাটাকে। ইংল্যান্ড নিজেদের অর্ধেই গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয়। একের পর এক আক্রমণে ইংল্যান্ডের নাভিশ্বাস তুলে দেন মেসি-ম্যাক আলিস্টাররা।

শেষ পর্যন্ত চাপের ফল আসে ৮৬ মিনিটে, অপেক্ষার অবসান ঘটে আলবিসেলেস্তেদের। লিওনেল মেসির নেওয়া ছোট কর্নার থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে সমতা ফেরান এনজো ফের্নান্দেস।
গোলের পরও থামেনি আর্জেন্টিনা। অল্প সময়ের ব্যবধানে অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টারের নিচু শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ম্যাচে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো গোলবারের বাধায় গোলবঞ্চিত হন আলিস্টার। তবে এবারে তার আক্রমণ বৃথা যায়নি।
গোলবারে লেগে ফিরে আসা বল পেয়ে যান মেসি, সোজা চলে যান আক্রমণে। ডান প্রান্তে বল পেয়ে কয়েকজনকে কাটিয়ে নিখুঁত ক্রস ভাসিয়ে দেন ডি-বক্সে। ইংল্যান্ডের রক্ষণে তখন অনেকটাই ফাঁকায় দাঁড়িয়ে বদলি ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজ। নিখুঁত হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে এনে দেন কাঙ্ক্ষিত লিড। সেই লিডই পরিণত হয় জয়সূচক গোলে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৯০+২ মিনিট!

৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেও এই ৭ মিনিটের ঝড়ে স্বপ্ন ভেঙে যায় ইংল্যান্ডের। ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে গোল খাওয়ার পর আরও মিনিট দশেক খেলা চললেও আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি হ্যারি কেন-জুড বেলিংহামরা। অতিরিক্ত সময়েও ম্যাচ নিয়ে যেতে পারেননি তারা। চেয়ে চেয়ে মেসিদের উঠতে দেখলেন ফাইনালে। নিজেদের ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান এত কাছে গিয়েও বাস্তব হয়ে উঠল না।
ম্যাচ শেষে স্পষ্ট হয়ে যায়, পুরো টুর্নামেন্টে খুব বেশি উজ্জ্বল না খেলেও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নিজেদের সামর্থ্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। স্নায়ু ধরে রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত তারা ম্যাচের পর ম্যাচ দেখিয়েই যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে আরেকবার প্রমাণ করেছে কেন তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ইংল্যান্ডের হৃদয়ভাঙার গল্পের বিপরীতে মেসিদের আরও একবার ঝলসে ওঠার গল্পে শেষ হয়েছে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে স্বাগতিকরা। বুধবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দুই দলের লড়াইয়ে সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তারা ছয়বার জিতেছে, আর্জেন্টিনা জিতেছে দুটি ম্যাচে, বাকি ছয়টি ড্র হয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার স্মরণীয় জয়গুলোর একটি এসেছে ১৯৮৬ সালে, যে ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনা করেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুটি গোল—‘হ্যান্
১৪ ঘণ্টা আগে
বুধবার বুলাওয়েতে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। চোট কাটিয়ে উঠতে না পারায় এই ম্যাচে খেলছেন না নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করছেন নুরুল হাসান সোহান।
১৪ ঘণ্টা আগে
একদিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে বহু প্রতীক্ষিত শিরোপার স্বপ্ন। একদিকে মেসির শেষ বিশ্বকাপ অভিযানের আবেগ। অন্যদিকে কেইন-বেলিংহামদের নতুন ইতিহাস লেখার আকাঙ্ক্ষা।
১৭ ঘণ্টা আগে