
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। জর্ডানের বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আরেকটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা সাতটি ম্যাচে গোল করার রেকর্ড এখন শুধুই তার। এর সঙ্গে সঙ্গে তার ঝুলিতে যোগ হয়েছে আরও দুটি রেকর্ড!
রোববার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচে ৩-১ গোলের জয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই নিজের ছাপ রাখেন মেসি। ৩৯তম জন্মদিনের তিন দিন পর ম্যাচটি খেলতে নেমে ৮০তম মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে জালের দেখা পান তিনি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৯-এ, যা এই আসরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। টানা সাত ম্যাচে গোলেরও অনন্য রেকর্ড গড়লেন তিনি।
মেসি মানেই যেহেতু রেকর্ডের ডালি, তাই এখানেই শেষ নয়। ফ্রিকিক থেকে গোল পাওয়ায় বিশ্বকাপে ডি-বক্সের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ ছয় গোলের মালিক এখন মেসি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ছয় গোল করা প্রথম ফুটবলারও বনে গেলেন তিনি।
এর আগে টানা ছয় বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কীর্তি ছিল ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন ও ব্রাজিলের জোয়ার্জিনহোর। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফন্টেইন টানা ছয় ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন। অন্যদিকে ১৯৭০ বিশ্বকাপে জোয়ার্জিনহো ছয় ম্যাচে গোল করার পর ১৯৭৪ বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য থাকায় তার ধারাবাহিকতা থেমে যায়। সেই রেকর্ড এবার এককভাবে নিজের করে নিলেন মেসি।
মেসির এই গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস, সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া আর ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষেও গোল করেন তিনি।
কাতার বিশ্বকাপ শেষে চলমান আসরে প্রথম দুই ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড গড়েন তিনি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেয়েছিলেন দুই গোল। এবার জর্ডানের বিপক্ষেও গোল করে টানা সাত ম্যাচে গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
মজার বিষয়, ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার একমাত্র ম্যাচ যেখানে মেসি গোল করতে পারেননি, সেটি ছিল গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেও অবশ্য গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু পেনাল্টি থেকে ব্যর্থ হন।
সব মিলিয়ে গত ১০টি বিশ্বকাপ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা ১৩। শেষ চারটি নকআউট ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন, আর এখন সেই ধারাবাহিকতা টেনে নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবল কিংবদন্তি।

বিশ্বকাপে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। জর্ডানের বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আরেকটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা সাতটি ম্যাচে গোল করার রেকর্ড এখন শুধুই তার। এর সঙ্গে সঙ্গে তার ঝুলিতে যোগ হয়েছে আরও দুটি রেকর্ড!
রোববার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচে ৩-১ গোলের জয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই নিজের ছাপ রাখেন মেসি। ৩৯তম জন্মদিনের তিন দিন পর ম্যাচটি খেলতে নেমে ৮০তম মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে জালের দেখা পান তিনি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১৯-এ, যা এই আসরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। টানা সাত ম্যাচে গোলেরও অনন্য রেকর্ড গড়লেন তিনি।
মেসি মানেই যেহেতু রেকর্ডের ডালি, তাই এখানেই শেষ নয়। ফ্রিকিক থেকে গোল পাওয়ায় বিশ্বকাপে ডি-বক্সের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ ছয় গোলের মালিক এখন মেসি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ছয় গোল করা প্রথম ফুটবলারও বনে গেলেন তিনি।
এর আগে টানা ছয় বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার কীর্তি ছিল ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন ও ব্রাজিলের জোয়ার্জিনহোর। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফন্টেইন টানা ছয় ম্যাচে ১৩ গোল করেছিলেন। অন্যদিকে ১৯৭০ বিশ্বকাপে জোয়ার্জিনহো ছয় ম্যাচে গোল করার পর ১৯৭৪ বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য থাকায় তার ধারাবাহিকতা থেমে যায়। সেই রেকর্ড এবার এককভাবে নিজের করে নিলেন মেসি।
মেসির এই গোলযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস, সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়া আর ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষেও গোল করেন তিনি।
কাতার বিশ্বকাপ শেষে চলমান আসরে প্রথম দুই ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড গড়েন তিনি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে পেয়েছিলেন দুই গোল। এবার জর্ডানের বিপক্ষেও গোল করে টানা সাত ম্যাচে গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
মজার বিষয়, ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার একমাত্র ম্যাচ যেখানে মেসি গোল করতে পারেননি, সেটি ছিল গ্রুপ পর্বে পোল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেও অবশ্য গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি, কিন্তু পেনাল্টি থেকে ব্যর্থ হন।
সব মিলিয়ে গত ১০টি বিশ্বকাপ ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা ১৩। শেষ চারটি নকআউট ম্যাচেই তিনি গোল করেছেন, আর এখন সেই ধারাবাহিকতা টেনে নিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন আটবারের ব্যালন ডি'অরজয়ী এই ফুটবল কিংবদন্তি।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে