
ক্রীড়া প্রতিবেদক

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ঝলমলে সেঞ্চুরি আর মুমিনুল হকের ধৈর্যপূর্ণ ৯১ রানে ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩০১ রান।
দিনের শুরুটা অবশ্য খুব একটা স্বস্তির ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৩১ রানের মধ্যেই ফিরে যান দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান ও সাদমান ইসলাম। তবে এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেন নাজমুল ও মুমিনুল।
তৃতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটারের ১৭০ রানের জুটি ম্যাচে বাংলাদেশের ভিত গড়ে দেয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটিও। ইনিংসের ১১তম ওভারে শুরু হওয়া এই জুটি চা-বিরতির আগে শেষ ওভারে নাজমুলের বিদায়ে ভাঙে।
অধিনায়ক নাজমুল খেলেন ১৩০ বলে ১০১ রানের দারুণ এক ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। ৭১ বলে ফিফটি পূরণের পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। কাভার ড্রাইভ, স্ট্রেইট ড্রাইভ কিংবা স্কয়ার অঞ্চলে অনায়াস সব শটে পাকিস্তানি বোলারদের চাপে রাখেন পুরো সময় জুড়ে।

মোহাম্মদ আব্বাসকে দৃষ্টিনন্দন এক কাভার ড্রাইভে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাজমুল। তবে পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাজঘরে। সেঞ্চুরির পর তার হতাশ বিদায় কিছুটা আক্ষেপ বাড়ালেও দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে গেছেন টাইগার অধিনায়ক।
অন্যদিকে, মুমিনুল হক খেলেছেন ২০০ বলে ৯১ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। তবু ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংসকে স্থিতি এনে দেন এই বাহাতি ব্যাটার।
দিনের শেষ ভাগে মুশফিকুর রহিমও ছিলেন স্বাচ্ছন্দ্যে। মুমিনুলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। নিজের ১০১তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিক দিন শেষ করেছেন ফিফটি থেকে দুই রান দূরে থেকে। তিনি অপরাজিত আছেন ৪৮ রানে। তার সঙ্গে ৮ রানে অপরাজিত আছেন লিটন দাস।
শুরুতে কিছুটা সুইং পেলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ। শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস কিংবা নোমান আলীরা খুব বেশি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে। প্রথম দিন শেষে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় দিনে আরও বড় ইনিংস গড়ার স্বপ্ন দেখছে।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ঝলমলে সেঞ্চুরি আর মুমিনুল হকের ধৈর্যপূর্ণ ৯১ রানে ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিন শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩০১ রান।
দিনের শুরুটা অবশ্য খুব একটা স্বস্তির ছিল না বাংলাদেশের। দলীয় ৩১ রানের মধ্যেই ফিরে যান দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান ও সাদমান ইসলাম। তবে এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেন নাজমুল ও মুমিনুল।
তৃতীয় উইকেটে এই দুই ব্যাটারের ১৭০ রানের জুটি ম্যাচে বাংলাদেশের ভিত গড়ে দেয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটিও। ইনিংসের ১১তম ওভারে শুরু হওয়া এই জুটি চা-বিরতির আগে শেষ ওভারে নাজমুলের বিদায়ে ভাঙে।
অধিনায়ক নাজমুল খেলেন ১৩০ বলে ১০১ রানের দারুণ এক ইনিংস। তার ব্যাট থেকে আসে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। ৭১ বলে ফিফটি পূরণের পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। কাভার ড্রাইভ, স্ট্রেইট ড্রাইভ কিংবা স্কয়ার অঞ্চলে অনায়াস সব শটে পাকিস্তানি বোলারদের চাপে রাখেন পুরো সময় জুড়ে।

মোহাম্মদ আব্বাসকে দৃষ্টিনন্দন এক কাভার ড্রাইভে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাজমুল। তবে পরের বলেই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাজঘরে। সেঞ্চুরির পর তার হতাশ বিদায় কিছুটা আক্ষেপ বাড়ালেও দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়ে গেছেন টাইগার অধিনায়ক।
অন্যদিকে, মুমিনুল হক খেলেছেন ২০০ বলে ৯১ রানের ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ১০টি চার। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও নোমান আলীর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় তাকে। তবু ধৈর্য ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংসকে স্থিতি এনে দেন এই বাহাতি ব্যাটার।
দিনের শেষ ভাগে মুশফিকুর রহিমও ছিলেন স্বাচ্ছন্দ্যে। মুমিনুলের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ৭৫ রানের জুটি গড়েন তিনি। নিজের ১০১তম টেস্ট খেলতে নামা মুশফিক দিন শেষ করেছেন ফিফটি থেকে দুই রান দূরে থেকে। তিনি অপরাজিত আছেন ৪৮ রানে। তার সঙ্গে ৮ রানে অপরাজিত আছেন লিটন দাস।
শুরুতে কিছুটা সুইং পেলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ। শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস কিংবা নোমান আলীরা খুব বেশি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে। প্রথম দিন শেষে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় দিনে আরও বড় ইনিংস গড়ার স্বপ্ন দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
১ দিন আগে
৬ মিনিটের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্রাজিলকে জয়সূচক গোল এনে দিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। জাপানের রক্ষণদুর্গ ভেঙে ২-১ গোলের জয় নিয়ে হেক্সা মিশনে ব্রাজিল উঠল শেষ ষোলোতে।
১ দিন আগে
নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
১ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
২ দিন আগে