
ক্রীড়া ডেস্ক

কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। নকআউট ম্যাচের আগে লেফট-ব্যাক, সেন্টার-ব্যাক ও সেন্টার ফরোয়ার্ড— এই তিন জায়গা নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে শতভাগ সাফল্যের সঙ্গে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা লিওনেল মেসির দল পূর্ণ শক্তির একাদশ নিয়েই মাঠে নামতে চাইলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে কাকে খেলানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল ও লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেওয়া দলটি এবার আরও একটি অঘটন ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে। তাই কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না স্কালোনি।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে একসঙ্গে নয়টি পরিবর্তন এনে মূল খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিলেন স্কালোনি। সেই ম্যাচে বেঞ্চের কয়েকজন ফুটবলার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণও দিয়েছেন।
তবে নকআউট পর্বে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাঁটতে চাইছেন না আর্জেন্টাইন কোচ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা মূল একাদশের কাঠামোতেই ফিরতে যাচ্ছে দল। অধিনায়ক লিওনেল মেসির ফেরার মধ্য দিয়ে আবারও পরিচিত ৪-৪-২ ফরমেশনে খেলবে আর্জেন্টিনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
লেফট-ব্যাকে কঠিন সিদ্ধান্ত
সবচেয়ে বড় ধন্দ লেফট-ব্যাক পজিশনে। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।
কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন ফাকুন্দো মেদিনা। রক্ষণে দৃঢ়তার পাশাপাশি আক্রমণেও অবদান রেখেছেন তিনি। ফলে অভিজ্ঞ তাগলিয়াফিকোকে ফেরানো হবে, নাকি ফর্মে থাকা মেদিনার ওপরই আস্থা রাখা হবে— সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
রোমেরোর ফিটনেস নিয়ে অপেক্ষা
রক্ষণভাগের মাঝখানেও রয়েছে অনিশ্চয়তা। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো এখনো শতভাগ ফিট কি না, সেটি নিশ্চিত নয়।
তিনি পুরোপুরি সুস্থ না হলে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের সঙ্গে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকেই খেলানোর সম্ভাবনা বেশি। বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার কারণে ওতামেন্দি এই মুহূর্তে কিছুটা এগিয়েই আছেন।
ফরোয়ার্ডে লাউতারো নাকি আলভারেজ?
আক্রমণভাগে সবচেয়ে জমজমাট লড়াই লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে।
দুজনই স্কালোনির গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন লাউতারো। তাই কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে আপাতত তিনিই কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন।
অবশ্য ম্যাচের কৌশল ও প্রতিপক্ষের ধরন বিবেচনায় শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাতেও পারেন স্কালোনি।
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নাহুয়েল মলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি (অথবা ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো), লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (অথবা ফাকুন্দো মেদিনা); রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার, থিয়াগো আলমাদা; লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ (অথবা হুলিয়ান আলভারেজ)।

কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি কোচ লিওনেল স্কালোনি। নকআউট ম্যাচের আগে লেফট-ব্যাক, সেন্টার-ব্যাক ও সেন্টার ফরোয়ার্ড— এই তিন জায়গা নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে শতভাগ সাফল্যের সঙ্গে শেষ ষোলো নিশ্চিত করা লিওনেল মেসির দল পূর্ণ শক্তির একাদশ নিয়েই মাঠে নামতে চাইলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে কাকে খেলানো হবে, সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল ও লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেওয়া দলটি এবার আরও একটি অঘটন ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে। তাই কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনা এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না স্কালোনি।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে একসঙ্গে নয়টি পরিবর্তন এনে মূল খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দিয়েছিলেন স্কালোনি। সেই ম্যাচে বেঞ্চের কয়েকজন ফুটবলার নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণও দিয়েছেন।
তবে নকআউট পর্বে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাঁটতে চাইছেন না আর্জেন্টাইন কোচ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা মূল একাদশের কাঠামোতেই ফিরতে যাচ্ছে দল। অধিনায়ক লিওনেল মেসির ফেরার মধ্য দিয়ে আবারও পরিচিত ৪-৪-২ ফরমেশনে খেলবে আর্জেন্টিনা বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
লেফট-ব্যাকে কঠিন সিদ্ধান্ত
সবচেয়ে বড় ধন্দ লেফট-ব্যাক পজিশনে। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।
কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন ফাকুন্দো মেদিনা। রক্ষণে দৃঢ়তার পাশাপাশি আক্রমণেও অবদান রেখেছেন তিনি। ফলে অভিজ্ঞ তাগলিয়াফিকোকে ফেরানো হবে, নাকি ফর্মে থাকা মেদিনার ওপরই আস্থা রাখা হবে— সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
রোমেরোর ফিটনেস নিয়ে অপেক্ষা
রক্ষণভাগের মাঝখানেও রয়েছে অনিশ্চয়তা। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো এখনো শতভাগ ফিট কি না, সেটি নিশ্চিত নয়।
তিনি পুরোপুরি সুস্থ না হলে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের সঙ্গে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকেই খেলানোর সম্ভাবনা বেশি। বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতার কারণে ওতামেন্দি এই মুহূর্তে কিছুটা এগিয়েই আছেন।
ফরোয়ার্ডে লাউতারো নাকি আলভারেজ?
আক্রমণভাগে সবচেয়ে জমজমাট লড়াই লাউতারো মার্তিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে।
দুজনই স্কালোনির গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন লাউতারো। তাই কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে আপাতত তিনিই কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন।
অবশ্য ম্যাচের কৌশল ও প্রতিপক্ষের ধরন বিবেচনায় শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদলাতেও পারেন স্কালোনি।
আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নাহুয়েল মলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি (অথবা ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো), লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (অথবা ফাকুন্দো মেদিনা); রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার, থিয়াগো আলমাদা; লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ (অথবা হুলিয়ান আলভারেজ)।

বিশ্বকাপের ফেবারিট দুই দলের লড়াইয়ের কারণে এ ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা ছাপিয়ে এ ম্যাচ পরিণত হতে যাচ্ছে দুই বন্ধু— পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপে শেষ সাক্ষাতের মঞ্চে। ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে এরপর যে আর সময়ের এই দুই মহাতারকার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাই নেই!
১ দিন আগে
স্কালোনি বলেন, ‘এখনই শুরু আসল লড়াই। কেপ ভার্দে নকআউটে উঠেছে দেখে আমি অবাক হইনি। তারা প্রতিটি প্রতিপক্ষের জীবন কঠিন করে তুলেছে। তারা খুবই কঠিন দল এবং আমাদের জন্যও ম্যাচটা সহজ হবে না।’
১ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোল বাতিল হলে কিছুটা হতাশ হতে হয় স্বাগতিক সমর্থকদের। তবে সেই ধাক্কা সামলে আক্রমণের ধার বাড়ায় তারা। অবশেষে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগ
২ দিন আগে
৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর স্বপ্নে সমর্থকদের রাঙিয়ে রেখেছিল দলটি। সেখান থেকে রোমেলু লুকাকু আর ইয়োরি টিলেম্যান্সের তিন মিনিটের ম্যাজিকে ভর করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ‘বিতর্কিত’ এক পেনাল্টিতে সেনেগালকে কাঁদিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে
২ দিন আগে