
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখানো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা শুধু পরের রাউন্ডেই ওঠেনি, ভেঙেছে ১৬ বছরের নকআউট অভিশাপও। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের দেখা পেল লা রোহা। শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হবে পর্তুগাল অথবা ক্রোয়েশিয়া।
ইউরো ২০২৪ জয়ের পর থেকেই বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল স্পেন। তবে ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো জয় ছিল না তাদের। ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়, আর ২০১৮ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। এবার সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টানল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও অস্ট্রিয়ার রক্ষণ ভাঙতে কিছুটা সময় লেগেছে। অবশেষে ৩৬তম মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার নিচু ক্রস থেকে ১২ গজ দূর থেকে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন মিকেল ওইয়ারজাবাল। এর আগে কর্নার থেকে কুকুরেয়ার নেওয়া এক শট জালে জড়ালেও সেটি বাতিল হয়।
প্রথমার্ধেই ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত স্পেন। কিন্তু একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগার। ওইয়ারজাবালের শট ঠেকানোর পর বিরতির ঠিক আগে অ্যালেক্স বায়েনার ফ্রি-কিক ক্রসবারে ঠেলে দেন। ফিরতি বলে লামিন ইয়ামালের শটও রুখে দেন তিনি।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। ৬৬তম মিনিটে অ্যালেক্স বায়েনার ক্রস থেকে বক্সে উঠে হেডে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ওইয়ারজাবাল। কুকুরেয়ার নিখুঁত থ্রু পাস ধরে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে টুর্নামেন্টে নিজের চতুর্থ গোলও তুলে নেন তিনি। তাতে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন।
অন্যদিকে, ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ খেলতে নেমেছিল অস্ট্রিয়া। বদলি হিসেবে নেমে সাসা কালাইজদজিচ হেডে দলের সেরা সুযোগটি পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এরপর আর তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা।
এই জয়ে টানা চার ম্যাচে কোনো গোল না হজম করেই শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল স্পেন।

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে স্পেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখানো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা শুধু পরের রাউন্ডেই ওঠেনি, ভেঙেছে ১৬ বছরের নকআউট অভিশাপও। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এই প্রথম নকআউট পর্বে জয়ের দেখা পেল লা রোহা। শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হবে পর্তুগাল অথবা ক্রোয়েশিয়া।
ইউরো ২০২৪ জয়ের পর থেকেই বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল স্পেন। তবে ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো জয় ছিল না তাদের। ২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়, আর ২০১৮ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোতে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। এবার সেই হতাশার অধ্যায়ের ইতি টানল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল স্পেনের। যদিও অস্ট্রিয়ার রক্ষণ ভাঙতে কিছুটা সময় লেগেছে। অবশেষে ৩৬তম মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার নিচু ক্রস থেকে ১২ গজ দূর থেকে জোরালো শটে জাল খুঁজে নেন মিকেল ওইয়ারজাবাল। এর আগে কর্নার থেকে কুকুরেয়ার নেওয়া এক শট জালে জড়ালেও সেটি বাতিল হয়।
প্রথমার্ধেই ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত স্পেন। কিন্তু একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক শ্লাগার। ওইয়ারজাবালের শট ঠেকানোর পর বিরতির ঠিক আগে অ্যালেক্স বায়েনার ফ্রি-কিক ক্রসবারে ঠেলে দেন। ফিরতি বলে লামিন ইয়ামালের শটও রুখে দেন তিনি।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। ৬৬তম মিনিটে অ্যালেক্স বায়েনার ক্রস থেকে বক্সে উঠে হেডে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ওইয়ারজাবাল। কুকুরেয়ার নিখুঁত থ্রু পাস ধরে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে টুর্নামেন্টে নিজের চতুর্থ গোলও তুলে নেন তিনি। তাতে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় নিয়েই শেষ ষোলো নিশ্চিত করে স্পেন।
অন্যদিকে, ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ খেলতে নেমেছিল অস্ট্রিয়া। বদলি হিসেবে নেমে সাসা কালাইজদজিচ হেডে দলের সেরা সুযোগটি পেলেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এরপর আর তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি তারা।
এই জয়ে টানা চার ম্যাচে কোনো গোল না হজম করেই শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিল স্পেন।

স্কালোনি বলেন, ‘এখনই শুরু আসল লড়াই। কেপ ভার্দে নকআউটে উঠেছে দেখে আমি অবাক হইনি। তারা প্রতিটি প্রতিপক্ষের জীবন কঠিন করে তুলেছে। তারা খুবই কঠিন দল এবং আমাদের জন্যও ম্যাচটা সহজ হবে না।’
১৮ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোল বাতিল হলে কিছুটা হতাশ হতে হয় স্বাগতিক সমর্থকদের। তবে সেই ধাক্কা সামলে আক্রমণের ধার বাড়ায় তারা। অবশেষে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগ
১ দিন আগে
৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর স্বপ্নে সমর্থকদের রাঙিয়ে রেখেছিল দলটি। সেখান থেকে রোমেলু লুকাকু আর ইয়োরি টিলেম্যান্সের তিন মিনিটের ম্যাজিকে ভর করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ‘বিতর্কিত’ এক পেনাল্টিতে সেনেগালকে কাঁদিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে
১ দিন আগে
শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে জ্বলে উঠলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাকে সময়ের অন্যতম সেরা ফিনিশার বলা হয়। ৭৫ মিনিটে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ‘লাইফলাইন’ এনে দিলেন ইংল্যান্ডকে। ৮৬ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে দারুণ শারীরিক ভারসাম্য রেখে দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে দলকে এনে দিল
১ দিন আগে