
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আফ্রিকান দেশ আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। মানজাম্বির পাস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। পিছিয়ে পড়ার পর আলজেরিয়া সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
বিরতি থেকে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইসরা। ৪৬তম মিনিটে ডেন এনদোয়ের দারুণ এক গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই কয়েকটি আক্রমণ গড়লেও আর কোনো গোলের দেখা মেলেনি। বলের দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি আলজেরিয়া। অন্যদিকে তুলনামূলক কম বল দখলে রেখেও আক্রমণে বেশি কার্যকর ছিল সুইজারল্যান্ড।
২-০ গোলের জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেওয়া সুইজারল্যান্ড পরের রাউন্ডে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া ও ঘানার মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের।

আফ্রিকান দেশ আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল ইউরোপের দলটি।
ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। মানজাম্বির পাস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। পিছিয়ে পড়ার পর আলজেরিয়া সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
বিরতি থেকে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সুইসরা। ৪৬তম মিনিটে ডেন এনদোয়ের দারুণ এক গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই কয়েকটি আক্রমণ গড়লেও আর কোনো গোলের দেখা মেলেনি। বলের দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি আলজেরিয়া। অন্যদিকে তুলনামূলক কম বল দখলে রেখেও আক্রমণে বেশি কার্যকর ছিল সুইজারল্যান্ড।
২-০ গোলের জয় নিয়ে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নেওয়া সুইজারল্যান্ড পরের রাউন্ডে মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া ও ঘানার মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের।

স্কালোনি বলেন, ‘এখনই শুরু আসল লড়াই। কেপ ভার্দে নকআউটে উঠেছে দেখে আমি অবাক হইনি। তারা প্রতিটি প্রতিপক্ষের জীবন কঠিন করে তুলেছে। তারা খুবই কঠিন দল এবং আমাদের জন্যও ম্যাচটা সহজ হবে না।’
২০ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোল বাতিল হলে কিছুটা হতাশ হতে হয় স্বাগতিক সমর্থকদের। তবে সেই ধাক্কা সামলে আক্রমণের ধার বাড়ায় তারা। অবশেষে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগ
১ দিন আগে
৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর স্বপ্নে সমর্থকদের রাঙিয়ে রেখেছিল দলটি। সেখান থেকে রোমেলু লুকাকু আর ইয়োরি টিলেম্যান্সের তিন মিনিটের ম্যাজিকে ভর করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ‘বিতর্কিত’ এক পেনাল্টিতে সেনেগালকে কাঁদিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে
১ দিন আগে
শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে জ্বলে উঠলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বুঝিয়ে দিলেন কেন তাকে সময়ের অন্যতম সেরা ফিনিশার বলা হয়। ৭৫ মিনিটে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে ‘লাইফলাইন’ এনে দিলেন ইংল্যান্ডকে। ৮৬ মিনিটে ডি-বক্সের মধ্যে দারুণ শারীরিক ভারসাম্য রেখে দুর্দান্ত শটে বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল করে দলকে এনে দিল
২ দিন আগে