
ক্রীড়া ডেস্ক

প্রথম ম্যাচে লাওসের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকেও উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে এবার তিমুরের জালে সাগরিকারা বল জড়িয়েছেন ৮ বার। কোনো গোল না খেলে ৮-০ গোলের জয় পেয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
আগামী বছরের এপ্রিলে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে লাওসে বাছাইপর্ব খেলছে আফঈদা-সাগরিকারা। সেখানেই তারা ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল তিমুর লেস্তে তথা পূর্ব তিমুরের।
আট গোলের এই ম্যাচে তৃষ্ণা হ্যাটট্রিক করেছেন। একটি করে গোল করেছেন সিনহা জাহান শিখা, শান্তি মার্ডি, নবীরণ খাতুন, সাগরিকা ও মুনকি আক্তার। দুই অর্ধেই হয়েছে সমান চারটি করে গোল।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দাপট দেখায় পূর্ব তিমুর। প্রথম কয়েক মিনিট ধরেই আক্রমণ করতে থাকে তারা। তবে রক্ষণদূর্গ আর গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় তাদের হতাশ হতে হয়। ১৫ মিনিট নাগাদ খেলায় ছন্দ ফিতে পেতে শুরু করে সাগরিকারা। প্রথম গোলের জন্য অবশ্য অপেক্ষা করতে হয় আরও পাঁচ মিনিট।
২০ মিনিটের মাথায় সিনহা জাহান শিখার দুর্দান্ত হেডে ভাঙে ডেডলক, এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর কর্নার থেকে সরাসরি গোল করে ব্যবধান বাড়ান শান্তি মার্ডি। নবীরণ খাতুন ও তৃষ্ণা আরও দুটি গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ নিশ্চিত করে মেয়েরা।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের মুখ খোলেন তৃষ্ণা, শান্তি মার্ডির ক্রস থেকে দলকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যান। ৭২ মিনিটে গোলের দেখা পান সাগরিকা, ব্যবধান হয় ৬-০। ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তৃষ্ণা। শেষ দিকে মুনকি আক্তার গোল পেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৮-০-তে।
‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছিল আফঈদা-সাগরিকারা। পূর্ব তিমুরকে হারিয়ে দুই ম্যাচেই জয় নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থাকল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। সন্ধ্যায় অবশ্য শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া লাওসকে হারালে উঠে যাবে শীর্ষস্থানে। সে ক্ষেত্রে ১০ আগস্ট বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার ম্যাচেই নির্ধারণ হবে কে হচ্ছে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন।
এএফপি অনূর্ধ্ব-২০ কাপের বাছাই থেকে আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি জায়গা পাবে মূল পর্বে। আট গ্রুপের সেরা তিন রানার্স-আপও সুযোগ পাবে মূল পর্বে। তবে সাগরিকারা নিশ্চয় চাইবে শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েই মূল পর্ব নিশ্চিত করতে।

প্রথম ম্যাচে লাওসের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকেও উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তৃষ্ণার হ্যাটট্রিকে এবার তিমুরের জালে সাগরিকারা বল জড়িয়েছেন ৮ বার। কোনো গোল না খেলে ৮-০ গোলের জয় পেয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
আগামী বছরের এপ্রিলে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে লাওসে বাছাইপর্ব খেলছে আফঈদা-সাগরিকারা। সেখানেই তারা ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল তিমুর লেস্তে তথা পূর্ব তিমুরের।
আট গোলের এই ম্যাচে তৃষ্ণা হ্যাটট্রিক করেছেন। একটি করে গোল করেছেন সিনহা জাহান শিখা, শান্তি মার্ডি, নবীরণ খাতুন, সাগরিকা ও মুনকি আক্তার। দুই অর্ধেই হয়েছে সমান চারটি করে গোল।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য দাপট দেখায় পূর্ব তিমুর। প্রথম কয়েক মিনিট ধরেই আক্রমণ করতে থাকে তারা। তবে রক্ষণদূর্গ আর গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় তাদের হতাশ হতে হয়। ১৫ মিনিট নাগাদ খেলায় ছন্দ ফিতে পেতে শুরু করে সাগরিকারা। প্রথম গোলের জন্য অবশ্য অপেক্ষা করতে হয় আরও পাঁচ মিনিট।
২০ মিনিটের মাথায় সিনহা জাহান শিখার দুর্দান্ত হেডে ভাঙে ডেডলক, এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর কর্নার থেকে সরাসরি গোল করে ব্যবধান বাড়ান শান্তি মার্ডি। নবীরণ খাতুন ও তৃষ্ণা আরও দুটি গোল করলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ নিশ্চিত করে মেয়েরা।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের মুখ খোলেন তৃষ্ণা, শান্তি মার্ডির ক্রস থেকে দলকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যান। ৭২ মিনিটে গোলের দেখা পান সাগরিকা, ব্যবধান হয় ৬-০। ৮১ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তৃষ্ণা। শেষ দিকে মুনকি আক্তার গোল পেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৮-০-তে।
‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছিল আফঈদা-সাগরিকারা। পূর্ব তিমুরকে হারিয়ে দুই ম্যাচেই জয় নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থাকল পিটার বাটলারের শিষ্যরা। সন্ধ্যায় অবশ্য শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া লাওসকে হারালে উঠে যাবে শীর্ষস্থানে। সে ক্ষেত্রে ১০ আগস্ট বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার ম্যাচেই নির্ধারণ হবে কে হচ্ছে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন।
এএফপি অনূর্ধ্ব-২০ কাপের বাছাই থেকে আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি জায়গা পাবে মূল পর্বে। আট গ্রুপের সেরা তিন রানার্স-আপও সুযোগ পাবে মূল পর্বে। তবে সাগরিকারা নিশ্চয় চাইবে শেষ ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েই মূল পর্ব নিশ্চিত করতে।

লো স্কোরিং ম্যাচে ৫৪ রানের বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফাহিমা খাতুনের নেতৃত্বাধীন টাইগ্রেসরা। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত।
১৮ দিন আগে
এবার প্রথমবার কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় এসেছেন পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, তানভীর ইসলাম ও হাসান মুরাদ। কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় ক্রিকেটারের সংখ্যা ২১ জন থেকে ২৮ জনে উন্নীত করায় চুক্তিতে ফিরেছেন নুরুল হাসান সোহান, নাঈম হাসান ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী।
১৯ দিন আগে
এই পরিসংখ্যানে শুধুমাত্র শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ গণনা করা হয়েছে, যেখানে দুজনই মাঠে নেমেছিলেন।
১৯ দিন আগে
এবারের মতো আগামী এই বিশ্বকাপেও খেলবে ২০টি দল। এর মধ্যে স্বাগতিক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের অবস্থান আগেই নিশ্চিত। চলমান বিশ্বকাপে সুপার এইটে জায়গা করে নেওয়ায় অবস্থান নিশ্চিত করেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
২০ দিন আগে