
ক্রীড়া ডেস্ক

ইতিহাস গড়ল স্বাগতিক কানাডা। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ইনজুরি টাইমে স্টিফেন ইউস্টাকিওর একমাত্র গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে জেসি মার্শের দল। শেষ মুহূর্তের এই জয় কানাডার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হয় এবারের বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২’র প্রথম ম্যাচ, যাতে মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে রক্ষণে জোর দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের কৌশল বেছে নিয়েছিল। জবাবে কানাডা প্রথম থেকেই দারুণ প্রেসিংয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। তবে দুই দলেরই রক্ষণভাগ শক্তিশালী হওয়ায় কেউ খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।
ম্যাচের প্রথম ডিহাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ বল দখলে রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ১৭তম মিনিটে স্টিফেন ইউস্টাকিওর কর্নার থেকে জনাথন ডেভিডের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাঁচ মিনিট পর ইউস্তাকিওর ফ্রিকিক থেকে ডেরেক কর্নেলিয়াসের হেড সরাসরি দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে যায়। ৩৪তম মিনিটে টানি ওলুওয়াসেয়ির কঠিন কোণ থেকে নেওয়া শটও সহজেই সামলে নেন উইলিয়ামস।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল কানাডা। মইসে বম্বিতোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডাররা। ইনজুরি টাইমে রিচি লারেয়া বক্সের ভেতরে পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরালো দাবি তোলে কানাডা। তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি, ভিএআরও সিদ্ধান্ত বদলানোর প্রয়োজন মনে করেনি।
বিরতির পরও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলায়নি। ৬৫তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় নিকো সিগুরের দারুণ পাসে গোলের সুযোগ পান ওলুওয়াসেয়ি। তবে আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান আফ্রিকার গোলরক্ষক উইলিয়ামস। ফিরতি বলে জনাথন ডেভিড শট নেওয়ার আগেই বিপদমুক্ত করে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ।
৭৫তম মিনিটে মাঠে নামেন কানাডার অধিনায়ক আলফনসো ডেভিস। চোট কাটিয়ে টুর্নামেন্টে এটিই ছিল তার প্রথম উপস্থিতি। মাঠে নেমেই আক্রমণে গতি আনেন তিনি। তার তৈরি করা সুযোগ থেকে প্রমিস ডেভিডের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে, তখনই আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে স্টিফেন ইউস্টাকিও জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে কানাডাকে এনে দেন ঐতিহাসিক জয়। সেই এক গোলেই নিশ্চিত হয় শেষ ষোলোর টিকিট।
গ্রুপ পর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে ড্র, কাতারের বিপক্ষে ৬-০ গোলের বড় জয় ও সুইজারল্যান্ডের কাছে হার— এই পথ পেরিয়ে নকআউটে ওঠা কানাডা এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো ও নেদারল্যান্ডস ম্যাচের বিজয়ী।

ইতিহাস গড়ল স্বাগতিক কানাডা। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে ইনজুরি টাইমে স্টিফেন ইউস্টাকিওর একমাত্র গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে জেসি মার্শের দল। শেষ মুহূর্তের এই জয় কানাডার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় শুরু হয় এবারের বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২’র প্রথম ম্যাচ, যাতে মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে রক্ষণে জোর দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের কৌশল বেছে নিয়েছিল। জবাবে কানাডা প্রথম থেকেই দারুণ প্রেসিংয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। তবে দুই দলেরই রক্ষণভাগ শক্তিশালী হওয়ায় কেউ খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।
ম্যাচের প্রথম ডিহাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ বল দখলে রাখে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয়। ১৭তম মিনিটে স্টিফেন ইউস্টাকিওর কর্নার থেকে জনাথন ডেভিডের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পাঁচ মিনিট পর ইউস্তাকিওর ফ্রিকিক থেকে ডেরেক কর্নেলিয়াসের হেড সরাসরি দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে যায়। ৩৪তম মিনিটে টানি ওলুওয়াসেয়ির কঠিন কোণ থেকে নেওয়া শটও সহজেই সামলে নেন উইলিয়ামস।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল কানাডা। মইসে বম্বিতোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডাররা। ইনজুরি টাইমে রিচি লারেয়া বক্সের ভেতরে পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরালো দাবি তোলে কানাডা। তবে রেফারি তাতে সাড়া দেননি, ভিএআরও সিদ্ধান্ত বদলানোর প্রয়োজন মনে করেনি।
বিরতির পরও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলায়নি। ৬৫তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় নিকো সিগুরের দারুণ পাসে গোলের সুযোগ পান ওলুওয়াসেয়ি। তবে আবারও বাধা হয়ে দাঁড়ান আফ্রিকার গোলরক্ষক উইলিয়ামস। ফিরতি বলে জনাথন ডেভিড শট নেওয়ার আগেই বিপদমুক্ত করে দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণ।
৭৫তম মিনিটে মাঠে নামেন কানাডার অধিনায়ক আলফনসো ডেভিস। চোট কাটিয়ে টুর্নামেন্টে এটিই ছিল তার প্রথম উপস্থিতি। মাঠে নেমেই আক্রমণে গতি আনেন তিনি। তার তৈরি করা সুযোগ থেকে প্রমিস ডেভিডের দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে, তখনই আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে স্টিফেন ইউস্টাকিও জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে কানাডাকে এনে দেন ঐতিহাসিক জয়। সেই এক গোলেই নিশ্চিত হয় শেষ ষোলোর টিকিট।
গ্রুপ পর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে ড্র, কাতারের বিপক্ষে ৬-০ গোলের বড় জয় ও সুইজারল্যান্ডের কাছে হার— এই পথ পেরিয়ে নকআউটে ওঠা কানাডা এবার আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ হবে মরক্কো ও নেদারল্যান্ডস ম্যাচের বিজয়ী।

বিশ্বকাপে রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। জর্ডানের বিপক্ষে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আরেকটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা সাতটি ম্যাচে গোল করার রেকর্ড এখন শুধুই তার।
১৯ ঘণ্টা আগে
৩ ম্যাচে ৬ গোল নিয়ে এ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আরও এগিয়ে গেলেন মেসি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপে টানা ৭ ম্যাচে গোলেরও অনন্য রেকর্ড গড়লেন এই বিশ্বসেরা তারকা।
২০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ডিআর কঙ্গো। শেষ ২২ মিনিটে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি। এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ হয়েছে ‘এল’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
২১ ঘণ্টা আগে
আগের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল নিওনেল স্কালোনির দল, শেষ ম্যাচে সেখানে পরিবর্তন এসেছে ৯টি! লিওনেল মেসি নিজেও এ ম্যাচের শুরুর একাদশে রয়েছেন বিশ্রামে। প্রায় নতুন একাদশ নিয়েও ২-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে লিওনেল মেসির দল।
২১ ঘণ্টা আগে