
ক্রীড়া ডেস্ক

নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াই। শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ড্র করে ‘জে’ গ্রুপ থেকে নকআউটের টিকিট কেটেছে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া; আর তাতেই বিদায়ঘণ্টা বেজেছে ইরানের। গ্রুপ পর্বের এই হিসাব-নিকাশ শেষে এবার শুরু হচ্ছে বিশ্বমঞ্চের আসল যুদ্ধ—নকআউট পর্ব।
আজ রোববার (২৮ জুন) রাত থেকেই মাঠে গড়াবে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর ম্যাচগুলো। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ চালু হওয়ায় এবারই প্রথম এই নতুন নকআউট ধাপ যুক্ত হয়েছে। ১২টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দল মিলে মোট ৩২টি দল জায়গা করে নিয়েছে এই পর্বে।
এখান থেকে জয়ী ১৬টি দল উঠবে শেষ ষোলোতে (রাউন্ড অব ১৬)। এরপর পর্যায়ক্রমে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ শেষে আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
নকআউট পর্বে সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও বিশ্বকাপে অভিষেকেই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেওয়া কেপ ভার্দের লড়াই। এছাড়া ব্রাজিল-জাপান, ফ্রান্স-সুইডেন, পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া এবং ইংল্যান্ড-ডিআর কঙ্গো ম্যাচগুলোও ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছে।
নকআউট নিশ্চিত করা ৩২ দল
মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইজারল্যান্ড, কানাডা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মরক্কো, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে, জার্মানি, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর, নেদারল্যান্ডস, জাপান, সুইডেন, বেলজিয়াম, মিশর, স্পেন, কেপ ভার্দে, ফ্রান্স, নরওয়ে, সেনেগাল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া, কলম্বিয়া, পর্তুগাল, ডিআর কঙ্গো, ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা।
‘রাউন্ড অব ৩২’-এর প্রতিপক্ষ ও সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়)
২৯ জুন
৩০ জুন
১ জুলাই
২ জুলাই
৩ জুলাই
৪ জুলাই
নকআউটের প্রতিটি ম্যাচই এখন দলগুলোর জন্য ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই। কারণ এই পর্ব থেকে একটি হারই চূর্ণ করে দেবে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, আর একটি জয় নিয়ে যাবে শিরোপার আরও কাছে।
রাজনীতি/এসআর

নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াই। শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চকর ম্যাচে ড্র করে ‘জে’ গ্রুপ থেকে নকআউটের টিকিট কেটেছে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়া; আর তাতেই বিদায়ঘণ্টা বেজেছে ইরানের। গ্রুপ পর্বের এই হিসাব-নিকাশ শেষে এবার শুরু হচ্ছে বিশ্বমঞ্চের আসল যুদ্ধ—নকআউট পর্ব।
আজ রোববার (২৮ জুন) রাত থেকেই মাঠে গড়াবে ‘রাউন্ড অব ৩২’-এর ম্যাচগুলো। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ চালু হওয়ায় এবারই প্রথম এই নতুন নকআউট ধাপ যুক্ত হয়েছে। ১২টি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দল মিলে মোট ৩২টি দল জায়গা করে নিয়েছে এই পর্বে।
এখান থেকে জয়ী ১৬টি দল উঠবে শেষ ষোলোতে (রাউন্ড অব ১৬)। এরপর পর্যায়ক্রমে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ শেষে আগামী ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল।
নকআউট পর্বে সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচগুলোর একটি হবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও বিশ্বকাপে অভিষেকেই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেওয়া কেপ ভার্দের লড়াই। এছাড়া ব্রাজিল-জাপান, ফ্রান্স-সুইডেন, পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া এবং ইংল্যান্ড-ডিআর কঙ্গো ম্যাচগুলোও ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছে।
নকআউট নিশ্চিত করা ৩২ দল
মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইজারল্যান্ড, কানাডা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, মরক্কো, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে, জার্মানি, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর, নেদারল্যান্ডস, জাপান, সুইডেন, বেলজিয়াম, মিশর, স্পেন, কেপ ভার্দে, ফ্রান্স, নরওয়ে, সেনেগাল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া, কলম্বিয়া, পর্তুগাল, ডিআর কঙ্গো, ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা।
‘রাউন্ড অব ৩২’-এর প্রতিপক্ষ ও সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়)
২৯ জুন
৩০ জুন
১ জুলাই
২ জুলাই
৩ জুলাই
৪ জুলাই
নকআউটের প্রতিটি ম্যাচই এখন দলগুলোর জন্য ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই। কারণ এই পর্ব থেকে একটি হারই চূর্ণ করে দেবে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, আর একটি জয় নিয়ে যাবে শিরোপার আরও কাছে।
রাজনীতি/এসআর

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
৩ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে