
ক্রীড়া প্রতিবেদক

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নেপালে অনুষ্ঠিত সুপার সিক্সের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা।
নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১০৩ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে টাইগ্রেসরা। মাত্র ৬ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৪) ও জুরাইরিয়া ফেরদৌস (০) ফিরে যান সাজঘরে।
এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও শারমিন আক্তার দলের হাল ধরেন। তৃতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়েন তারা। ২৮ বলে ১৩ রান করে শারমিন আক্তার আউট হলে জ্যোতির সঙ্গে যোগ দেন সোবানা মোস্তারি।
তাদের অপরাজিত ৫৭ রানের জুটিতে ভর করেই সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক জ্যোতি ৪৪ বলে ৭টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৫০ রান করেন। সোবানা মোস্তারি ২৩ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে।
এর আগে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান নাহিদা আক্তার ও মারুফা আক্তার। নাহিদা ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ১০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। মারুফা ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে শিকার করেন ১ উইকেট। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানেই থেমে যায় নেদারল্যান্ডস।
গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্র, পাপুয়া নিউগিনি, নামিবিয়া ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। এরপর সুপার সিক্সে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করে টাইগ্রেসরা। পরে স্কটল্যান্ড ও গতকাল নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত করে বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হলো টাইগ্রেসরা।
আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হবে নারীদের দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১২ দলের এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের যাত্রা শেষ করলো বাংলাদেশ নারী দল।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) নেপালে অনুষ্ঠিত সুপার সিক্সের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা।
নেদারল্যান্ডসের দেওয়া ১০৩ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে টাইগ্রেসরা। মাত্র ৬ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৪) ও জুরাইরিয়া ফেরদৌস (০) ফিরে যান সাজঘরে।
এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও শারমিন আক্তার দলের হাল ধরেন। তৃতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়েন তারা। ২৮ বলে ১৩ রান করে শারমিন আক্তার আউট হলে জ্যোতির সঙ্গে যোগ দেন সোবানা মোস্তারি।
তাদের অপরাজিত ৫৭ রানের জুটিতে ভর করেই সহজ জয় পায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক জ্যোতি ৪৪ বলে ৭টি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৫০ রান করেন। সোবানা মোস্তারি ২৩ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬.৪ ওভারে জয় নিশ্চিত করে।
এর আগে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান নাহিদা আক্তার ও মারুফা আক্তার। নাহিদা ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ মাত্র ১০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। মারুফা ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে শিকার করেন ১ উইকেট। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১০২ রানেই থেমে যায় নেদারল্যান্ডস।
গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্র, পাপুয়া নিউগিনি, নামিবিয়া ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। এরপর সুপার সিক্সে থাইল্যান্ডকে হারিয়ে মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করে টাইগ্রেসরা। পরে স্কটল্যান্ড ও গতকাল নেদারল্যান্ডসকে পরাজিত করে বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হলো টাইগ্রেসরা।
আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হবে নারীদের দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১২ দলের এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের পাশাপাশি বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের যাত্রা শেষ করলো বাংলাদেশ নারী দল।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
৯ দিন আগে
আজ রোববার ভুটানের থিম্পুতে আয়োজিত সাফ কংগ্রেসে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়ী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০০৯ সাল থেকে টানা ১৭ বছর সংস্থাটির শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখলেন তিনি।
১১ দিন আগে
প্রথম দিকে ফিফা দাবি করেছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে আরও বেশি অর্থ বিনিয়োগ করা সম্ভব হবে। তবে সমালোচকদের আশঙ্কা ছিল, এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবল সম্পদের ওপর বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি হবে। সেই বিতর্কই শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি ভেস্তে দেয়।
১১ দিন আগে
প্রথম ফ্লাইটে ১০ জন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে উড়াল দিয়েছেন কয়েকজন ক্রিকেটারও। তানজিদ তামিম ও অমিত হাসান একসঙ্গে এলেও আলাদাভাবে বিমানবন্দরে পৌঁছান তাইজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহিম, খালেদ আহমেদ ও সাদমান ইসলাম। প্রিয় তারকাদের কাছ থেকে দেখতে ভিড় করেন অনেক সমর্থক। তবে এদিন ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি কেউই।
১১ দিন আগে