
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচে ভালোভাবেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে বৃষ্টির কারণে দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য গড়িয়েছে শেষ দিনে। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ১৭৯ রান।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে।
চতুর্থ দিনের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম সুবিধা করতে পারেননি। বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ দ্রুত হারায় জয়কে। ব্যক্তিগত ৫ রানে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। এরপর দলীয় ২৩ রানে ১০ রান করে ফিরে যান সাদমান ইসলাম। তাকে আউট করেন হাসান আলী।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দুজন মিলে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে যান। তবে তাদের গড়া জুটিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। দুপুরের পর প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। তখন বাংলাদেশের লিড ছিল ১২০ রান। শান্ত ছিলেন ৩৪ এবং মুমিনুল ৩৭ রানে অপরাজিত।
বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল হক। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ২৬তম টেস্ট অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ৫৬ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বাকি সময় নিরাপদে পার করেন অধিনায়ক শান্ত। দিন শেষে শান্ত ৫৮ এবং মুশফিক ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ বলেছিলেন, এই উইকেটে ২৯০ থেকে ৩০০ রানের লক্ষ্য দিতে পারলে বাংলাদেশের জয়ের ভালো সম্ভাবনা থাকবে। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছিল স্বাগতিকরা।
তবে বৃষ্টির কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় শেষ দিনের সমীকরণ আরও জমে উঠেছে। এখন পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনই ঠিক করে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।
রাজনীতি/একে

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ম্যাচে ভালোভাবেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে বৃষ্টির কারণে দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হওয়ায় ম্যাচের ভাগ্য গড়িয়েছে শেষ দিনে। দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। এতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ১৭৯ রান।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ৪১৩ রান। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে।
চতুর্থ দিনের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম সুবিধা করতে পারেননি। বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ দ্রুত হারায় জয়কে। ব্যক্তিগত ৫ রানে মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। এরপর দলীয় ২৩ রানে ১০ রান করে ফিরে যান সাদমান ইসলাম। তাকে আউট করেন হাসান আলী।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক। দুজন মিলে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে যান। তবে তাদের গড়া জুটিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। দুপুরের পর প্রায় দুই ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকে। তখন বাংলাদেশের লিড ছিল ১২০ রান। শান্ত ছিলেন ৩৪ এবং মুমিনুল ৩৭ রানে অপরাজিত।
বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল হক। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ২৬তম টেস্ট অর্ধশতক পূর্ণ করার পর ৫৬ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে আউট হন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বাকি সময় নিরাপদে পার করেন অধিনায়ক শান্ত। দিন শেষে শান্ত ৫৮ এবং মুশফিক ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ বলেছিলেন, এই উইকেটে ২৯০ থেকে ৩০০ রানের লক্ষ্য দিতে পারলে বাংলাদেশের জয়ের ভালো সম্ভাবনা থাকবে। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছিল স্বাগতিকরা।
তবে বৃষ্টির কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় শেষ দিনের সমীকরণ আরও জমে উঠেছে। এখন পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনই ঠিক করে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।
রাজনীতি/একে

টসে জিতে ইন্দোনেশিয়া আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশকে। নিগার সুলতানা জ্যোতিরা ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১২৯ রান তোলেন। পরে নাহিদা আক্তার ও মারুফা আক্তাররা ইন্দোনেশিয়ার মেয়েদের ১৭.৩ ওভারে অলআউট করে দেন মাত্র ৫৮ রানে। তাতে ৭১ রানে জয় ও টুর্নামেন্টে শুভসূচনা নিশ্চিত হয়।
৭ দিন আগে
শেষ পর্যন্ত সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলো আজ সোমবার (৩১ আগস্ট)। আর্জেন্টিনার জার্সিকে বিদায় বলে দিলেন লিওনেল মেসি— যিনি এই প্রজন্ম তো বটেই, সর্বকালের সেরা ফুটবলারদেরই একজন। ৩৯ বছর বয়সে শেষ হলো জাতীয় দলের হয়ে লিও মেসির ফুটবল ক্যারিয়ার।
৮ দিন আগে
গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়রা অংশ নেন। আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বিশ্বের ১৪৪ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের জিয়াদ ইব্রাহিমের সঙ্গে ১৬৪ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত দাপুটে পারফরম্যান্সে সরা
১১ দিন আগে
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে না ভারত। এর পরিবর্তে আগামী বছরের জানুয়ারিতে তারা বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজটি হতে পারে নতুন বছরের শুরুতেই।
১১ দিন আগে