
ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশে এসে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সফর নির্ধারিত ছিল গত বছরের আগস্টে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের টানাপোড়েনে সে সফর এক বছর পিছিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ভারতীয় দলের সে সফর সেপ্টেম্বরেও হচ্ছে না।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে না ভারত। এর পরিবর্তে আগামী বছরের জানুয়ারিতে তারা বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজটি হতে পারে নতুন বছরের শুরুতেই।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সূত্রের বরাত দিয়ে এএনআই জানিয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জানুয়ারিতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিসিআইয়ের সূত্রটি বলেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনো চলছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) এখন আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উইন্ডো খুঁজছে।
‘আন্তর্জাতিক সূচি ও সময়ের সুবিধা’কে গত বছরের আগস্টের এই সিরিজ পেছানোর কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু এর নেপথ্যের কারণ ছিল মূলত তখনকার দুই দেশের সম্পর্কের শীতলতা। পরে এ বছরের শুরুতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকে।
ওই সময় ভারতে উগ্রপন্থিদের হুমকির মুখে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে সরিয়ে দেয় বিসিসিআই। এর প্রতিক্রিয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কা দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। পরে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু সহ-আয়জক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার শর্ত দিয়েছিল বিসিবি। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে দফায় দফায় দেনদরবার করেও লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।
পরে ফেব্রুয়ারিতে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি হতে থাকে। গত ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির দিনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখলে ফের দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশই আশাবাদী, সম্পর্কের এ বরফ গলতে সময় লাগবে না।
বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই দিল্লি সফর করবেন বলে আশাবাদী ভারত। এ সফর হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বৈঠকে বসবেন এবং তাতে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যাবে বলে আশাবাদী দুই দেশ। তখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের বাধাও কেটে যাবে বলে মনে করছেন বিসিসিআইয়ের সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে এসে তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সফর নির্ধারিত ছিল গত বছরের আগস্টে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের টানাপোড়েনে সে সফর এক বছর পিছিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে ভারতীয় দলের সে সফর সেপ্টেম্বরেও হচ্ছে না।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে না ভারত। এর পরিবর্তে আগামী বছরের জানুয়ারিতে তারা বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজটি হতে পারে নতুন বছরের শুরুতেই।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সূত্রের বরাত দিয়ে এএনআই জানিয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জানুয়ারিতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিসিআইয়ের সূত্রটি বলেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা এখনো চলছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) এখন আগামী বছরের শুরুর দিকে একটি উইন্ডো খুঁজছে।
‘আন্তর্জাতিক সূচি ও সময়ের সুবিধা’কে গত বছরের আগস্টের এই সিরিজ পেছানোর কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। কিন্তু এর নেপথ্যের কারণ ছিল মূলত তখনকার দুই দেশের সম্পর্কের শীতলতা। পরে এ বছরের শুরুতে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকে।
ওই সময় ভারতে উগ্রপন্থিদের হুমকির মুখে আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে সরিয়ে দেয় বিসিসিআই। এর প্রতিক্রিয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কা দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। পরে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু সহ-আয়জক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার শর্ত দিয়েছিল বিসিবি। এ নিয়ে আইসিসির সঙ্গে দফায় দফায় দেনদরবার করেও লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, বাংলাদেশের বদলে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হয় স্কটল্যান্ডকে।
পরে ফেব্রুয়ারিতে দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি হতে থাকে। গত ৫ আগস্ট জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির দিনে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা নয়াদিল্লির এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখলে ফের দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশই আশাবাদী, সম্পর্কের এ বরফ গলতে সময় লাগবে না।
বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিগগিরই দিল্লি সফর করবেন বলে আশাবাদী ভারত। এ সফর হলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বৈঠকে বসবেন এবং তাতে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যাবে বলে আশাবাদী দুই দেশ। তখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের বাধাও কেটে যাবে বলে মনে করছেন বিসিসিআইয়ের সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (২৩ আগস্ট) ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন চলাকালে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৫ রান। উইকেটে মুশফিকুর রহিম রয়েছেন ৪৭ বলে ১২ রান করে। মাত্রই নেমেছেন লিটন দাস। এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে ৯১ রানে। অর্থাৎ ইনিংস পরাজয় এড়াতেই বাংলাদেশের এখনো প্রয়োজন ৯১ রান।
৫ দিন আগে
স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে অজিরা, হাতে রয়েছে মাত্র ২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে একাই ছয় উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
৬ দিন আগে
জেবক ওয়েদারল্ডের জায়গায় এই টেস্টে দলে এসেছিলেন ম্যাট রেনশো। এ মাঠে সবশেষ তিন ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে তিন সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে টেস্ট দলে ফেরাটা সুখখর হলো না তার জন্য। খেলতে পেরেছেন মাত্র ১০ বল। তাসকিনের বলে আউটসাইড এজড হয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি। ৮ রান করে বিদায় নেন রেনশো, ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায়
৬ দিন আগে
সেখান শেষে শেষের দিকে কিছুটা প্রতিরোধ এলো। শেষ উইকেটে এলো সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর ১১ নম্বর ব্যাটারের ব্যাট থেকে এলো সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তার ওপর ভর করে দল পঞ্চাশের কোটাও পেরোলো। শেষ পর্যন্ত ৩৪ ওভারে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। দল অলআউট ৬৪ রানে।
৬ দিন আগে