বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তাড়া করে ফেরে অতীতের ভূত!

ক্রীড়া ডেস্ক
২০১০ বিশ্বকাপে স্পেনকে ফাইনালে তুলেছিলেন কার্লেস পুয়োল। ১৯৮২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভয়াবহ ফাউলের শিকার হয়ে ফরাসি ফুটবলের বেদনাময় স্মৃতির অংশ হয়ে যান দিদিয়ের সিক্সের প্রজন্ম। আর ১৯৯৮ বিশ্বকাপে লাল কার্ড দেখে ইংল্যান্ডের হতাশার প্রতীক হয়ে ওঠেন ডেভিড বেকহ্যাম। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনজনই রেখে গেছেন ভিন্নধর্মী স্মরণীয় মুহূর্ত। ছবি: দ্য গার্ডিয়ান

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল মানেই শুধু মাঠের লড়াই নয়, সঙ্গে থাকে ইতিহাসের ভারও। স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড— শেষ চারে থাকা চার দলই এবার এমন এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে, যেখানে বর্তমানের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি লড়তে হবে নিজেদের অতীতের স্মৃতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার সঙ্গেও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, বিশ্বকাপের ইতিহাস কীভাবে প্রতিটি সেমিফাইনালকে আরও বেশি চাপ, আবেগ ও প্রতীকের লড়াইয়ে পরিণত করে।

বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের গুরুত্ব অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে অনেক বেশি। তাই এই টুর্নামেন্টে বাকি থাকা চার দল— স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড— এখন এমন কিছু মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে, যা তাদের ফুটবল ইতিহাসে স্থায়ী জায়গা করে নিতে পারে।

ইংল্যান্ড ৭৬ বছর আগে প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ক্রীড়া আসরের ফাইনাল পর্বে খেলেছে মাত্র ৮০টি ম্যাচ। অর্থাৎ, দুই মৌসুমের কিছু বেশি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচের সমান। অথচ এসব ম্যাচের দর্শকসংখ্যা বিপুল। শনিবার রাতে নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জয়ে যুক্তরাজ্যে ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ টেলিভিশনে ম্যাচটি দেখেছেন, যদিও ম্যাচ শেষ হয়েছে মধ্যরাত পেরিয়ে।

বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই বিশ্বকাপের ম্যাচ নিয়ে অন্য যেকোনো আসরের তুলনায় বেশি আলোচনা, বিশ্লেষণ ও বিতর্ক হয়। অনেক সময় এটি অন্য যেকোনো সাংস্কৃতিক ঘটনার চেয়েও বেশি গুরুত্ব পায়। কারণ, বিশ্বকাপ এমন একটি বিরল আয়োজন, যা কোটি কোটি মানুষকে একই সঙ্গে আশা, উৎকণ্ঠা, আনন্দ ও হতাশার অনুভূতিতে যুক্ত করে। ফলে এসব ম্যাচ ধীরে ধীরে একটি দেশের সাংস্কৃতিক স্মৃতির অংশ হয়ে যায়।

বিশ্বকাপের নানা মুহূর্ত সময়ের সঙ্গে প্রতীকে পরিণত হয়। ছয় দশক আগের কোনো ম্যাচের প্রসঙ্গ তুললেও মানুষ তা সহজেই বুঝতে পারে। তবে এর একটি নেতিবাচক দিকও রয়েছে। একটি ম্যাচকে ঘিরে এমন বিশ্লেষণ হয়, যা লিগের কোনো ম্যাচের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।

এর উদাহরণ হিসেবে স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্সের ভুলের কথা উল্লেখ করেছে গার্ডিয়ান। সেই ভুলের কারণে দল বিদায় নেয়। ভুলটি যত মানুষ দেখেছেন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের গড় একটি ম্যাচও তত মানুষ দেখে না। কয়েক দিনের মধ্যে আরেকটি ম্যাচ খেলে ভুলটি পেছনে ফেলে দেওয়ার সুযোগও ছিল না। ফলে ভবিষ্যতের কোনো বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্স না করলে এই ভুল তার ক্যারিয়ারের স্থায়ী অংশ হয়েই থাকবে।

বিশ্বকাপে ম্যাচ কম হওয়াও এর অন্যতম কারণ। প্রতিটি ম্যাচ তাই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। এ কারণেই প্রতি দুই বছর পরপর বিশ্বকাপ আয়োজনের যে প্রস্তাব একসময় উঠেছিল, সেটি গ্রহণ করা উচিত নয় বলে মত দিয়েছে গার্ডিয়ান। কারণ, কম আয়োজনই বিশ্বকাপের মর্যাদা ও আকর্ষণ ধরে রাখে।

তবে বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাস বর্তমানের সঙ্গে এতটাই মিশে আছে যে, প্রতিটি দেশ এক অর্থে নিজেদের অতীতের সঙ্গেও লড়াই করে। তাই বিশ্বকাপে মানসিক চাপ ফুটবলের অন্য যেকোনো প্রতিযোগিতার চেয়ে অনেক বেশি।

স্পেনের সামনে আবারও ফ্রান্স

স্পেন এর আগে মাত্র একবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে। ২০১০ সালে তারা জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল। বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার অসাধারণ এক প্রদর্শনী ছিল সেই ম্যাচ। দীর্ঘ সময় আধিপত্য দেখানোর পর ৭৩তম মিনিটে কার্লেস পুয়োলের হেডে আসে জয়সূচক গোল।

এর আগে ইউরো ২০০৮ পর্যন্ত বড় টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ব্যর্থতার ইতিহাস ছিল স্পেনের। তবে এরপর থেকে তাদের চিত্র বদলে যায়। ইউরোর সেমিফাইনালে তারা ছয়বার উঠেছে, যার পাঁচটিতেই জিতেছে। বড় টুর্নামেন্টের পাঁচটি ফাইনালের মধ্যে চারটিতে শিরোপাও জিতেছে। অর্থাৎ, টুর্নামেন্টের শেষ পর্যায়ে স্পেন সাধারণত নিজেদের সেরাটাই খেলতে পারে।

তবে তারা যে একটি ফাইনাল হেরেছিল, সেটি ছিল ১৯৮৪ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে। মঙ্গলবারের সেমিফাইনালেও প্রতিপক্ষ সেই ফ্রান্স। শুধু তা-ই নয়, ইউরো ২০০০-এর স্মরণীয় কোয়ার্টার ফাইনালেও ফ্রান্সের কাছেই হেরেছিল স্পেন। সেবার শেষ দিকে রাউল পেনাল্টি মিস করলে ২-২ সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয়।

ফ্রান্সের সেমিফাইনালের দুঃস্বপ্ন

ফ্রান্সেরও নিজস্ব দুঃস্বপ্ন রয়েছে, বিশেষ করে সেমিফাইনালে।

১৯৮২ সালে সেভিলে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে সেমিফাইনালটি ফরাসি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক রাতগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্কোর তখন ১-১। খেলার এক ঘণ্টা পার হয়েছে। বদলি হিসেবে নামা প্যাট্রিক বাতিস্তঁকে ভয়ংকরভাবে ফাউল করেন পশ্চিম জার্মান গোলরক্ষক টনি শুমাখার। বাতিস্তঁ অজ্ঞান হয়ে যান। তার চোয়াল ও তিনটি পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়, হারান দুটি দাঁতও।

অতিরিক্ত সময়ে ফ্রান্স ৩-১ গোলে এগিয়ে গেলেও প্রচণ্ড গরমে কার্যত একজন বদলি খেলোয়াড় কম নিয়ে খেলতে হয় তাদের। সেই সুযোগে পশ্চিম জার্মানি সমতা ফেরায় এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম টাইব্রেকারে জয় তুলে নেয়।

চার বছর পর আবারও সেমিফাইনালে পশ্চিম জার্মানির কাছেই হারে ফ্রান্স। যদিও এরপর পরপর তিনটি সেমিফাইনাল জয়ের স্মৃতি কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে, তবুও অতীতের দুঃস্বপ্নের বৈশিষ্ট্যই হলো— সেগুলো যেকোনো সময় ফিরে আসতে পারে।

ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা: ইতিহাসের সবচেয়ে আবেগী দ্বৈরথ

ফ্রান্স ও স্পেনের ইতিহাস যতই সমৃদ্ধ হোক, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সঙ্গে তার তুলনা চলে না।

১৯৬২ সালে ববি চার্লটনের গোল, ১৯৬৬ সালে আন্তোনিও রাত্তিনের লাল কার্ড, ১৯৮৬ সালের ‘হ্যান্ড অব গড’, ১৯৯৮ সালে ডেভিড বেকহামের লাল কার্ড কিংবা ২০০২ সালে মরিসিও পোচেত্তিনোর পায়ে হোঁচট খেয়ে মাইকেল ওভেনের পড়ে যাওয়ার ঘটনা— দুই দলের লড়াইয়ে স্মরণীয় মুহূর্তের কোনো অভাব নেই।

সবশেষ ২০০৫ সালে জেনেভায় মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। যদিও সেটি ছিল একটি প্রীতি ম্যাচ, মাঠের লড়াই মোটেও প্রীতি ম্যাচের মতো ছিল না। হুয়ান রোমান রিকেলমের নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনা জয়ের পথে ছিল। কিন্তু শেষ পাঁচ মিনিটে জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন মাইকেল ওভেন।

তখনও ১৯৯৮ ও ২০০২ সালের স্মৃতি ছিল একেবারে তাজা। দুই দশক পর প্রিমিয়ার লিগে আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের উপস্থিতি বেড়েছে। ফকল্যান্ড যুদ্ধ কিংবা ‘হ্যান্ড অব গড’-এর ঘটনাও এখন অনেক পুরোনো। ফলে বৈরিতার তীব্রতা কিছুটা কমলেও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার শিকড় অনেক গভীরে।

১৯৫১ সালে দুই দলের প্রথম সাক্ষাতের আগে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ম্যাচটিকে উপস্থাপন করেছিল এমনভাবে, যেন ছাত্ররা তাদের শিক্ষককে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। কারণ, ফুটবল তাদের কাছে এসেছিল এক ধরনের ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত ইংল্যান্ডের হাত ধরে। আজ আর্জেন্টিনা বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি হলেও সেই মনস্তাত্ত্বিক আবহের কিছুটা রেশ এখনও রয়ে গেছে।

অন্যদিকে ইংল্যান্ডেরও সেমিফাইনাল নিয়ে নিজস্ব বেদনাময় স্মৃতি আছে। ১৯৯০ সালে তুরিনে পশ্চিম জার্মানির কাছে টাইব্রেকারে হার এবং ২০১৮ সালে মস্কোয় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এগিয়ে থেকেও হেরে যাওয়া— দুটিই তাদের ইতিহাসের অংশ।

এই বিশ্বকাপে অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে জয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ড ‘হ্যান্ড অব গড’-এর স্মৃতির একটি অংশ যেন পেছনে ফেলতে পেরেছে। এখন তাদের পরবর্তী লক্ষ্য হবে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনাকে হারানো।

আজকের দিনে

ওয়াল স্ট্রিট ধস না নামলে এবং অতিরিক্ত তুষারপাত না হলে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ নতুন এস্টাদিও সেন্টেনারিওতেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ৬৯ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজ তখনও শেষ না হওয়ায় প্রথম বিশ্বকাপের দুটি উদ্বোধনী ম্যাচ একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় মন্টেভিডিওর ছোট দুটি স্টেডিয়ামে— ২০ হাজার আসনের এস্টাদিও পার্কে সেন্ট্রাল এবং ১০ হাজার আসনের এস্টাদিও পোসিতোসে।

পোসিতোস স্টেডিয়ামই বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোলের সাক্ষী হয়। সেখানে ফ্রান্স ৪-১ গোলে হারায় মেক্সিকোকে। ম্যাচের ১৯তম মিনিটে গোলরক্ষক অ্যালেক্স থেপোত লম্বা পাস দেন অগুস্তিন শঁত্রেলের উদ্দেশে। তিনি বল বাড়িয়ে দেন আর্নেস্ট লিবারাতির কাছে। লিবারাতি কাট-ব্যাক করলে নিয়ন্ত্রিত ভলিতে বল জালে পাঠান লুসিয়েন লরাঁ।

পরে গোলরক্ষক থেপোত মাথায় চোট পেলে ডান দিকের হাফব্যাক শঁত্রেলকে শেষ এক ঘণ্টা গোলবার সামলাতে হয়। তবুও ফ্রান্স ৪-১ গোলের জয় ধরে রাখে। তবে উরুগুয়ের সংবাদপত্র এল দিয়া ম্যাচটি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না। তাদের মন্তব্য ছিল, ম্যাচটি ‘দর্শকদের পুরোপুরি হতাশ করেছে’।

অন্যদিকে পার্কে সেন্ট্রালে যুক্তরাষ্ট্র ৩-০ গোলে হারায় বেলজিয়ামকে। কিন্তু এল দিয়ারিও সেই ম্যাচেও খুব বেশি মান খুঁজে পায়নি। তাদের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা আক্রমণ ছিল ‘একঘেয়ে, কখনো কখনো শিশুসুলভ’। তবুও যুক্তরাষ্ট্র গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে জায়গা করে নেয় সেমিফাইনালে।

ad
ad

খেলা থেকে আরও পড়ুন

‘ফ্রান্স দলে ফরাসি নেই’ মন্তব্যে স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ

স্পেন ও ফ্রান্স— দুই দেশেই এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্পেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ থেকে শুরু করে ফ্রান্সের একাধিক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতা রাহয়ের বক্তব্যকে বিদেশিবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

১ দিন আগে

বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় বিয়েলসার পদত্যাগ, উরুগুয়ের নতুন কোচ ফোরলান

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন এনেছে উরুগুয়ে। মার্সেলো বিয়েলসার পদত্যাগের পর দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের অন্তর্বর্তী প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কিংবদন্তি সাবেক স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলান। রোববার উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এইউএফ) এ ঘোষণা দেয়।

২ দিন আগে

ভিএআরের সিদ্ধান্তে কেন লাল কার্ড দেখলেন এমবোলো

ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ৭২তম মিনিটে, যখন দুই দল ১-১ সমতায় ছিল। বল নিয়ে আর্জেন্টিনার বাইলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন এমবোলো। এ সময় তাকে আটকাতে চ্যালেঞ্জ করেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস।

৩ দিন আগে

ইতিহাসে প্রথমবার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৪ চার দল সেমিফাইনালে

ফিফার সবশেষ আপডেট অনুযায়ী, পুরুষ ফুটবল দলগুলোর মধ্যে র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে রয়েছে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স। দ্বিতীয় স্থান লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার। অন্যদিকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লামিনা ইয়ামালের স্পেন। আর হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড রয়েছে চতুর্থ স্থানে। সে হিসাবে র‍্যাংকিংয়ের প্রথম ও তৃতীয় দল মুখোমুখি হ

৩ দিন আগে