
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই। এমবাপ্পে, ইয়ামাল, রদ্রি, পেদ্রি কিংবা দানি অলমোর মতো তারকাদের উপস্থিতিতে ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ফাইনালে ওঠার এই মহারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও কৌশলগত দ্বৈরথই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি কৌশলগত লড়াইও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচেও কয়েকটি নির্দিষ্ট দ্বৈরথের দিকে থাকবে সবার নজর। এমবাপ্পেকে কীভাবে সামলাবে স্পেন, ইয়ামালকে কীভাবে থামাবে ফ্রান্স, আর মাঝমাঠে রদ্রি-পেদ্রির সঙ্গে র্যাবিও-মানু কোনের লড়াই— এসবই নির্ধারণ করে দিতে পারে কে খেলবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
কিলিয়ান এমবাপ্পে বনাম স্পেনের ডান প্রান্ত
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এখনো কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৮ গোল আর ৩ অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল্ডেন বুট তো বটেই, গোল্ডেন বলের দৌড়েও এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এমবাপ্পে শুধু গোলই করছেন না, প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ক্রমাগত পেছনে ঠেলে দিচ্ছেন। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিজের গতি ফ্রান্সের আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্য দিয়েছে। ফলে স্পেনের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হবে— এমবাপ্পেকে থামানো হবে কীভাবে?
এমবাপ্পেকে শুধু একজন ফুলব্যাকের দায়িত্বে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই স্পেনকে ডান প্রান্তে ডাবল কভার দিতে হতে পারে। ফুলব্যাকের পাশাপাশি নিকটবর্তী সেন্টারব্যাক কিংবা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে দ্রুত সরে এসে সহায়তা করতে হবে। কারণ এমবাপ্পেকে একবার খোলা জায়গা দেওয়া মানেই ম্যাচের চিত্র কয়েক সেকেন্ডে বদলে যেতে পারে। ফলে এ ম্যাচের একাদশে থাকলে স্প্যানিশ রক্ষণের পেদ্রো পোরো ও কুবার্সি থেকে শুরু করে ডিফেন্সিভ মিডের রদ্রির মনোযোগেরও বড় অংশ জুড়ে থাকতে পারেন এমবাপ্পে।
লামিন ইয়ামাল বনাম ফ্রান্সের রক্ষণ
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি যদি হয়ে থাকেন এমবাপ্পে, স্পেনের ক্ষেত্রে সে নামটি হতে পারে লামিনে ইয়ামাল। গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই সৃজনশীল ফুটবলের পসরা সাজিয়েছেন তিনি। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন সতীর্থদের জন্য।
ইয়ামালের বড় শক্তি তার ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে পড়া, ছোট জায়গায় বল ধরে রাখা এবং ভালো অবস্থানে থাকা খেলোয়াড়টির দিকে নিখুঁত থ্রু-পাস বাড়ানো। এ ক্ষেত্রে ইয়ামালকে আটকাতে হলে ফ্রান্সের ডান দিকের রক্ষণকেও বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। থিও হার্নান্দেজ কিংবা উপমেকানোর ওপর দায়িত্ব পড়তে পারে তাকে আটকানোর। এমনকি বার্সেলোনার সতীর্থ জুলিয়াস কুন্দেকেও হয়তো বড় সময় কাটাতে হবে ইয়ামালের সামনেই।
র্যাবিও-কোনে বনাম রদ্রি-পেদ্রি
ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে উঠতে পারে মাঝমাঠে র্যাবিও-কোনের সঙ্গে আর রদ্রি-পেদ্রির মধ্যে। স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নির্ভর করবে রদ্রি আর পেদ্রির ওপরে। আর সেখানে তার মূল লড়াইটা হবে ফ্রান্সের র্যাবিও আর মানু কোনের সঙ্গে।
রদ্রি-পেদ্রিরা যখন বল পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা গড়তে পারবেন, তখন স্পেন নিজের ছন্দে খেলবে। ফ্রান্সের দায়িত্ব হবে সেই ছন্দ ভেঙে দেওয়া। গত কয়েকটি ম্যাচে র্যাবিও আর মানু কোনের শারীরিক উপস্থিতি ও বল পুনরুদ্ধারের দক্ষতা স্প্যানিশ মাঝমাঠের জন্য বড় সতর্কবার্তাই হয়ে এসেছে। ম্যাচে স্পেনের নিয়ন্ত্রণ আর ফ্রান্সের দ্রুত ট্রানজিশনের মূল লড়াইটা সম্ভবত এই চারজনের লড়াইয়ের ওপরেই নির্ভর করবে।
গতিশীল ফ্রান্সে সৃজনশীল অলিজে
এমবাপ্পে ও দেম্বেলের আড়ালে অনেক সময় আলোচনার বাইরে থেকে যাচ্ছেন মাইকেল অলিজে। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের আক্রমণে তিনি অন্যতম সৃজনশীল খেলোয়াড়। গোল তৈরির শেষ পাস, দুই লাইনের মাঝখানে জায়গা খুঁজে নেওয়া এবং ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে খেলা তৈরি— এই তিন ক্ষেত্রেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
ফলে স্পেন যদি এমবাপ্পে আর দেম্বেলেকে নিয়ে বেশি মনোযোগী হয় এবং তাদের দুজনকে আটকেও রাখে, সেক্ষেত্রে ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা হয়ে উঠতে পারেন অলিজে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে তার ৫টি অ্যাসিস্ট সেটিই প্রমাণ করে।
স্পেনের ‘সংযোগ-সেতু’ দানি অলমো
স্পেনের দুর্দান্ত আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা তারকা হয়ে উঠতে পারেন দানি অলমো, যিনিও অলিজের মতোই অনেক সময় ইয়ামাল-রদ্রিদের তারকাখ্যাতির আড়ালে ঢাকা পড়ে যান। তিনি কখনো মিডফিল্ডে নেমে আসেন, কখনো দুই সেন্টার-ব্যাকের মাঝখানে জায়গা তৈরি করেন, আবার কখনো উইঙ্গারদের জন্য করিডোর খুলে দেন।
ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাকদের সামনে যে ছোট ছোট জায়গা তৈরি হবে, সেগুলো যদি অলমো কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে স্পেনের আক্রমণ আরও ধারালো হবে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে নামের পাশে একটি অ্যাসিস্ট থাকলেও ৮টি ‘বিগ চান্স’ ক্রিয়েট করেছেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষেও তার শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলে ফিরতি বলে গোল পান ফাবিয়ান রুইজ। ফলে দানি অলমোও হয়ে উঠতে পারেন স্পেনের তুরুপের তাস।
ফ্রান্স-স্পেনের এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের রেজাল্ট তাই মূলত পাঁচটি ট্যাকটিক্যাল দ্বৈরথের ওপর নির্ভর করতে পারে অনেকটাই—
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে এক মুহূর্তের ভুল বা এক ঝলক ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। তাই এমবাপ্পে-ইয়ামালের তারকাখ্যাতির বাইরে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণভাগের শৃঙ্খলা এবং কৌশলগত এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারে কে খেলবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই লড়াই। এমবাপ্পে, ইয়ামাল, রদ্রি, পেদ্রি কিংবা দানি অলমোর মতো তারকাদের উপস্থিতিতে ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে ফাইনালে ওঠার এই মহারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও কৌশলগত দ্বৈরথই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি কৌশলগত লড়াইও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচেও কয়েকটি নির্দিষ্ট দ্বৈরথের দিকে থাকবে সবার নজর। এমবাপ্পেকে কীভাবে সামলাবে স্পেন, ইয়ামালকে কীভাবে থামাবে ফ্রান্স, আর মাঝমাঠে রদ্রি-পেদ্রির সঙ্গে র্যাবিও-মানু কোনের লড়াই— এসবই নির্ধারণ করে দিতে পারে কে খেলবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।
কিলিয়ান এমবাপ্পে বনাম স্পেনের ডান প্রান্ত
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র এখনো কিলিয়ান এমবাপ্পে। ৮ গোল আর ৩ অ্যাসিস্ট নিয়ে গোল্ডেন বুট তো বটেই, গোল্ডেন বলের দৌড়েও এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এমবাপ্পে শুধু গোলই করছেন না, প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ক্রমাগত পেছনে ঠেলে দিচ্ছেন। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল অলিজের গতি ফ্রান্সের আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্য দিয়েছে। ফলে স্পেনের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হবে— এমবাপ্পেকে থামানো হবে কীভাবে?
এমবাপ্পেকে শুধু একজন ফুলব্যাকের দায়িত্বে রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই স্পেনকে ডান প্রান্তে ডাবল কভার দিতে হতে পারে। ফুলব্যাকের পাশাপাশি নিকটবর্তী সেন্টারব্যাক কিংবা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে দ্রুত সরে এসে সহায়তা করতে হবে। কারণ এমবাপ্পেকে একবার খোলা জায়গা দেওয়া মানেই ম্যাচের চিত্র কয়েক সেকেন্ডে বদলে যেতে পারে। ফলে এ ম্যাচের একাদশে থাকলে স্প্যানিশ রক্ষণের পেদ্রো পোরো ও কুবার্সি থেকে শুরু করে ডিফেন্সিভ মিডের রদ্রির মনোযোগেরও বড় অংশ জুড়ে থাকতে পারেন এমবাপ্পে।
লামিন ইয়ামাল বনাম ফ্রান্সের রক্ষণ
ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি যদি হয়ে থাকেন এমবাপ্পে, স্পেনের ক্ষেত্রে সে নামটি হতে পারে লামিনে ইয়ামাল। গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই সৃজনশীল ফুটবলের পসরা সাজিয়েছেন তিনি। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন সতীর্থদের জন্য।
ইয়ামালের বড় শক্তি তার ডান প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে পড়া, ছোট জায়গায় বল ধরে রাখা এবং ভালো অবস্থানে থাকা খেলোয়াড়টির দিকে নিখুঁত থ্রু-পাস বাড়ানো। এ ক্ষেত্রে ইয়ামালকে আটকাতে হলে ফ্রান্সের ডান দিকের রক্ষণকেও বিশেষ মনোযোগী হতে হবে। থিও হার্নান্দেজ কিংবা উপমেকানোর ওপর দায়িত্ব পড়তে পারে তাকে আটকানোর। এমনকি বার্সেলোনার সতীর্থ জুলিয়াস কুন্দেকেও হয়তো বড় সময় কাটাতে হবে ইয়ামালের সামনেই।
র্যাবিও-কোনে বনাম রদ্রি-পেদ্রি
ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে উঠতে পারে মাঝমাঠে র্যাবিও-কোনের সঙ্গে আর রদ্রি-পেদ্রির মধ্যে। স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নির্ভর করবে রদ্রি আর পেদ্রির ওপরে। আর সেখানে তার মূল লড়াইটা হবে ফ্রান্সের র্যাবিও আর মানু কোনের সঙ্গে।
রদ্রি-পেদ্রিরা যখন বল পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা গড়তে পারবেন, তখন স্পেন নিজের ছন্দে খেলবে। ফ্রান্সের দায়িত্ব হবে সেই ছন্দ ভেঙে দেওয়া। গত কয়েকটি ম্যাচে র্যাবিও আর মানু কোনের শারীরিক উপস্থিতি ও বল পুনরুদ্ধারের দক্ষতা স্প্যানিশ মাঝমাঠের জন্য বড় সতর্কবার্তাই হয়ে এসেছে। ম্যাচে স্পেনের নিয়ন্ত্রণ আর ফ্রান্সের দ্রুত ট্রানজিশনের মূল লড়াইটা সম্ভবত এই চারজনের লড়াইয়ের ওপরেই নির্ভর করবে।
গতিশীল ফ্রান্সে সৃজনশীল অলিজে
এমবাপ্পে ও দেম্বেলের আড়ালে অনেক সময় আলোচনার বাইরে থেকে যাচ্ছেন মাইকেল অলিজে। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের আক্রমণে তিনি অন্যতম সৃজনশীল খেলোয়াড়। গোল তৈরির শেষ পাস, দুই লাইনের মাঝখানে জায়গা খুঁজে নেওয়া এবং ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে খেলা তৈরি— এই তিন ক্ষেত্রেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
ফলে স্পেন যদি এমবাপ্পে আর দেম্বেলেকে নিয়ে বেশি মনোযোগী হয় এবং তাদের দুজনকে আটকেও রাখে, সেক্ষেত্রে ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা হয়ে উঠতে পারেন অলিজে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে তার ৫টি অ্যাসিস্ট সেটিই প্রমাণ করে।
স্পেনের ‘সংযোগ-সেতু’ দানি অলমো
স্পেনের দুর্দান্ত আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা তারকা হয়ে উঠতে পারেন দানি অলমো, যিনিও অলিজের মতোই অনেক সময় ইয়ামাল-রদ্রিদের তারকাখ্যাতির আড়ালে ঢাকা পড়ে যান। তিনি কখনো মিডফিল্ডে নেমে আসেন, কখনো দুই সেন্টার-ব্যাকের মাঝখানে জায়গা তৈরি করেন, আবার কখনো উইঙ্গারদের জন্য করিডোর খুলে দেন।
ফ্রান্সের সেন্টার-ব্যাকদের সামনে যে ছোট ছোট জায়গা তৈরি হবে, সেগুলো যদি অলমো কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে স্পেনের আক্রমণ আরও ধারালো হবে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে নামের পাশে একটি অ্যাসিস্ট থাকলেও ৮টি ‘বিগ চান্স’ ক্রিয়েট করেছেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষেও তার শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলে ফিরতি বলে গোল পান ফাবিয়ান রুইজ। ফলে দানি অলমোও হয়ে উঠতে পারেন স্পেনের তুরুপের তাস।
ফ্রান্স-স্পেনের এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালের রেজাল্ট তাই মূলত পাঁচটি ট্যাকটিক্যাল দ্বৈরথের ওপর নির্ভর করতে পারে অনেকটাই—
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে এক মুহূর্তের ভুল বা এক ঝলক ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের চিত্র। তাই এমবাপ্পে-ইয়ামালের তারকাখ্যাতির বাইরে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণভাগের শৃঙ্খলা এবং কৌশলগত এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারে কে খেলবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে।

এবার আর প্যারিসে নয়, ইংল্যান্ডের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ মৌসুমের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবদের পুরস্কৃত করা হবে।
৭ দিন আগে
ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে