
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
তবে ফলাফলে হতাশ হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট রিয়াল কোচ জোসে মরিনিয়ো। তার দাবি, ম্যাচে জয়ের যোগ্য ছিল রিয়ালই। বেতিস ড্রয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেললেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্যের সহায়তায় জয় পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ম্যাচের পর বেতিসের জয়কে লটারি জেতার সঙ্গে তুলনা করেন পর্তুগিজ এই কোচ।
বেতিসকে অভিনন্দন জানিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু জেতার যোগ্য হওয়া মানেই পয়েন্ট পাওয়া নয়। বেতিসকে অভিনন্দন। তারা ড্র করার জন্য খেলেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লটারি জিতে গেল।’
হারলেও নিজের দলের খেলায় কোনো ঘাটতি দেখছেন না মরিনিয়ো। বরং ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন, এত ভালো খেলার পরও কীভাবে হেরে গেলেন, সেটির ব্যাখ্যা তাঁর কাছেও নেই।
‘আজকের ম্যাচ নিয়ে আমার অনুভূতি হলো, আমরা কেন হেরেছি তা আমি জানি না। এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছি না। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি। সব দিক থেকেই ভালো ছিলাম। কোনো খেলোয়াড়ের মানসিকতা নিয়ে আমার অভিযোগ নেই। ছেলেরা নিজেদের সবটুকু দিয়েছে।’
ম্যাচে রিয়ালের আধিপত্যের কথাও তুলে ধরেন মরিনিয়ো। তাঁর ভাষায়, রক্ষণ থেকে আক্রমণ, প্রায় সব বিভাগেই নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর দলের।
‘আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছি। আমাদের সেন্টার-ব্যাকরা দুর্দান্ত খেলেছে। আমরা প্রচুর আক্রমণ করেছি এবং অনেক গোলের সুযোগ তৈরি করেছি। তিন কিংবা চারটি পরিষ্কার সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারিনি। তাদের গোলরক্ষকও কয়েকটি অসাধারণ সেভ করেছে।’
ম্যাচের ৮১ মিনিটে ট্রয় প্যারটের গোলে এগিয়ে যায় বেতিস। এরপর সমতায় ফেরার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। কার্লোস এসপির করা দুর্দান্ত একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ফাউলে পাওয়া পেনাল্টিও কাজে লাগাতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস।
তবে এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস কিংবা বাতিল হওয়া গোলকে হারের অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাননি মরিনিয়ো। বরং তরুণ কার্লোস এসপির প্রশংসাই করেছেন তিনি।
‘সে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট খেলেছে এবং অসাধারণ একটি গোল করেছে। পরে সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে। সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার বয়স কম, সম্ভাবনাও অনেক। সে বিনয়ী, পরিশ্রমী এবং শেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। তাকে নিয়ে আমি খুবই খুশি।’
রেফারিং নিয়েও কিছুটা অসন্তোষ ছিল মরিনিয়োর। বিশেষ করে প্রথমার্ধে কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ম্যাচ হারের দায় রেফারির ওপর চাপাতে রাজি নন রিয়াল কোচ।
‘প্রথমার্ধে যেভাবে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছে, সেটা আমার ভালো লাগেনি। বেতিস বিরতিতে কোনো কার্ড ছাড়াই গেছে, অথচ আরদা, যে শুধু ফুটবল খেলতেই জানে, সে হলুদ কার্ড পেয়েছে। তবে আমি এটা বলব না যে, হলুদ কার্ডের কারণেই আমরা ম্যাচ হেরেছি।’
লা লিগায় মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে দুর্দান্ত শুরু করেছিল মরিনিয়োর রিয়াল। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচেই থেমে গেল তাদের জয়রথ। বেতিসের মাঠে আধিপত্য বিস্তার করেও শেষ পর্যন্ত গোলের সামনে ব্যর্থতার মূল্য দিতে হলো স্প্যানিশ জায়ান্টদের।

দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
তবে ফলাফলে হতাশ হলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট রিয়াল কোচ জোসে মরিনিয়ো। তার দাবি, ম্যাচে জয়ের যোগ্য ছিল রিয়ালই। বেতিস ড্রয়ের লক্ষ্য নিয়ে খেললেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্যের সহায়তায় জয় পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। ম্যাচের পর বেতিসের জয়কে লটারি জেতার সঙ্গে তুলনা করেন পর্তুগিজ এই কোচ।
বেতিসকে অভিনন্দন জানিয়ে মরিনিয়ো বলেন, ‘আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু জেতার যোগ্য হওয়া মানেই পয়েন্ট পাওয়া নয়। বেতিসকে অভিনন্দন। তারা ড্র করার জন্য খেলেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লটারি জিতে গেল।’
হারলেও নিজের দলের খেলায় কোনো ঘাটতি দেখছেন না মরিনিয়ো। বরং ম্যাচ শেষে তিনি স্বীকার করেন, এত ভালো খেলার পরও কীভাবে হেরে গেলেন, সেটির ব্যাখ্যা তাঁর কাছেও নেই।
‘আজকের ম্যাচ নিয়ে আমার অনুভূতি হলো, আমরা কেন হেরেছি তা আমি জানি না। এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছি না। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি। সব দিক থেকেই ভালো ছিলাম। কোনো খেলোয়াড়ের মানসিকতা নিয়ে আমার অভিযোগ নেই। ছেলেরা নিজেদের সবটুকু দিয়েছে।’
ম্যাচে রিয়ালের আধিপত্যের কথাও তুলে ধরেন মরিনিয়ো। তাঁর ভাষায়, রক্ষণ থেকে আক্রমণ, প্রায় সব বিভাগেই নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর দলের।
‘আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছি। আমাদের সেন্টার-ব্যাকরা দুর্দান্ত খেলেছে। আমরা প্রচুর আক্রমণ করেছি এবং অনেক গোলের সুযোগ তৈরি করেছি। তিন কিংবা চারটি পরিষ্কার সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারিনি। তাদের গোলরক্ষকও কয়েকটি অসাধারণ সেভ করেছে।’
ম্যাচের ৮১ মিনিটে ট্রয় প্যারটের গোলে এগিয়ে যায় বেতিস। এরপর সমতায় ফেরার একাধিক সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। কার্লোস এসপির করা দুর্দান্ত একটি গোল ভিএআরের সিদ্ধান্তে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। যোগ করা সময়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের ফাউলে পাওয়া পেনাল্টিও কাজে লাগাতে পারেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস।
তবে এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস কিংবা বাতিল হওয়া গোলকে হারের অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চাননি মরিনিয়ো। বরং তরুণ কার্লোস এসপির প্রশংসাই করেছেন তিনি।
‘সে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট খেলেছে এবং অসাধারণ একটি গোল করেছে। পরে সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে। সে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। তার বয়স কম, সম্ভাবনাও অনেক। সে বিনয়ী, পরিশ্রমী এবং শেখার জন্য মুখিয়ে থাকে। তাকে নিয়ে আমি খুবই খুশি।’
রেফারিং নিয়েও কিছুটা অসন্তোষ ছিল মরিনিয়োর। বিশেষ করে প্রথমার্ধে কার্ড দেখানোর ক্ষেত্রে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ম্যাচ হারের দায় রেফারির ওপর চাপাতে রাজি নন রিয়াল কোচ।
‘প্রথমার্ধে যেভাবে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছে, সেটা আমার ভালো লাগেনি। বেতিস বিরতিতে কোনো কার্ড ছাড়াই গেছে, অথচ আরদা, যে শুধু ফুটবল খেলতেই জানে, সে হলুদ কার্ড পেয়েছে। তবে আমি এটা বলব না যে, হলুদ কার্ডের কারণেই আমরা ম্যাচ হেরেছি।’
লা লিগায় মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচ জিতে দুর্দান্ত শুরু করেছিল মরিনিয়োর রিয়াল। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচেই থেমে গেল তাদের জয়রথ। বেতিসের মাঠে আধিপত্য বিস্তার করেও শেষ পর্যন্ত গোলের সামনে ব্যর্থতার মূল্য দিতে হলো স্প্যানিশ জায়ান্টদের।

গত ২৪ আগস্ট শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে বিশ্বের ১১টি দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়রা অংশ নেন। আজ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বিশ্বের ১৪৪ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের জিয়াদ ইব্রাহিমের সঙ্গে ১৬৪ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের রভিন্দ্র লক্ষীশ্রীর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। শেষ পর্যন্ত দাপুটে পারফরম্যান্সে সরা
৮ দিন আগে
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরে আসবে না ভারত। এর পরিবর্তে আগামী বছরের জানুয়ারিতে তারা বাংলাদেশ সফর করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বহুল প্রতীক্ষিত সিরিজটি হতে পারে নতুন বছরের শুরুতেই।
৯ দিন আগে
নতুন কাঠামোর চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলবে। চারটি হবে নিজেদের মাঠে, বাকি চারটি প্রতিপক্ষের মাঠে। চারটি ভিন্ন সিডিং পট থেকে দুটি করে দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে প্রতিটি ক্লাব।
৯ দিন আগে
একই বল। চার মিনিটের ব্যবধানে সেই বলেই করেছিলেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত দুটি গোল। একটি ‘হ্যান্ড অব গড’, অন্যটি ফিফার ভোটে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই দুই গোলের বল এবার বিক্রি হয়েছে ৩৩ লাখ
১২ দিন আগে