
আবু হেনা তিমু

এই জ্বরের দিনে আমি বসে আছি
একটি দমবন্ধ জানালার পাশে—
ধীরে ধীরে শরীর ভুলে যায় আগুনের ভাষা,
কিন্তু মন জেগে থাকে এক অচেনা বিষাদে।
অফিসের শেষ কটা দিন নিষ্ফলা কাটে,
নিয়তির মত চুপচাপ ও অনড়; আমি
চেয়েছিলাম অফিসের শেষ কটা দিন
শান্তি ও কর্মমুখর সময় কাটুক—
এখন মনে হয়—এই জ্বরই কি শ্রেয়?
জীবন নয়, মৃত্যুই কি তবে সত্য?
এই ঘর, এই দেয়াল, এই ক্লান্ত বিছানা
সব যেন কোনো পূর্বজন্মের পাপ—
আমি হেঁটে যাই, চোখে অন্ধকারের পালক
আর হৃদয়ে এক পরিত্যক্ত অফিসের ঘ্রাণ।
তবুও—তোমরা যাঁরা আছো দূরে কোথাও
কেউ বন্ধু, কেউ সহানুভূতির নামহীন ছায়া—
তোমরা ক্ষমা করো, ভালোবাসো যদি পারো—
যেন পরমের সাথে মিলন হয় পরম শান্তির—
যেন মৃত্যু হয় জীবনানন্দের ধানসিঁড়ির কোলে,
যেখানে পায়ের শব্দ মুছে যায় জলে।

এই জ্বরের দিনে আমি বসে আছি
একটি দমবন্ধ জানালার পাশে—
ধীরে ধীরে শরীর ভুলে যায় আগুনের ভাষা,
কিন্তু মন জেগে থাকে এক অচেনা বিষাদে।
অফিসের শেষ কটা দিন নিষ্ফলা কাটে,
নিয়তির মত চুপচাপ ও অনড়; আমি
চেয়েছিলাম অফিসের শেষ কটা দিন
শান্তি ও কর্মমুখর সময় কাটুক—
এখন মনে হয়—এই জ্বরই কি শ্রেয়?
জীবন নয়, মৃত্যুই কি তবে সত্য?
এই ঘর, এই দেয়াল, এই ক্লান্ত বিছানা
সব যেন কোনো পূর্বজন্মের পাপ—
আমি হেঁটে যাই, চোখে অন্ধকারের পালক
আর হৃদয়ে এক পরিত্যক্ত অফিসের ঘ্রাণ।
তবুও—তোমরা যাঁরা আছো দূরে কোথাও
কেউ বন্ধু, কেউ সহানুভূতির নামহীন ছায়া—
তোমরা ক্ষমা করো, ভালোবাসো যদি পারো—
যেন পরমের সাথে মিলন হয় পরম শান্তির—
যেন মৃত্যু হয় জীবনানন্দের ধানসিঁড়ির কোলে,
যেখানে পায়ের শব্দ মুছে যায় জলে।

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৭ দিন আগে
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৯ দিন আগে
এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।
২০ দিন আগে
একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।
২০ দিন আগে