
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নারীর স্বাস্থ্য এবং শিশুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। খেজুর, যা প্রাচীনকাল থেকে শক্তি এবং পুষ্টির উৎস হিসেবে পরিচিত। এর পুষ্টিগুণের কারণে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় কখনও কখনও নারীরা ক্লান্তি বা দুর্বলতার অনুভূতি করতে পারেন। এমন সময় খেজুর খেলে শরীরে তাড়াতাড়ি শক্তি আসে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
শুধু শক্তি যোগ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, খেজুরের ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। গর্ভাবস্থায় পেটের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিদেশি গবেষক ড. এলিজাবেথ স্টুয়ার্ট (Dr. Elizabeth Stewart) এর মতে, “গর্ভবতী নারীরা যদি প্রতিদিন খেজুর খায়, তবে তাদের হজম শক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।” খেজুরে থাকা ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু রাখে।
গর্ভাবস্থায় আয়রনের প্রয়োজনও বেড়ে যায়, কারণ শিশুর বৃদ্ধি এবং শরীরের রক্তসংক্রান্ত পরিবর্তনের জন্য গর্ভবতী নারীর শরীরে অতিরিক্ত আয়রনের প্রয়োজন হয়। খেজুরে রয়েছে প্রচুর আয়রন, যা রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মার্কিন গবেষক ডঃ মাইকেল জনসন (Dr. Michael Johnson) বলেন, “খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে গর্ভবতী নারীরা সহজেই আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে পারেন। এটি শুধু মা নয়, শিশুরও স্বাস্থ্য ভালো রাখে।” আয়রন ছাড়াও খেজুরে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা গর্ভাবস্থায় নারীর শক্তি ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুর জন্মের সময় প্রসব পীড়া কমানোর ক্ষেত্রে খেজুরকে কার্যকর মনে করা হয়। গবেষক ড. ফাতিমা রাহমান এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, “যে নারীরা গর্ভের শেষ সময়ে প্রতিদিন খেজুর খেয়েছেন, তাদের প্রসব প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে এবং ডেলিভারি সময়ও স্বাভাবিকের চেয়ে কম লম্বা হয়েছে।” খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান মাতৃদেহকে শক্তি দেয় এবং প্রসবের সময় শরীরকে সহনশীল করে।
গর্ভাবস্থায় নারীদের রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও খেজুর উপকারী হতে পারে। খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে কম এবং এটি ধীরে ধীরে রক্তে শর্করা ছাড়ে। ড. লুইস হ্যারিস উল্লেখ করেছেন, “গর্ভাবস্থায় যেসব নারীর রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন, তাদের জন্য খেজুর একটি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ বিকল্প।” এতে রক্তে শর্করার ওঠাপড়ার ঝুঁকি কমে যায় এবং মধুর চেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে খেজুর কাজ করে।
খেজুরে থাকা ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। গবেষক ড অ্যালেক্সান্ডার মিলার (Dr. Alexander Miller) বলেছেন, “খেজুরের পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম মিশ্রণ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” এতে গর্ভবতী নারীর হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকে।
এছাড়া খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রাকৃতিক উপাদান নারীর দেহকে মুক্ত র্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। ডঃ ক্যাথরিন হোল্যান্ড (Dr. Catherine Holland) উল্লেখ করেছেন, “গর্ভাবস্থায় শরীর অনেক সময় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের শিকার হয়। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকে সুরক্ষা দেয় এবং কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।” এটি শুধু মায়ের জন্য নয়, শিশুর কোষের সুস্থ বিকাশেও সহায়ক।
খেজুর খাওয়ার আরেকটি সুবিধা হলো এটি প্রাকৃতিকভাবে হরমোন ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের ওঠাপড়ার কারণে নারীরা বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সম্মুখীন হন। ডঃ এলেন ব্রুকস (Dr. Ellen Brooks) বলেন, “খেজুর খেলে শরীরের হরমোন সমতুল্য থাকে, ফলে মানসিক চাপ কমে এবং মুড স্থিতিশীল থাকে।” এতে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে এবং উদ্বেগ ও হতাশা কম অনুভূত হয়।
খেজুর খাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিদিন সকালে বা বিকালে ২-৩টি খেজুর খাওয়া। চাইলে খেজুরকে দুধ বা বাদামের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। তবে বেশি পরিমাণে খেজুর খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত, কারণ এতে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ হতে পারে। ডঃ জেমস হিকস (Dr. James Hicks) উল্লেখ করেছেন, “প্রাকৃতিক খাবারও যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয়, তবে তা কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৩-৪টি খেজুর যথেষ্ট।”
সার্বিকভাবে বলা যায়, খেজুর গর্ভবতী নারীর জন্য একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, নিরাপদ এবং প্রাকৃতিক খাবার। এটি শরীরকে শক্তি দেয়, হজম প্রক্রিয়া সহজ করে, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, প্রসব প্রক্রিয়া সহজ করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। বিদেশি গবেষকরা একত্রে বলছেন, খেজুর একটি প্রাকৃতিক উপায় যা গর্ভাবস্থায় নারীর স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর এবং শিশুর সুস্থ বিকাশে সহায়ক। তাই গর্ভাবস্থায় খেজুরকে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত, তবে পরিমাণের দিকে নজর রেখে।
গর্ভাবস্থায় খেজুরের এই উপকারিতা প্রাচীনকাল থেকে পরিচিত হলেও আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে তা আরও সমর্থিত হয়েছে। গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর শুধু একটি মিষ্টি নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টির উৎস। শরীর, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিশুর সুস্থতার জন্য এটি একটি সহজ, প্রাকৃতিক এবং কার্যকরী উপায়।

নারীর স্বাস্থ্য এবং শিশুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী। খেজুর, যা প্রাচীনকাল থেকে শক্তি এবং পুষ্টির উৎস হিসেবে পরিচিত। এর পুষ্টিগুণের কারণে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় কখনও কখনও নারীরা ক্লান্তি বা দুর্বলতার অনুভূতি করতে পারেন। এমন সময় খেজুর খেলে শরীরে তাড়াতাড়ি শক্তি আসে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
শুধু শক্তি যোগ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, খেজুরের ভেতর রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে। গর্ভাবস্থায় পেটের সমস্যা যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য বা গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিদেশি গবেষক ড. এলিজাবেথ স্টুয়ার্ট (Dr. Elizabeth Stewart) এর মতে, “গর্ভবতী নারীরা যদি প্রতিদিন খেজুর খায়, তবে তাদের হজম শক্তি উন্নত হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।” খেজুরে থাকা ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু রাখে।
গর্ভাবস্থায় আয়রনের প্রয়োজনও বেড়ে যায়, কারণ শিশুর বৃদ্ধি এবং শরীরের রক্তসংক্রান্ত পরিবর্তনের জন্য গর্ভবতী নারীর শরীরে অতিরিক্ত আয়রনের প্রয়োজন হয়। খেজুরে রয়েছে প্রচুর আয়রন, যা রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মার্কিন গবেষক ডঃ মাইকেল জনসন (Dr. Michael Johnson) বলেন, “খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে গর্ভবতী নারীরা সহজেই আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে পারেন। এটি শুধু মা নয়, শিশুরও স্বাস্থ্য ভালো রাখে।” আয়রন ছাড়াও খেজুরে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা গর্ভাবস্থায় নারীর শক্তি ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুর জন্মের সময় প্রসব পীড়া কমানোর ক্ষেত্রে খেজুরকে কার্যকর মনে করা হয়। গবেষক ড. ফাতিমা রাহমান এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, “যে নারীরা গর্ভের শেষ সময়ে প্রতিদিন খেজুর খেয়েছেন, তাদের প্রসব প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে এবং ডেলিভারি সময়ও স্বাভাবিকের চেয়ে কম লম্বা হয়েছে।” খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান মাতৃদেহকে শক্তি দেয় এবং প্রসবের সময় শরীরকে সহনশীল করে।
গর্ভাবস্থায় নারীদের রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও খেজুর উপকারী হতে পারে। খেজুরের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে কম এবং এটি ধীরে ধীরে রক্তে শর্করা ছাড়ে। ড. লুইস হ্যারিস উল্লেখ করেছেন, “গর্ভাবস্থায় যেসব নারীর রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন, তাদের জন্য খেজুর একটি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ বিকল্প।” এতে রক্তে শর্করার ওঠাপড়ার ঝুঁকি কমে যায় এবং মধুর চেয়ে স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে খেজুর কাজ করে।
খেজুরে থাকা ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থায় রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে। গবেষক ড অ্যালেক্সান্ডার মিলার (Dr. Alexander Miller) বলেছেন, “খেজুরের পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম মিশ্রণ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।” এতে গর্ভবতী নারীর হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকে।
এছাড়া খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রাকৃতিক উপাদান নারীর দেহকে মুক্ত র্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। ডঃ ক্যাথরিন হোল্যান্ড (Dr. Catherine Holland) উল্লেখ করেছেন, “গর্ভাবস্থায় শরীর অনেক সময় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের শিকার হয়। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহকে সুরক্ষা দেয় এবং কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে।” এটি শুধু মায়ের জন্য নয়, শিশুর কোষের সুস্থ বিকাশেও সহায়ক।
খেজুর খাওয়ার আরেকটি সুবিধা হলো এটি প্রাকৃতিকভাবে হরমোন ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় হরমোনের ওঠাপড়ার কারণে নারীরা বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সম্মুখীন হন। ডঃ এলেন ব্রুকস (Dr. Ellen Brooks) বলেন, “খেজুর খেলে শরীরের হরমোন সমতুল্য থাকে, ফলে মানসিক চাপ কমে এবং মুড স্থিতিশীল থাকে।” এতে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে এবং উদ্বেগ ও হতাশা কম অনুভূত হয়।
খেজুর খাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিদিন সকালে বা বিকালে ২-৩টি খেজুর খাওয়া। চাইলে খেজুরকে দুধ বা বাদামের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। তবে বেশি পরিমাণে খেজুর খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত, কারণ এতে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ হতে পারে। ডঃ জেমস হিকস (Dr. James Hicks) উল্লেখ করেছেন, “প্রাকৃতিক খাবারও যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয়, তবে তা কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ৩-৪টি খেজুর যথেষ্ট।”
সার্বিকভাবে বলা যায়, খেজুর গর্ভবতী নারীর জন্য একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, নিরাপদ এবং প্রাকৃতিক খাবার। এটি শরীরকে শক্তি দেয়, হজম প্রক্রিয়া সহজ করে, রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে, প্রসব প্রক্রিয়া সহজ করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। বিদেশি গবেষকরা একত্রে বলছেন, খেজুর একটি প্রাকৃতিক উপায় যা গর্ভাবস্থায় নারীর স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর এবং শিশুর সুস্থ বিকাশে সহায়ক। তাই গর্ভাবস্থায় খেজুরকে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত, তবে পরিমাণের দিকে নজর রেখে।
গর্ভাবস্থায় খেজুরের এই উপকারিতা প্রাচীনকাল থেকে পরিচিত হলেও আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে তা আরও সমর্থিত হয়েছে। গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর শুধু একটি মিষ্টি নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টির উৎস। শরীর, মানসিক স্বাস্থ্য এবং শিশুর সুস্থতার জন্য এটি একটি সহজ, প্রাকৃতিক এবং কার্যকরী উপায়।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর তারকা সমৃদ্ধ অনুষ্ঠান থেকে ঘোষণা করা হয়েছে বছরের সেরা বিজয়ীদের নাম। রোববার (১১ জানুয়ারি) ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলটন হোটেলে বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
১২ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন বছরের শুরুতেই চারটি নতুন সিনেমার খবর দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ বিজয়ী রাফা নানজীবা তোরসা। একের পর এক সিনেমায় যুক্ত হয়ে বড় পরিসরে কাজের প্রস্তুতির জানান দিচ্ছেন তিনি। বর্তমানে গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিতব্য সিনেমা ‘মাটি’–এর শুটিংয়ে ব্যস্ত এই মডেল-অভিনেত্রী।
০৬ জানুয়ারি ২০২৬
শুধু তাই নয়, হটস্টার স্পেশালস, জিওসিনেমা ও জি-সহ অন্যান্য জনপ্রিয় সব প্ল্যাটফর্মের ওয়েব সিরিজের মতো প্রিমিয়াম কনটেন্টগুলো দেখার সুযোগ করে দিয়েছে আকাশ গো। এ অ্যাপের সাবস্ক্রিপশনও এখন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
০৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিদায় নিয়েছে ২০২৫ সাল। নানা ঘটনা আর অঘটনের মধ্যে বিদায়ী এ বছরটিতেও আমরা হারিয়েছি এমন অনেককে, যারা তাদের জীবন ও কাজের মাধ্যমে দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য নিজেদের মহীরূহতে পরিণত করেছিলেন। তারা এমন সব ব্যক্তিত্ব, যাদের প্রয়াণ দেশ ও জাতির জন্য সত্যিকার অর্থেই অপূরণীয় ক্ষতি।
০২ জানুয়ারি ২০২৬