
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের প্রকাশনা জগতের সুপরিচিত নাম সেবা প্রকাশনী তাদের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সেবা প্রকাশনীর অন্যতম অংশীদার কাজী শাহনূর হোসেন এ সংক্রান্ত একটি নোটিশে সই করেছেন। দেশে পেপারব্যাক সাহিত্যকে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিতে এ প্রকাশনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, সেবা প্রকাশনীতে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি সম্প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ অবস্থায় অডিট কার্যক্রম নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে সেবা প্রকাশনীর সমস্ত কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হচ্ছে।
সেবা প্রকাশনীর এ ঘোষণার পর অনেকেই প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কর্ণধার দুই ভাই কাজী শাহনূর হোসেন ও কাজী মায়মুর হোসেনের দ্বন্দ্বের জের বলে ধারণা করেছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা ও এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর সেবার অফিশিয়াল ফেসবুক গ্রুপে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, বিষয়টি তেমন নয়।
মাসুমা লিখেছেন, অনেকে ভাবছেন মনে হয় ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধ। আসলে তা না। সেবা প্রকাশনীতে দুর্নীতি করেছে কিছু অসাধু কর্মচারী। নিরপেক্ষ অডিটের স্বার্থে সেবা প্রকাশনীর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে মাত্র। দুই ভাইয়ের মধ্যে কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব নেই, ছিলও না।
সেবা প্রকাশনী আবার কার্যক্রমে ফিরে আসবে বলে আশাবাদ জানিয়ে মাসুমা আরও লিখেছেন, ‘সেবা প্রকাশনী ফিরে আসবে নতুন রূপেই। মান্ধাতার আমলের সব নিয়ম বাদ। পাঠক, আমাদের গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় দিন।’
১৯৬৩ সালে ঢাকার সেগুনবাগিচায় যাত্রা শুরু করে সেবা প্রকাশনী। এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কাজী আনোয়ার হোসেন। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু কাজী মোতাহার হোসেন, যিনি ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
সেবা প্রকাশনী থেকে ১৯৬৪ সালে সিরিজ আকারে প্রথম বের হয় ‘কুয়াশা’। কাজী আনোয়ার হোসেন নিজেই লিখতেন এই সিরিজ। তিনি ‘মাসুদ রানা’ চরিত্রেরও স্রষ্টা। ১৯৬৬ সালে তিনি এই সিরিজ শুরু করেন, যেটি বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্টের দুর্ধর্ষ স্পাই এজেন্ট মাসুদ রানাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। মাসুদ রানা বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম চরিত্রগুলোর একটি।

১৯৮৫ সালে সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় তিন কিশোর গোয়েন্দার কাহিনী ‘তিন গোয়েন্দা’ সিরিজ। রকিব হাসানের লেখা এই সিরিজটি কেবল সেবা প্রকাশনীর নয়, দেশেরও জনপ্রিয়তম সিরিজের একটি।
এ ছাড়া অয়ন-জিমি সিরিজ, কিশোর হরর সিরিজ, গোয়েন্দা রাজু সিরিজও নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে সেবা থেকে। প্রকাশ হয়ে আসছে ওয়েস্টার্ন সিরিজ। এ ছাড়া অনুবাদ, অ্যাডভেঞ্চার, রোমান্টিকসহ নানা ধরনের বই প্রকাশিত হয়েছে সেবা প্রকাশনী থেকে।
১৯৮৪ সালে সেবা প্রকাশনী বের করে রহস্য পত্রিকা, যেখানে দেশের খ্যাতনামা সব লেখক-সাহিত্যিক গল্প ও ধারাবাহিক উপন্যাস লিখেছেন। এখনো এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে আসছে। সেবা প্রকাশনীর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ায় সে ধারাবাহিকতায় ছেড় পড়তে যাচ্ছে।

দেশের প্রকাশনা জগতের সুপরিচিত নাম সেবা প্রকাশনী তাদের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সেবা প্রকাশনীর অন্যতম অংশীদার কাজী শাহনূর হোসেন এ সংক্রান্ত একটি নোটিশে সই করেছেন। দেশে পেপারব্যাক সাহিত্যকে মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে দিতে এ প্রকাশনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, সেবা প্রকাশনীতে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি সম্প্রতি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ অবস্থায় অডিট কার্যক্রম নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে সেবা প্রকাশনীর সমস্ত কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হচ্ছে।
সেবা প্রকাশনীর এ ঘোষণার পর অনেকেই প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কর্ণধার দুই ভাই কাজী শাহনূর হোসেন ও কাজী মায়মুর হোসেনের দ্বন্দ্বের জের বলে ধারণা করেছিলেন। তবে প্রতিষ্ঠানটির উপদেষ্টা ও এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কাজী আনোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ মাসুমা মায়মুর সেবার অফিশিয়াল ফেসবুক গ্রুপে ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, বিষয়টি তেমন নয়।
মাসুমা লিখেছেন, অনেকে ভাবছেন মনে হয় ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধ। আসলে তা না। সেবা প্রকাশনীতে দুর্নীতি করেছে কিছু অসাধু কর্মচারী। নিরপেক্ষ অডিটের স্বার্থে সেবা প্রকাশনীর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে মাত্র। দুই ভাইয়ের মধ্যে কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব নেই, ছিলও না।
সেবা প্রকাশনী আবার কার্যক্রমে ফিরে আসবে বলে আশাবাদ জানিয়ে মাসুমা আরও লিখেছেন, ‘সেবা প্রকাশনী ফিরে আসবে নতুন রূপেই। মান্ধাতার আমলের সব নিয়ম বাদ। পাঠক, আমাদের গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় দিন।’
১৯৬৩ সালে ঢাকার সেগুনবাগিচায় যাত্রা শুরু করে সেবা প্রকাশনী। এর প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত কাজী আনোয়ার হোসেন। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু কাজী মোতাহার হোসেন, যিনি ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
সেবা প্রকাশনী থেকে ১৯৬৪ সালে সিরিজ আকারে প্রথম বের হয় ‘কুয়াশা’। কাজী আনোয়ার হোসেন নিজেই লিখতেন এই সিরিজ। তিনি ‘মাসুদ রানা’ চরিত্রেরও স্রষ্টা। ১৯৬৬ সালে তিনি এই সিরিজ শুরু করেন, যেটি বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্টের দুর্ধর্ষ স্পাই এজেন্ট মাসুদ রানাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। মাসুদ রানা বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম চরিত্রগুলোর একটি।

১৯৮৫ সালে সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয় তিন কিশোর গোয়েন্দার কাহিনী ‘তিন গোয়েন্দা’ সিরিজ। রকিব হাসানের লেখা এই সিরিজটি কেবল সেবা প্রকাশনীর নয়, দেশেরও জনপ্রিয়তম সিরিজের একটি।
এ ছাড়া অয়ন-জিমি সিরিজ, কিশোর হরর সিরিজ, গোয়েন্দা রাজু সিরিজও নিয়মিত প্রকাশিত হয়েছে সেবা থেকে। প্রকাশ হয়ে আসছে ওয়েস্টার্ন সিরিজ। এ ছাড়া অনুবাদ, অ্যাডভেঞ্চার, রোমান্টিকসহ নানা ধরনের বই প্রকাশিত হয়েছে সেবা প্রকাশনী থেকে।
১৯৮৪ সালে সেবা প্রকাশনী বের করে রহস্য পত্রিকা, যেখানে দেশের খ্যাতনামা সব লেখক-সাহিত্যিক গল্প ও ধারাবাহিক উপন্যাস লিখেছেন। এখনো এই পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে আসছে। সেবা প্রকাশনীর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত হওয়ায় সে ধারাবাহিকতায় ছেড় পড়তে যাচ্ছে।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) আয়োজন করেছে ১০ দিনব্যাপী শিল্পপ্রদর্শনী ‘সম্প্রীতি’। বৃহস্পতিবার (৭ মে) আইজিসিসি প্রাঙ্গণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
৬ দিন আগে
৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধগ্রন্থ, অসংখ্য ছোটগল্পের দুই হাজারের বেশি গান— একজীবনে তাকে পাঠ করে শেষ করাই কঠিন। বছরের পর বছর ধরে বাঙালিকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেলজয়ের গৌরবও তিনিই বয়ে আনেন ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।
৬ দিন আগে
মৌসুমীর অভিযোগ, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীরের অনুরোধে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজে’ কাজ করতে রাজি হন তিনি। তবে তাকে জানানো হয়েছিল এটি একটি নাটক, তিনি সেভাবেই শুটিং করেছেন। পরে একে টেলিফিল্ম হিসেবে মুক্তি দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন নির্মাতা। এখন এসে মৌসুমী জানতে পারছেন, এটি রীতিমতো
১০ দিন আগে