
শানজীদা শারমিন

প্রথম সন্তান আলিফের জন্মের বছর খানেক পর শামীম ও রোজিনা দম্পতি পেশাজীবী ভিসায় কানাডায় যাওয়ার উদ্যোগ নেন। একদিন তার এক সহকর্মীর কাছে জানতে পারলেন, পাসপোর্টের আবেদন সকরার আগে জন্ম সনদ অনলাইনে যাচাই করা জরুরি। কারণ সনদ যদি অনলাইনে ভেরিফাই না হয়, তবে আবেদন আটকে যেতে পারে। তাছাড়া জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের আবেদনের তথ্যে গরমিল বা নামের বানানে গরমিল থাকলেও ঝামেলা হয়। তাই আগে থেকেই জন্ম নিবন্ধনের তথ্যও যাচাই করা উচিত। ভুল থাকলে সংশোধন করে তারপর পাসপোর্টের আবেদন করা উচিত। বর্তমানে সরকারি এবং বেসরকারি কাজের জন্য জন্মসনদ সরাসরি জাতীয় ডেটাবেইস থেকে সহজেই যাচাই করা যায়। যদি সনদ যাচাই করা না যায়, তাহলে পুরোনো সনদ জমা দিয়ে নতুন ডিজিটাল সনদ নিতে হবে।
শামীম প্রথমে যান everify.bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে। সেখানে দুটি তথ্য দেন
১. ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর
২. জন্মতারিখ (YYYY-MM-DD ফরম্যাটে)
এরপর ক্যাপচা পূরণ করে 'Search' ক্লিক করলেন। তথ্য সঠিক হওয়ায় শামীম দেখতে পারলেন জন্ম নিবন্ধনে দেওয়া তথ্যগুলো যেমন নাম, জন্মতারিখ, নিবন্ধন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশনের তারিখ। সব তথ্য ডেটাবেইসে সঠিকভাবে রয়েছে।
যারা ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ নন, তারা স্থানীয় ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে এই সেবা নিতে পারেন অথবা ৩৩৩ নম্বরে কল করলেই সহায়তা পাবেন।
এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে ১০০-রও বেশি সরকারি সেবা নিয়ে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন আউটলেট। চলমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এতে যুক্ত করা হবে। সেখানেও পাওয়া যাবে উল্লিখিত সেবাটি।
‘নাগরিক সেবা’ হবে একটি সিঙ্গেল সার্ভিস পোর্টাল ও সুপার অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত, যেখানে আবেদন জমা, ট্র্যাকিং এবং প্রসেসিং হবে এক প্ল্যাটফর্মে। নাগরিকরা আর সরকারি অফিসে না গিয়েও নিজেদের এলাকার সেবা কেন্দ্র বা এজেন্টের মাধ্যমে সহজেই সেবা পাবেন।


প্রথম সন্তান আলিফের জন্মের বছর খানেক পর শামীম ও রোজিনা দম্পতি পেশাজীবী ভিসায় কানাডায় যাওয়ার উদ্যোগ নেন। একদিন তার এক সহকর্মীর কাছে জানতে পারলেন, পাসপোর্টের আবেদন সকরার আগে জন্ম সনদ অনলাইনে যাচাই করা জরুরি। কারণ সনদ যদি অনলাইনে ভেরিফাই না হয়, তবে আবেদন আটকে যেতে পারে। তাছাড়া জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের আবেদনের তথ্যে গরমিল বা নামের বানানে গরমিল থাকলেও ঝামেলা হয়। তাই আগে থেকেই জন্ম নিবন্ধনের তথ্যও যাচাই করা উচিত। ভুল থাকলে সংশোধন করে তারপর পাসপোর্টের আবেদন করা উচিত। বর্তমানে সরকারি এবং বেসরকারি কাজের জন্য জন্মসনদ সরাসরি জাতীয় ডেটাবেইস থেকে সহজেই যাচাই করা যায়। যদি সনদ যাচাই করা না যায়, তাহলে পুরোনো সনদ জমা দিয়ে নতুন ডিজিটাল সনদ নিতে হবে।
শামীম প্রথমে যান everify.bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে। সেখানে দুটি তথ্য দেন
১. ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর
২. জন্মতারিখ (YYYY-MM-DD ফরম্যাটে)
এরপর ক্যাপচা পূরণ করে 'Search' ক্লিক করলেন। তথ্য সঠিক হওয়ায় শামীম দেখতে পারলেন জন্ম নিবন্ধনে দেওয়া তথ্যগুলো যেমন নাম, জন্মতারিখ, নিবন্ধন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশনের তারিখ। সব তথ্য ডেটাবেইসে সঠিকভাবে রয়েছে।
যারা ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষ নন, তারা স্থানীয় ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে এই সেবা নিতে পারেন অথবা ৩৩৩ নম্বরে কল করলেই সহায়তা পাবেন।
এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে ১০০-রও বেশি সরকারি সেবা নিয়ে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন আউটলেট। চলমান ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এতে যুক্ত করা হবে। সেখানেও পাওয়া যাবে উল্লিখিত সেবাটি।
‘নাগরিক সেবা’ হবে একটি সিঙ্গেল সার্ভিস পোর্টাল ও সুপার অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত, যেখানে আবেদন জমা, ট্র্যাকিং এবং প্রসেসিং হবে এক প্ল্যাটফর্মে। নাগরিকরা আর সরকারি অফিসে না গিয়েও নিজেদের এলাকার সেবা কেন্দ্র বা এজেন্টের মাধ্যমে সহজেই সেবা পাবেন।


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২২ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫