
শানজীদা শারমিন

শামীম ও রোজিনা দম্পতি তাদের প্রথম সন্তান আলিফের জন্মের পরপরই হাসপাতালের ছাড়পত্র দিয়ে জন্মনিবন্ধন করেছিলেন। কিছুদিন পর লক্ষ্য করলেন আলিফের জন্ম সনদে তার বাবা শামীমের নামের বানান ভুল রয়েছে। শামীমের নাম সনদে ‘Shamim’ লেখা, কিন্তু তার আসল নাম ‘Shameem’ ছিল। প্রথমে, তারা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে যোগাযোগ করলেন। সেখান থেকে তারা জানতে পারলেন, ভুল সংশোধনের জন্য তাদের যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন:
এগুলো জমা দেওয়ার পর, সংশোধিত সনদপত্র কিছুদিনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তারা তদের ছেলে আলিফের জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যান।
উল্লেখ্য যে, শামীম চাইলে জন্ম সনদের ভুল সংশোধন ওয়েবসাইট থেকে নিজেই করতে পারতেন bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে। সেখানে “জন্ম তথ্য সংশোধন” নামে একটি অপশন রয়েছে। জন্মনিবন্ধনের নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর একটি ফরম আসবে যেখানে ভুল তথ্য এবং সংশোধন চাওয়া সঠিক তথ্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে লিখতে হবে—কেন এই সংশোধন প্রয়োজন। যেমন: শিক্ষাগত সনদ অনুযায়ী বানান ভিন্ন।
এরপর প্রমাণপত্র আপলোড করতে হয়। কোন ভুল সংশোধন করছেন, তার ওপর নির্ভর করে দলিল দিতে হবে। সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ, টিকা কার্ড, ডাক্তারি সার্টিফিকেট বা স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করতে হয়। এই আবেদন সম্পন্ন করতে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়—বাংলাদেশে ৫০ টাকা, আর প্রবাসীদের জন্য ১ মার্কিন ডলার সমমূল্য। ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যায়।
সব তথ্য ঠিকভাবে সাবমিট হলে, আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করে নিতে হয়। এরপর স্থানীয় নিবন্ধকের অফিসে (ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা) গিয়ে সেই ফরম এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।
সঠিকভাবে জমা দিলে ৩ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধন হয়ে যায়। কাজ শেষ হলে মোবাইলে মেসেজ আসে, তারপর সংশোধিত জন্মসনদ সংগ্রহ করা যায়।
এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে ১০০-রও বেশি সরকারি সেবা নিয়ে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন আউটলেট। চলমান ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এতে যুক্ত করা হবে। সেখানেও পাওয়া যাবে উল্লিখিত সেবাটি।
এই উদ্যোগ শুধু সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ করবে না, একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও লাভজনক সামাজিক ব্যবসার সুযোগও সৃষ্টি করবে।


শামীম ও রোজিনা দম্পতি তাদের প্রথম সন্তান আলিফের জন্মের পরপরই হাসপাতালের ছাড়পত্র দিয়ে জন্মনিবন্ধন করেছিলেন। কিছুদিন পর লক্ষ্য করলেন আলিফের জন্ম সনদে তার বাবা শামীমের নামের বানান ভুল রয়েছে। শামীমের নাম সনদে ‘Shamim’ লেখা, কিন্তু তার আসল নাম ‘Shameem’ ছিল। প্রথমে, তারা ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে যোগাযোগ করলেন। সেখান থেকে তারা জানতে পারলেন, ভুল সংশোধনের জন্য তাদের যে কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন:
এগুলো জমা দেওয়ার পর, সংশোধিত সনদপত্র কিছুদিনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তারা তদের ছেলে আলিফের জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যান।
উল্লেখ্য যে, শামীম চাইলে জন্ম সনদের ভুল সংশোধন ওয়েবসাইট থেকে নিজেই করতে পারতেন bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে। সেখানে “জন্ম তথ্য সংশোধন” নামে একটি অপশন রয়েছে। জন্মনিবন্ধনের নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর একটি ফরম আসবে যেখানে ভুল তথ্য এবং সংশোধন চাওয়া সঠিক তথ্য লিখতে হবে। সেই সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে লিখতে হবে—কেন এই সংশোধন প্রয়োজন। যেমন: শিক্ষাগত সনদ অনুযায়ী বানান ভিন্ন।
এরপর প্রমাণপত্র আপলোড করতে হয়। কোন ভুল সংশোধন করছেন, তার ওপর নির্ভর করে দলিল দিতে হবে। সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাগত সনদ, টিকা কার্ড, ডাক্তারি সার্টিফিকেট বা স্থানীয় চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করতে হয়। এই আবেদন সম্পন্ন করতে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়—বাংলাদেশে ৫০ টাকা, আর প্রবাসীদের জন্য ১ মার্কিন ডলার সমমূল্য। ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যায়।
সব তথ্য ঠিকভাবে সাবমিট হলে, আবেদন ফরমটি প্রিন্ট করে নিতে হয়। এরপর স্থানীয় নিবন্ধকের অফিসে (ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা) গিয়ে সেই ফরম এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হয়।
সঠিকভাবে জমা দিলে ৩ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধন হয়ে যায়। কাজ শেষ হলে মোবাইলে মেসেজ আসে, তারপর সংশোধিত জন্মসনদ সংগ্রহ করা যায়।
এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে ১০০-রও বেশি সরকারি সেবা নিয়ে চালু হচ্ছে ‘নাগরিক সেবা বাংলাদেশ’ নামে একটি নতুন আউটলেট। চলমান ডিজিটাল সেন্টারগুলোকেও এতে যুক্ত করা হবে। সেখানেও পাওয়া যাবে উল্লিখিত সেবাটি।
এই উদ্যোগ শুধু সরকারি সেবা গ্রহণ সহজ করবে না, একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান ও লাভজনক সামাজিক ব্যবসার সুযোগও সৃষ্টি করবে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫