
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বর্তমানে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, দাগ কমাতে এবং চেহারায় জৌলুস ফেরাতে রাইস সিরাম অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয়। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে রূপচর্চার ঘরোয়া টোটকা হিসেবে চালের গুঁড়ার ব্যবহার চলে আসছে শতাব্দী ধরে। রাইস সিরাম মূলত চালের পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি তরল সিরাম, যা তৈরি করা হয় মূলত রাইস ওয়াটার বা চালের পানি দিয়ে দিয়ে।
এখন বাজারে নামিদামী ব্র্যান্ডগুলোও এই রাইস সিরাম বিক্রি করছে। এটি ত্বককে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। আর ঘরে বসেই সহজ উপায়ে এই রাইস সিরাম তৈরি করতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন কেমিক্যাল মুক্ত রাইস সিরাম।
উপকরণ:
সাদা চাল: আধা কাপ
পানি: ১ কাপ
অ্যালোভেরা জেল: ২ টেবিল চামচ
ভিটামিন-ই ক্যাপসুল: ১টি
গ্লিসারিন: ১ চা চামচ
লেবুর রস: কয়েক ফোঁটা
তৈরির পদ্ধতি:
আধা কাপ চাল ভালোভাবে ধুয়ে নিন যাতে ধুলোমাটি না থাকে। ধোয়া চাল ১ কাপ পানিতে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে সারা রাতও রাখতে পারেন। চালের পানি ছেঁকে আলাদা করে দিন। এই পানিই রাইস ওয়াটার হিসেবে পরিচিত। চাইলে পানিটি হালকা গরম করে নিতে পারেন, এতে কিছুদিন বেশি সিরামটি সংরক্ষণ করতে পারবেন।
ঠান্ডা হয়ে এলে এতে অ্যালোভেরা জেল, ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল, গ্লিসারিন ও লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আপনার ত্বক শুষ্ক হলে লেবুর রসটি বাদ দিতে পারেন।
একটি পরিষ্কার বোতলে (স্প্রে বোতল হলে ভালো) সিরামটি ঢেলে রাখুন। এই সিরামটি ফ্রিজে ৫–৭ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
প্রতিদিন রাতে মুখ পরিষ্কার করে এই সিরাম তুলো বা হাত দিয়ে মুখে মেখে নিন। হালকা হাতে ত্বকে মাসাজ করুন। চাইলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগেও ব্যবহার করতে পারেন।

বর্তমানে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, দাগ কমাতে এবং চেহারায় জৌলুস ফেরাতে রাইস সিরাম অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয়। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে রূপচর্চার ঘরোয়া টোটকা হিসেবে চালের গুঁড়ার ব্যবহার চলে আসছে শতাব্দী ধরে। রাইস সিরাম মূলত চালের পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি তরল সিরাম, যা তৈরি করা হয় মূলত রাইস ওয়াটার বা চালের পানি দিয়ে দিয়ে।
এখন বাজারে নামিদামী ব্র্যান্ডগুলোও এই রাইস সিরাম বিক্রি করছে। এটি ত্বককে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। আর ঘরে বসেই সহজ উপায়ে এই রাইস সিরাম তৈরি করতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে বানাবেন কেমিক্যাল মুক্ত রাইস সিরাম।
উপকরণ:
সাদা চাল: আধা কাপ
পানি: ১ কাপ
অ্যালোভেরা জেল: ২ টেবিল চামচ
ভিটামিন-ই ক্যাপসুল: ১টি
গ্লিসারিন: ১ চা চামচ
লেবুর রস: কয়েক ফোঁটা
তৈরির পদ্ধতি:
আধা কাপ চাল ভালোভাবে ধুয়ে নিন যাতে ধুলোমাটি না থাকে। ধোয়া চাল ১ কাপ পানিতে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে সারা রাতও রাখতে পারেন। চালের পানি ছেঁকে আলাদা করে দিন। এই পানিই রাইস ওয়াটার হিসেবে পরিচিত। চাইলে পানিটি হালকা গরম করে নিতে পারেন, এতে কিছুদিন বেশি সিরামটি সংরক্ষণ করতে পারবেন।
ঠান্ডা হয়ে এলে এতে অ্যালোভেরা জেল, ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল, গ্লিসারিন ও লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। আপনার ত্বক শুষ্ক হলে লেবুর রসটি বাদ দিতে পারেন।
একটি পরিষ্কার বোতলে (স্প্রে বোতল হলে ভালো) সিরামটি ঢেলে রাখুন। এই সিরামটি ফ্রিজে ৫–৭ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
যেভাবে ব্যবহার করবেন:
প্রতিদিন রাতে মুখ পরিষ্কার করে এই সিরাম তুলো বা হাত দিয়ে মুখে মেখে নিন। হালকা হাতে ত্বকে মাসাজ করুন। চাইলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগেও ব্যবহার করতে পারেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫