
শাহরিয়ার শরীফ

শুক্র ও শনিবার জুড়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ভূমিকম্প বাংলাদেশের মানুষকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে । শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের কম্পনের পর শনিবার সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় পরপর দুদফা ভূকম্পন রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
এমন পরিস্থিতিতে ভূমিকম্পের সময় কী করা উচিত—কী করা উচিত না তা নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একগুচ্ছ পরামর্শ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত।
বাংলাদেশ কম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হলেও ঝুঁকির দিক দিয়ে অবস্থান ওপরের দিকে। তাই ভূমিকম্পে প্রাণক্ষয় কমাতে মহড়া বাড়ানোর পাশাপাশি সচেতনতা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

শুক্র ও শনিবার জুড়ে ৩১ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ভূমিকম্প বাংলাদেশের মানুষকে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি করেছে । শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের কম্পনের পর শনিবার সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় পরপর দুদফা ভূকম্পন রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
এমন পরিস্থিতিতে ভূমিকম্পের সময় কী করা উচিত—কী করা উচিত না তা নিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একগুচ্ছ পরামর্শ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত।
বাংলাদেশ কম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হলেও ঝুঁকির দিক দিয়ে অবস্থান ওপরের দিকে। তাই ভূমিকম্পে প্রাণক্ষয় কমাতে মহড়া বাড়ানোর পাশাপাশি সচেতনতা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

১৩ ডিসেম্বর ঢাকার আকাশ, বাতাস এবং মাটি সব কিছুই যেন পাকিস্তানি জেনারেলদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিল। জেনারেল নিয়াজি তার ক্যান্টনমেন্টের সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে বসে ম্যাপের দিকে তাকিয়ে দেখছিলেন যে, পালানোর আর কোনো রাস্তা খোলা নেই।
৪ দিন আগে
পরাশক্তিদের দ্বন্দ্বে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ ও প্রবাসী সরকার ছিল অটল। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ১২ ডিসেম্বর এক বেতার ভাষণে বলেন, ‘সপ্তম নৌ বহর আমাদের স্বাধীনতা আটকাতে পারবে না। প্রয়োজনে আমরা ১০০ বছর যুদ্ধ করব, তবু বিদেশিদের কাছে মাথা নত করব না।’
৫ দিন আগে
কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যরা প্যারাট্রুপারদের পথ দেখিয়ে পুংলি ব্রিজের দিকে নিয়ে যায় এবং ব্রিজটি দখল করে নেয়। এর ফলে ময়মনসিংহ ও জামালপুর থেকে পিছু হটা পাকিস্তানি ৯৩ ব্রিগেডের সৈন্যরা ঢাকার দিকে যাওয়ার পথে আটকা পড়ে।
৬ দিন আগে
ঢাকার চারপাশের বৃত্ত বা ‘লুপ’ ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি সম্পন্ন হয়ে যায়। উত্তরে ময়মনসিংহ মুক্ত হওয়ার পর মিত্রবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধারা ঢাকার দিকে ছুটছে, পূর্বে মেঘনা পাড় হয়ে নরসিংদীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে বিশাল বহর, আর পশ্চিমে পদ্মার পাড়ে চলছে তুমুল প্রস্তুতি।
৭ দিন আগে