
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৃদ্ধাশ্রমের গল্পকে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘দায়মুক্তি’। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও চিত্রনায়িকা সুস্মি রহমান। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অসংখ্য সুপারহিট সিনেমার পরিচালক বদিউল আলম খোকন। ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন প্রযোজক জসিম উদ্দিন।
সমাজের দায়বদ্ধতায় জড়ানো পারিবারিক এবং সামাজিক গল্পের চলচ্চিত্রটির গুরুত্বপূর্ণ দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, নির্দেশক, নাট্যকার আবুল হায়াত এবং তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আরেক একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী দিলারা জামান। বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন সামিয়া নাহি, সুচরিতা, সুব্রত প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি আর দিলারা ভাবী অনেক নাটকে কাজ করলেও প্রথমবার একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছি। প্রযোজক এবং পরিচালকের আগ্রহেই মূলত আমার এই সিনেমায় কাজ করা। গল্পটা ভালো লেগেছে, ভালো লেগেছে আমার চরিত্রটিও। আশা করছি, সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।’
দিলারা জামান বলেন, ‘হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে অনেক নাটকে কাজ করা হয়েছে। দায়মুক্তি সিনেমায় কাজ করার মধ্যদিয়ে সিনেমাতেও একসঙ্গে কাজ করা হলো আমাদের। গল্পটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। সিনেমাতে যারা অভিনয় করেছেন প্রত্যেকেই যার যার চরিত্রে ভালোভাবে অভিনয় করার চেষ্টা করেছেন। আমি আশাবাদী দায়মুক্তি নিয়ে। বাকিটা আসলে দর্শকের আগ্রহের উপর নির্ভর করছে।’

পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘জন্মদাতা বাবা-মার প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত আর সন্তান হিসাবে মা-বাবার প্রতি আমাদের দায়িত্বটা কি তার একটা সুন্দর গল্প এই সিনেমাতে তুলে ধরা হয়েছে। সামাজিক গল্পের সিনেমাটি আশা করছি, সবার ভালো লাগবে।’
‘দায়মুক্তি’ সিনেমায় মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা ও আলী আকরাম শুভর সুরে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রোতাপ্রিয় গায়ক মনির খান। গানটি জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াতের লিপে দর্শক উপভোগ করবেন। ২০১৭ সালে সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি। এরপর দেশের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণের কাজ হয়।

বৃদ্ধাশ্রমের গল্পকে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘দায়মুক্তি’। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক ও চিত্রনায়িকা সুস্মি রহমান। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অসংখ্য সুপারহিট সিনেমার পরিচালক বদিউল আলম খোকন। ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন প্রযোজক জসিম উদ্দিন।
সমাজের দায়বদ্ধতায় জড়ানো পারিবারিক এবং সামাজিক গল্পের চলচ্চিত্রটির গুরুত্বপূর্ণ দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, নির্দেশক, নাট্যকার আবুল হায়াত এবং তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আরেক একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী দিলারা জামান। বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন সামিয়া নাহি, সুচরিতা, সুব্রত প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি আর দিলারা ভাবী অনেক নাটকে কাজ করলেও প্রথমবার একসঙ্গে সিনেমায় অভিনয় করেছি। প্রযোজক এবং পরিচালকের আগ্রহেই মূলত আমার এই সিনেমায় কাজ করা। গল্পটা ভালো লেগেছে, ভালো লেগেছে আমার চরিত্রটিও। আশা করছি, সিনেমাটি দর্শকের ভালো লাগবে।’
দিলারা জামান বলেন, ‘হায়াত ভাইয়ের সঙ্গে অনেক নাটকে কাজ করা হয়েছে। দায়মুক্তি সিনেমায় কাজ করার মধ্যদিয়ে সিনেমাতেও একসঙ্গে কাজ করা হলো আমাদের। গল্পটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। সিনেমাতে যারা অভিনয় করেছেন প্রত্যেকেই যার যার চরিত্রে ভালোভাবে অভিনয় করার চেষ্টা করেছেন। আমি আশাবাদী দায়মুক্তি নিয়ে। বাকিটা আসলে দর্শকের আগ্রহের উপর নির্ভর করছে।’

পরিচালক বদিউল আলম খোকন বলেন, ‘জন্মদাতা বাবা-মার প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত আর সন্তান হিসাবে মা-বাবার প্রতি আমাদের দায়িত্বটা কি তার একটা সুন্দর গল্প এই সিনেমাতে তুলে ধরা হয়েছে। সামাজিক গল্পের সিনেমাটি আশা করছি, সবার ভালো লাগবে।’
‘দায়মুক্তি’ সিনেমায় মনিরুজ্জামান মনিরের লেখা ও আলী আকরাম শুভর সুরে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন শ্রোতাপ্রিয় গায়ক মনির খান। গানটি জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াতের লিপে দর্শক উপভোগ করবেন। ২০১৭ সালে সরকারি অনুদান পায় সিনেমাটি। এরপর দেশের বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারণের কাজ হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫