
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি। এবার মহাকাশে যাচ্ছেন তিনি। জেফ বেজোসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের একটি রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছেন এই তারকা গায়িকা। এই মিশনে কেটি পেরির সঙ্গে আছেন আরও পাঁচ নারী। আর পুরো মিশনের নেতৃত্ব দেবেন কেটি। এমন খবর প্রকাশ করেছে ভ্যারাইটি।
ব্লু অরিজিন বলছে, ১৯৬৩ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভার একক মিশনের পর এটিই শুধু নারী নভোচারী নিয়ে প্রথম মহাকাশ ফ্লাইট। উৎক্ষেপণের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঠিক না হলেও এই বসন্তেই সম্ভবত তারা মহাকাশে যাবেন। কারণ এর মধ্যে ২৩ এপ্রিল থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত একটানা কনসার্ট টুরে থাকবেন পেরি। পেরিকে ফ্লাইটে রাখতে হলে ওই ‘লাইফটাইমস টুর’-এর আগেই এই ট্রিপের আয়োজন করতে হবে।
এক বিবৃতিতে পেরি বলেছেন, “আমার সেই ছোটবেলায়, আপনি যদি আমাকে বলতেন যে, আমি মহাকাশে প্রথম শুধু নারী নভোচারী মিশনের অংশ হব, আমি ঠিকই আপনাকে বিশ্বাস করতাম। আমার কল্পনায় অসম্ভব বলে কিছু ছিল না।”
এনএস-৩১ মিশনটি নিউ শেপার্ড রকেটের জন্য মানব নভোচারী নিয়ে একাদশ যাত্রা এবং ব্লু অরিজিনের ইতিহাসে ৩১তম মানব মহাকাশযাত্রা হবে। এ পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ৫২ জন আরোহী মহাকাশে গিয়েছেন। ব্লু অরিজিনের নিউ শেপার্ডে করা ট্রিপ সাধারণত প্রায় ১১ মিনিট স্থায়ী হয়। কোনো পাইলট ছাড়া স্বচালিত এ যান তার যাত্রীদের কারমান লাইন পেরিয়ে নিয়ে যায়। এই কারমান লাইনের পর থেকেই মহাকাশের শুরু বলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২০২৩ সালে ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সানচেজ প্রথম ব্লু অরিজিন রকেটে নারী ক্রু নিয়ে মহাকাশে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। সেলিব্রিটিদের মহাকাশে নেওয়ার এখন পর্যন্ত এটি সর্বশেষ উদ্যোগ।
বেজোস নিজেই ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম মানববাহী মিশনে গিয়েছিলেন। গুড মর্নিং আমেরিকার সহ-উপস্থাপক মাইকেল স্ট্রাহান এবং স্টার ট্রেক অভিনেতা উইলিয়াম শ্যাটনারও বেজোসের একটি রকেটে মহাকাশে গিয়েছেন। তারও আগে ভার্জিন গ্যালাকটিকের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন ২০২১ সালের জুলাই মাসে তার কোম্পানির ভিএসএস ইউনিটিতে মহাকাশে গিয়েছেন। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক অবশ্য এখনও সফর করেননি।

জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি। এবার মহাকাশে যাচ্ছেন তিনি। জেফ বেজোসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ব্লু অরিজিনের একটি রকেটে চড়ে মহাকাশে যাচ্ছেন এই তারকা গায়িকা। এই মিশনে কেটি পেরির সঙ্গে আছেন আরও পাঁচ নারী। আর পুরো মিশনের নেতৃত্ব দেবেন কেটি। এমন খবর প্রকাশ করেছে ভ্যারাইটি।
ব্লু অরিজিন বলছে, ১৯৬৩ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভার একক মিশনের পর এটিই শুধু নারী নভোচারী নিয়ে প্রথম মহাকাশ ফ্লাইট। উৎক্ষেপণের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঠিক না হলেও এই বসন্তেই সম্ভবত তারা মহাকাশে যাবেন। কারণ এর মধ্যে ২৩ এপ্রিল থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত একটানা কনসার্ট টুরে থাকবেন পেরি। পেরিকে ফ্লাইটে রাখতে হলে ওই ‘লাইফটাইমস টুর’-এর আগেই এই ট্রিপের আয়োজন করতে হবে।
এক বিবৃতিতে পেরি বলেছেন, “আমার সেই ছোটবেলায়, আপনি যদি আমাকে বলতেন যে, আমি মহাকাশে প্রথম শুধু নারী নভোচারী মিশনের অংশ হব, আমি ঠিকই আপনাকে বিশ্বাস করতাম। আমার কল্পনায় অসম্ভব বলে কিছু ছিল না।”
এনএস-৩১ মিশনটি নিউ শেপার্ড রকেটের জন্য মানব নভোচারী নিয়ে একাদশ যাত্রা এবং ব্লু অরিজিনের ইতিহাসে ৩১তম মানব মহাকাশযাত্রা হবে। এ পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ৫২ জন আরোহী মহাকাশে গিয়েছেন। ব্লু অরিজিনের নিউ শেপার্ডে করা ট্রিপ সাধারণত প্রায় ১১ মিনিট স্থায়ী হয়। কোনো পাইলট ছাড়া স্বচালিত এ যান তার যাত্রীদের কারমান লাইন পেরিয়ে নিয়ে যায়। এই কারমান লাইনের পর থেকেই মহাকাশের শুরু বলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২০২৩ সালে ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সানচেজ প্রথম ব্লু অরিজিন রকেটে নারী ক্রু নিয়ে মহাকাশে যাওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। সেলিব্রিটিদের মহাকাশে নেওয়ার এখন পর্যন্ত এটি সর্বশেষ উদ্যোগ।
বেজোস নিজেই ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম মানববাহী মিশনে গিয়েছিলেন। গুড মর্নিং আমেরিকার সহ-উপস্থাপক মাইকেল স্ট্রাহান এবং স্টার ট্রেক অভিনেতা উইলিয়াম শ্যাটনারও বেজোসের একটি রকেটে মহাকাশে গিয়েছেন। তারও আগে ভার্জিন গ্যালাকটিকের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন ২০২১ সালের জুলাই মাসে তার কোম্পানির ভিএসএস ইউনিটিতে মহাকাশে গিয়েছেন। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক অবশ্য এখনও সফর করেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫