মারা গেছেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রয়াত হলেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। আজ সকালে ভারতরে মুম্বাইয়ে ৮৯ বছর বয়সে মারা যান এই আইকনিক অভিনেতা।

বেশ কয়েকদিন ধরেই ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে গভীর ধোঁয়াশা। গভীর সংকটে ধর্মেন্দ্র, নাকি সত্যিই মৃত্যু হয়েছে মেগাস্টারের? কিছুদিন আগেই খবর ছড়ায়- মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। তবে সেই খবর সত্যি নয় বলে দাবি করেছিলেন হেমা মালিনী ও এষা দেওল।

তবে সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে আচমকাই তার বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায় একটি অ্যাম্বুলেন্সকে। দুপুরেই ভিলে পার্লে শ্মশানে দেখা যায় হেমা মালিনী, এষা দেওল, সানি দেওল, ববি দেওল ও আমির খানকে। সাদা পোশাকে দেখা যায় তাদের। এরপরেই সামনে আসে দুঃসংবাদ। অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন পরিচালক করণ জোহর।

বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকের ছায়ায় ঢেকেছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। ৮৯ বছর বয়সে তার মৃত্যুতে গভীর ভাবে ভেঙে পড়েছেন পরিচালক করণ জোহর। ইনস্টাগ্রামে ধর্মেন্দ্রর একটি সাদা-কালো ছবি শেয়ার করে করণ লেখেন, “একটি যুগ শেষ হলো।” ভারতীয় সিনেমার এক মহাগৌরবময় অধ্যায় যে আজ বন্ধ হয়ে গেল, সেই শোকই ফুটে উঠেছে তার কথায়।

সোশাল মিডিয়ায় করণ লেখেন, “এ এক যুগের অবসান… এক বিশাল মেগা-স্টার… মূলধারার সিনেমায় ‘নায়ক’ শব্দটার প্রকৃত রূপ ছিলেন তিনি। অবিশ্বাস্য রূপবান, অনন্য ব্যক্তিত্বময় এবং এক রহস্যময় স্ক্রিন ম্যাজিক...তিনি ছিলেন এবং থাকবেন ভারতীয় সিনেমার প্রকৃত কিংবদন্তি, চিরকাল ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল।”

অভিনেতা হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করে করণ লিখেছেন, “তিনি ছিলেন অসাধারণ মানুষ। সবাই তাকে ভালোবাসতেন। তিনি সবার জন্যই বরাবর ভালোবাসা, শুভেচ্ছা আর ইতিবাচকতা নিয়ে থাকতেন। শুধু ভালোবাসা আর ইতিবাচকতা বিলিয়েছেন সবাইকে. তার আশীর্বাদ, তার আলিঙ্গন, তার উষ্ণতা- কথায় বোঝানো যাবে না।”

করণ জোহর আরও জানান, “আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এক গভীর শূন্যতা তৈরি হলো। এটা এমন এক শূন্যতা, যা কেউ কখনো পূরণ করতে পারবে না…চিরকাল একটাই ধরমজি থাকবেন। আমরা আপনাকে ভালোবাসি…আপনাকে বড্ড মিস করব।”

‘হি-ম্যান’ ‘ধরম জি’ -এই স্নেহভরা নামেই পরিচিত ছিলেন ধর্মেন্দ্র। ছয় দশকেরও বেশি সময়ে অসংখ্য আইকনিক চরিত্র উপহার দিয়ে গিয়েছেন দর্শকদের। তার প্রয়াণে শোক বার্তা ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়া। ভক্ত, সহকর্মী ও বলিউড পরিবার সবাইকে স্পর্শ করেছে এই অপূরণীয় ক্ষতি।

ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

আকাশ থেকে নামল ‘উড়ন্ত যম’— পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না পাকিস্তানি বাহিনীর

পাকিস্তানি জেনারেলরা তাদের তথাকথিত ‘ফোর্ট্রেস ডিফেন্স’ বা দুর্গ রক্ষা কৌশলের ওপর যে অন্ধ বিশ্বাস রেখেছিল, তা তখন অন্ধের মতোই তাদের হোঁচট খাওয়াচ্ছিল। একদিকে বিশ্বরাজনীতির দাবার বোর্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সপ্তম নৌ বহর পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তাপ ছড়াচ্ছিল, অন্যদিকে বাংলার

৪ দিন আগে

বিনয়-বাদল-দীনেশ— অগ্নিযুগের ৩ বিপ্লবী

তিন যুবকের হাতে মোটেও সময় নেই। বেচারা সিম্পসন! আজীবন নিরীহ-নিরপরাধ ভারতীয়দের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এসেছেন। এ জন্য কতকিছু চিন্তা করে নির্যাতনের উপায় বের করতে হয়েছে। সেই মানুষটি নিজের শেষ সময়ে বিন্দুমাত্র ভাবনার সময়ও পেলেন না। তার দিকে তাক করা তিনটি রিভলবার থেকে ছয়টি বুলেট সিম্পসনের শরীর ভেদ করে

৫ দিন আগে

মেঘনা পাড়ে মৃত্যুফাঁদ— রাও ফরমান আলীর পালানোর আকুতি

তবে এ দিনের সবচেয়ে বড় ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হয়েছিল যুদ্ধের ময়দানে নয়, বরং ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে। খোদ পাকিস্তানি জেনারেল রাও ফরমান আলী রাওয়ালপিন্ডির অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যে, ‘খেলা শেষ’।

৫ দিন আগে

‘বাঘ’ এখন বিড়াল: ৭ ডিসেম্বরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জেনারেল নিয়াজি!

ঢাকায় তখন এক ভিন্ন দৃশ্য। যে জেনারেল নিয়াজি দম্ভভরে বলতেন ‘বাংলার মানুষ আমাকে বাঘের মতো ভয় পায়’, সেই নিয়াজি এ দিনেই গভর্নর হাউজে বসে প্রথমবারের মতো কান্নায় ভেঙে পড়েন। ৭ ডিসেম্বর কেবল ভূখণ্ড জয়ের দিন ছিল না, এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর অহংকারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার দিন।

৬ দিন আগে