
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সব গুজব-গুঞ্জনকে উড়িয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী নতুন জীবনে পা রাখছেন। ঢাকার কাছাকাছি একটি রিসোর্টে গায়েহলুদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। আগাম ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবারই দীর্ঘদিনের প্রেমিক পরিচালক-প্রযোজক আদনান আল রাজীবকে বিয়ে করছেন এই লাক্সকন্যা। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই অনুষ্ঠান। এরপর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মেহেদি অনুষ্ঠান।
আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একই স্থানে তাঁদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছ।
গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবসে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে তাঁদের আকদ সম্পন্ন হয়। বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে লেখা ছিল, “মহিউদ্দিন চৌধুরী ও গাজালা চৌধুরীর আদরের কন্যা মেহজাবীন চৌধুরী এবং বাসেদুল আলম ও সাবেকুন নাহারের ছেলে আদনান আল রাজীবের বিয়েতে আপনাকে সাদরে আমন্ত্রিত।”
মেহজাবীন চৌধুরী ও আদনান আল রাজীবের সম্পর্ক নিয়ে অনেকেই জানতেন, তবে তাঁরা এটি নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
জানা গেছে, ঢাকার বাইরে সেই রিসোর্টে বেশ কয়েকদিন ধরে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। রোববার সকাল থেকেই সেখানে মেহজাবীন ও আদনানের পরিবারের সদস্যরা পৌঁছাতে শুরু করেন। বিনোদন অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা, রেদওয়ান রনি, সিয়াম আহমেদ, সাবিলা নূর, এলিটা করিম, আশফাক নিপুণ, সাদিয়া আয়মান, রায়হান রাফী, তমা মির্জা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল, মোস্তফা কামাল রাজ, জেফার রহমান প্রমুখ ছিলেন।
গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে ছবি তোলার ব্যাপারে কড়া নিয়ম ছিল। বর-কনেপক্ষ মুঠোফোনে ছবি তোলার অনুমতি দেয়নি এবং বারবার মাইকে ঘোষণা করা হয় অতিথিদের কাছে। জানানো হয়েছে, মেহজাবীন নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুষ্ঠানগুলোর স্থিরচিত্র পোস্ট করবেন, পরে অতিথিরাও তাঁদের ছবি পোস্ট করতে পারবেন।
গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে মেহজাবীন পরেছিলেন পারপেল কালারের লেহেঙ্গা, সিঁথি করে সাদামাটাভাবে খোঁপা বানিয়েছিলেন, হাতে ম্যাচিং চুরি ছিল। আদনান আল রাজীব কালো রঙের পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরেছিলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল সুরেলাভাবে পূর্ণ, এবং দুজন একসঙ্গে গান গেয়েছেন বলে জানা গেছে।

সব গুজব-গুঞ্জনকে উড়িয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী নতুন জীবনে পা রাখছেন। ঢাকার কাছাকাছি একটি রিসোর্টে গায়েহলুদ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছেন। আগাম ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবারই দীর্ঘদিনের প্রেমিক পরিচালক-প্রযোজক আদনান আল রাজীবকে বিয়ে করছেন এই লাক্সকন্যা। রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই অনুষ্ঠান। এরপর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় মেহেদি অনুষ্ঠান।
আজ সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) একই স্থানে তাঁদের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছ।
গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবসে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে তাঁদের আকদ সম্পন্ন হয়। বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে লেখা ছিল, “মহিউদ্দিন চৌধুরী ও গাজালা চৌধুরীর আদরের কন্যা মেহজাবীন চৌধুরী এবং বাসেদুল আলম ও সাবেকুন নাহারের ছেলে আদনান আল রাজীবের বিয়েতে আপনাকে সাদরে আমন্ত্রিত।”
মেহজাবীন চৌধুরী ও আদনান আল রাজীবের সম্পর্ক নিয়ে অনেকেই জানতেন, তবে তাঁরা এটি নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
জানা গেছে, ঢাকার বাইরে সেই রিসোর্টে বেশ কয়েকদিন ধরে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। রোববার সকাল থেকেই সেখানে মেহজাবীন ও আদনানের পরিবারের সদস্যরা পৌঁছাতে শুরু করেন। বিনোদন অঙ্গনের অনেক পরিচিত মুখও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে নুসরাত ইমরোজ তিশা, রেদওয়ান রনি, সিয়াম আহমেদ, সাবিলা নূর, এলিটা করিম, আশফাক নিপুণ, সাদিয়া আয়মান, রায়হান রাফী, তমা মির্জা, নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল, মোস্তফা কামাল রাজ, জেফার রহমান প্রমুখ ছিলেন।
গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে ছবি তোলার ব্যাপারে কড়া নিয়ম ছিল। বর-কনেপক্ষ মুঠোফোনে ছবি তোলার অনুমতি দেয়নি এবং বারবার মাইকে ঘোষণা করা হয় অতিথিদের কাছে। জানানো হয়েছে, মেহজাবীন নিজেই তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুষ্ঠানগুলোর স্থিরচিত্র পোস্ট করবেন, পরে অতিথিরাও তাঁদের ছবি পোস্ট করতে পারবেন।
গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে মেহজাবীন পরেছিলেন পারপেল কালারের লেহেঙ্গা, সিঁথি করে সাদামাটাভাবে খোঁপা বানিয়েছিলেন, হাতে ম্যাচিং চুরি ছিল। আদনান আল রাজীব কালো রঙের পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরেছিলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল সুরেলাভাবে পূর্ণ, এবং দুজন একসঙ্গে গান গেয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫