
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে গায়ক-অভিনেতা তাহসান খানের বিয়ের খবর। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তিনি।
ইতোমধ্যেই তাদের পারিবারিক আয়োজনের বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে হলুদ শাড়িতে রোজার সঙ্গে সোনালী পাঞ্জাবিতে দেখা মিলেছে তাহসানের।
বিয়ে নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘ছবিগুলো পারিবারিক আয়োজনেই তোলা হয়েছে। বিয়ে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সঠিক সময়েই জানাবেন।’
এদিকে তাহসানের দ্বিতীয় বিয়ের খবরের দিনে অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন নেটিজেনরা। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, অভিনেতার বিয়ের খবরে প্রাক্তন স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কী?
তাহসানের বিয়ে নিয়ে মিথিলার তরফ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য না আসলেও এদিন ফেসবুকে দেখা মিলেছে মা-মেয়ের। শনিবার ভোর ৫ টায় মেয়ে আইরার সঙ্গে একটি ছবি ফেসবুক স্টোরিতে পোস্ট করেন এই তারকা।
যেখানে দেখা যায়, মা-মেয়ের যুগলবন্দী। আয়নার সামনে মোবাইল হাতে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন আইরা, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন মা মিথিলা। সেই ছবিও ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ঝড়ের গতিতে।
এদিকে তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদ সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজির ওপর পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষ করে কসমেটোলজি লাইসেন্স গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কের কুইন্সে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার প্রতিষ্ঠাতা করেন। রোজা একজন উদ্যোক্তা।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান ও মিথিলা। এরপর ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই তাদের ঘর আলোকিত করে আসে আইরা তাহরিম খান নামের কন্যাসন্তান। সেই সংসারে ভাঙনের পর ওপার বাংলার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির গলায় মালা দেন মিথিলা। সেই সংসারেও এখন শোনা যাচ্ছে ভাঙনের গুঞ্জন।

শনিবার সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে গায়ক-অভিনেতা তাহসান খানের বিয়ের খবর। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তিনি।
ইতোমধ্যেই তাদের পারিবারিক আয়োজনের বেশ কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে হলুদ শাড়িতে রোজার সঙ্গে সোনালী পাঞ্জাবিতে দেখা মিলেছে তাহসানের।
বিয়ে নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও অভিনেতা জানিয়েছেন, ‘ছবিগুলো পারিবারিক আয়োজনেই তোলা হয়েছে। বিয়ে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সঠিক সময়েই জানাবেন।’
এদিকে তাহসানের দ্বিতীয় বিয়ের খবরের দিনে অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলাকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন নেটিজেনরা। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, অভিনেতার বিয়ের খবরে প্রাক্তন স্ত্রীর প্রতিক্রিয়া কী?
তাহসানের বিয়ে নিয়ে মিথিলার তরফ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য না আসলেও এদিন ফেসবুকে দেখা মিলেছে মা-মেয়ের। শনিবার ভোর ৫ টায় মেয়ে আইরার সঙ্গে একটি ছবি ফেসবুক স্টোরিতে পোস্ট করেন এই তারকা।
যেখানে দেখা যায়, মা-মেয়ের যুগলবন্দী। আয়নার সামনে মোবাইল হাতে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছেন আইরা, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন মা মিথিলা। সেই ছবিও ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ঝড়ের গতিতে।
এদিকে তাহসানের স্ত্রী রোজা আহমেদ সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজির ওপর পড়াশোনা করেছেন। পড়াশোনা শেষ করে কসমেটোলজি লাইসেন্স গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে নিউইয়র্কের কুইন্সে রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার প্রতিষ্ঠাতা করেন। রোজা একজন উদ্যোক্তা।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান ও মিথিলা। এরপর ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই তাদের ঘর আলোকিত করে আসে আইরা তাহরিম খান নামের কন্যাসন্তান। সেই সংসারে ভাঙনের পর ওপার বাংলার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির গলায় মালা দেন মিথিলা। সেই সংসারেও এখন শোনা যাচ্ছে ভাঙনের গুঞ্জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫