সাহিত্য

টোয়েনর হাফ টিকিট

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
মার্ক টোয়েন

এখনকার যুক্তরাষ্ট্র আর সে সময়ের যক্তরাষ্ট্র এক নয়। এখন প্রযুক্তির কাঁধে ভর দিয়ে চলা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগ করে মার্কিন নাগরিকেরাই।

এখনকার যানবাহন তাদের কত উন্নত! কিন্তু সেকালের যুক্তরাষ্ট্রের রেল ব্যবস্থা ছিল ভয়াবহ! ঠিক আমাদের মতো। এমনকী আমাদের দেশের লোকাল ট্রেনের চেয়েও ধীর গতিতে চলত। লেট করত ঘণ্টার পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এই কষ্ট সয়েই যাত্রীদের চলতে হতো।

কিন্তু করার কিছু ছিল না। মার্ক টোয়েন একদিন দূরের কোনো শহরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কাটলেন হাফ টিকিট। সাধারণত চোদ্দ বছরের কম বয়সীদের জন্য হাফ টিকিটের প্রচলন ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। যথাসময়ে টিটি এলেন টিকিট চেক করতে।

মার্ক টোয়েনকে বললেন টিকিট দেখাতে। টোয়েন পকেট থেকে হাফ টিকিট বের করলেন। তারপর গম্ভীর মুখে বাড়িয়ে দিলেন টিটির দিকে।

টিটি তো অবাক। বৃদ্ধ মানুষের হাতে হাফ টিকিট! ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললের, ‘গোফ চুল সব পাকিয়ে তিনকাল কাটিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু হাফটিকিট কেটেছেন কেন?’

তারপর আরেকরাশ বিরক্তি ঝরিয়ে টিটি বললেন, ‘চোদ্দ বছর কম বয়সীরাই কেবল হাঁফ টিকিট কাঁটতে পারে। আপনি জানতেন না তথ্যটা?’

মার্ক টোয়েন দমে গেলেন না। বরং সপ্রতিভ হয়েই বললেন, ‘টিকট যখন কেটেছিলাম তখন আমার বয়স চোদ্দই ছিল। কিন্তু আপনাদেরে ট্রেন এত ধীরে চলে...’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

রেসকোর্সের দলিলে পাকিস্তানি দম্ভের সলিল সমাধি

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা

১৮ দিন আগে

ক্যান্টনমেন্টে বন্দি নিয়াজির ‘ইস্টার্ন কমান্ড’, আত্মসমর্পণের পদধ্বনি

একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব

১৯ দিন আগে

বুদ্ধিজীবীদের রক্ত, গভর্নর হাউজে বোমার ভূমিকম্প আর ‘টাইগার’ এখন খাঁচাবন্দি!

এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।

২০ দিন আগে

বিজয়ের ৪৮ ঘণ্টা আগে যেভাবে ‘মগজশূন্য’ করা হয় জাতিকে

একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।

২০ দিন আগে