
সজীব রহমান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরে তার সম্মানে দেওয়া হয়েছে রাজকীয় ভোজ। যুক্তরাজ্যে ১৫০ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের চুক্তিও করেছেন ট্রাম্প। কিন্তু দেশে দেশে চলমান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের পাশাপাশি মুখ খোলেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারও।
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান তাদের বৃহস্পতিবার প্রথম পাতা সাজিয়েছে ট্রাম্পের সফর নিয়েই। সেখানে মূল সংবাদের পাশেই স্থান পেয়েছে ব্রিটিশ ‘পোয়েট লরিয়েট’ তথা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিযুক্ত কবি ক্যারল অ্যান ডাফির কবিতা STATE/BANQUET। বিশ্বব্যবস্থা যে রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তারই এক মূর্ত রূপ যেন ডাফির এই কবিতাটি।

দ্য গার্ডিয়ানে ছাপানো কবিতা স্টেট/ব্যাংকুয়েট, ডানে কবি ক্যারল অ্যান ডাফি
রাজনীতি ডটকমের পাঠকদের জন্য থাকছে ‘রাষ্ট্র/ভোজ’ শিরোনামে থাকছে ক্যারল অ্যান ডাফির কবিতাটির ভাবানুবাদ—
সে এক রাজকীয় ভোজসভা— ঝলমলে আর দীপ্যমান,
সাজানো পাথুরে ধ্বংসস্তূপে অশ্বক্ষুরাকৃতি টেবিলে,
সাজানো ৬টি করে স্ফটিকের পেয়ালায়।
ফিনফিনে স্বর্ণের প্রলেপে মোড়ানো রুপার তৈজস,
চকচকে— আট আটজন ভৃত্যের ৩ সপ্তাহের শ্রম আর ঘামে,
কংক্রিট থেকে ধুলো ওড়ে বাতাসে,
তাও যেন ঝলমল করে ওঠে।
.
সেখানে পতপত করে উড়ছে যে পতাকা, গণতন্ত্রের নামে,
তাতে থরে থরে সাজানো ধ্বংসাবশেষ।
.
ভোজের শুরু মুখরোচক ডোভার মাছে,
ভেতরে স্যামনের ক্রিম, সাজানো পেঁয়াজ পাতায়,
সঙ্গে হোয়াইট ওয়াইন সস।
থাকবে ট্রাফল দিয়ে রান্না করা স্যান্ড্রিংহ্যামের হরিণের মাংস।
শেষ পাতে কাগজি লেবুর পাই, সঙ্গে
ফরাসি রেড ওয়াইন— পিচন কমটেস, ১৯৯০।
প্রতিটি পদেই জিভে জল।
.
বোমায় বোমায় ধ্বংসস্তূপ যে জনপদ, সেখানে বাজাও ডঙ্কা—
যেখানে সযতনে পথ খুঁজে নেন হর্তাকর্তারা,
যেখানে দেয়ালের গায়ে গায়ে বুলেটের ছেঁদা,
তার ওপারে বুভুক্ষু শিশুর চোখ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাজ্য সফরে তার সম্মানে দেওয়া হয়েছে রাজকীয় ভোজ। যুক্তরাজ্যে ১৫০ বিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগের চুক্তিও করেছেন ট্রাম্প। কিন্তু দেশে দেশে চলমান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের পাশাপাশি মুখ খোলেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারও।
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান তাদের বৃহস্পতিবার প্রথম পাতা সাজিয়েছে ট্রাম্পের সফর নিয়েই। সেখানে মূল সংবাদের পাশেই স্থান পেয়েছে ব্রিটিশ ‘পোয়েট লরিয়েট’ তথা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিযুক্ত কবি ক্যারল অ্যান ডাফির কবিতা STATE/BANQUET। বিশ্বব্যবস্থা যে রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তারই এক মূর্ত রূপ যেন ডাফির এই কবিতাটি।

দ্য গার্ডিয়ানে ছাপানো কবিতা স্টেট/ব্যাংকুয়েট, ডানে কবি ক্যারল অ্যান ডাফি
রাজনীতি ডটকমের পাঠকদের জন্য থাকছে ‘রাষ্ট্র/ভোজ’ শিরোনামে থাকছে ক্যারল অ্যান ডাফির কবিতাটির ভাবানুবাদ—
সে এক রাজকীয় ভোজসভা— ঝলমলে আর দীপ্যমান,
সাজানো পাথুরে ধ্বংসস্তূপে অশ্বক্ষুরাকৃতি টেবিলে,
সাজানো ৬টি করে স্ফটিকের পেয়ালায়।
ফিনফিনে স্বর্ণের প্রলেপে মোড়ানো রুপার তৈজস,
চকচকে— আট আটজন ভৃত্যের ৩ সপ্তাহের শ্রম আর ঘামে,
কংক্রিট থেকে ধুলো ওড়ে বাতাসে,
তাও যেন ঝলমল করে ওঠে।
.
সেখানে পতপত করে উড়ছে যে পতাকা, গণতন্ত্রের নামে,
তাতে থরে থরে সাজানো ধ্বংসাবশেষ।
.
ভোজের শুরু মুখরোচক ডোভার মাছে,
ভেতরে স্যামনের ক্রিম, সাজানো পেঁয়াজ পাতায়,
সঙ্গে হোয়াইট ওয়াইন সস।
থাকবে ট্রাফল দিয়ে রান্না করা স্যান্ড্রিংহ্যামের হরিণের মাংস।
শেষ পাতে কাগজি লেবুর পাই, সঙ্গে
ফরাসি রেড ওয়াইন— পিচন কমটেস, ১৯৯০।
প্রতিটি পদেই জিভে জল।
.
বোমায় বোমায় ধ্বংসস্তূপ যে জনপদ, সেখানে বাজাও ডঙ্কা—
যেখানে সযতনে পথ খুঁজে নেন হর্তাকর্তারা,
যেখানে দেয়ালের গায়ে গায়ে বুলেটের ছেঁদা,
তার ওপারে বুভুক্ষু শিশুর চোখ।

শিল্পবোদ্ধাদের মতে, এটি শুধু একটি বিমূর্ত চিত্রকর্ম নয়; এটি স্মৃতি ও সময়ের বহুমাত্রিক পাঠ। ছবির ভাঙা জ্যামিতিক গঠন, টেক্সচার ও স্তরযুক্ত রঙ দর্শককে ব্যক্তিগত স্মৃতি ও হারিয়ে যাওয়া সময়ের অনুভূতির মুখোমুখি দাঁড় করায়। কাজটির নীরব প্রকাশভঙ্গিই এর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন শিল্প সমালোচকরা।
৬ দিন আগে
মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আতাউর রহমানের লাশ শহীদ মিনারে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রাত সোয়া একটা পর্যন্ত কিছুই নিশ্চিত হয়নি। তবে বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে তাকে সমাহিত করা হবে এটা চূড়ান্ত হয়েছে। আপাতত বাদ জোহর দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
৬ দিন আগে
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) আয়োজন করেছে ১০ দিনব্যাপী শিল্পপ্রদর্শনী ‘সম্প্রীতি’। বৃহস্পতিবার (৭ মে) আইজিসিসি প্রাঙ্গণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
১০ দিন আগে
৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধগ্রন্থ, অসংখ্য ছোটগল্পের দুই হাজারের বেশি গান— একজীবনে তাকে পাঠ করে শেষ করাই কঠিন। বছরের পর বছর ধরে বাঙালিকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেলজয়ের গৌরবও তিনিই বয়ে আনেন ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।
১০ দিন আগে