
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘খ্যাতির বিড়াম্বনা’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।
রবীন্দ্রনাথ ও পিঠা‘খ্যাতির বিড়াম্বনা’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।
একদিন নারী রবীন্দ্রনাথের জন্য কিছু পিঠা বানিয়ে নিয়ে এলেন।
রবীন্দ্রনাথ সেই পিঠা খেলেন বটে, কিন্তু কোনো মন্তব্য করলেন না। তাই সেই নারী নিজে থেকেই কবির কাছে জানতে চাইলেন কেমন লাগল পিঠা।
রবীন্দ্রনাথ হেঁয়ালির ছন্দে জবাব দিলেন—
`লৌহ কঠিন, প্রস্তর কঠিন, আর কঠিন ইষ্টক,
তাহার অধিক কঠিন কন্যা তোমার হাতের পিষ্টক!’

‘খ্যাতির বিড়াম্বনা’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।
রবীন্দ্রনাথ ও পিঠা‘খ্যাতির বিড়াম্বনা’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।’ যে কতটা বিরক্তিকর তা রবীন্দ্রনাথ নিজেই লিখে গেছেন এই নামে একটা গল্প লিখে। নিজে বড় কবি। তাই লক্ষ কোটি ভক্ত। তাদের যত অদ্ভুত আবদার। নারী ভক্তদের আবদার আবার অন্য রকম। কবির জন্য একটা ভালোমন্দ খাবার রেঁধে খাওয়ানোয় সে কী আনন্দ তাঁদের! বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথেরও নারী ভক্তের অভাব ছিল না। তার সঙ্গেও কবিগুরু রসিকতা করতে ছাড়েননি।
একদিন নারী রবীন্দ্রনাথের জন্য কিছু পিঠা বানিয়ে নিয়ে এলেন।
রবীন্দ্রনাথ সেই পিঠা খেলেন বটে, কিন্তু কোনো মন্তব্য করলেন না। তাই সেই নারী নিজে থেকেই কবির কাছে জানতে চাইলেন কেমন লাগল পিঠা।
রবীন্দ্রনাথ হেঁয়ালির ছন্দে জবাব দিলেন—
`লৌহ কঠিন, প্রস্তর কঠিন, আর কঠিন ইষ্টক,
তাহার অধিক কঠিন কন্যা তোমার হাতের পিষ্টক!’

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৮ দিন আগে
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৯ দিন আগে
এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।
২০ দিন আগে
একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।
২০ দিন আগে