
অরুণ কুমার

কবিরা সূদ খান? নাকি সূদের কারবার তাঁদের মানায়? কিন্তু খোদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই কুষ্টিয়ার শিলাইদহে শুরু করেছিলেন দাদন ব্যবসায়ের কারবার। উদ্দেশ্য ছিল গরীব চাষিদের আর্থিক সহয়তা। আর সূদ বসিয়েছিলেন, যাতে চাষিরা সচেতন থাকে। অন্তত টাকাটা আসল কাজে ব্যয় না করে বাজে খরচ করে ফেলে। কিন্তু কবি বলে কথা। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছিল। সূদ দূরে থাক, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আসল টাকাই ফেরত আসেনি।
আদতে প্রজাদের অক্ষমতার ব্যাপারটি তিনি ভালোভাবেই অনুধাবন করতেন। রথীন্দ্রনাথের মতে, জোর-জুলুম দূরে থাক, গরিব প্রজাদের কাছে ঋণের টাকা চাইতেই বিবেকের দংশনে ভুগতেন রবীন্দ্রনাথ। পরে তাঁর ব্যক্তিগত তহবিলের দেদার টাকার শ্রাদ্ধ হয়েছিল দাদন ব্যবসায়।
অন দ্য এজেস অব টাইম বইয়ে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ আরো বলেছেন, আসলে এই ঋণদানের বিষয়টাকে রবীন্দ্রনাথ কখনোই ব্যাবসায়িক দৃষ্টিতে দেখেননি; বরং তাঁর কবিসত্তাই ব্যাকুল হয়ে উঠত এতে।
রবীন্দ্রনাথের জীবনের সবচেয়ে পাওয়া এই শিলাইদহের গরিব প্রজাদের কাছ থেকেই। আর এ কথা স্বীকারে রবীন্দ্রনাথও কার্পণ্য করেননি যে শিলাইদহের গ্রাম-প্রকৃতি, হতদরিদ্র মানুষ এবং তাদের জীবনই তাঁর কবিসত্তায় বড় প্রভাব ফেলেছিল। সে কথা যে সত্যি, তার প্রমাণ মেলে তাঁর শিলাইদহ-পূর্ব আর শিলাইদহ বাসের পরবর্তী জীবনের কবিতার পার্থক্য, ভাবগত পার্থক্য দেখলেই। সেই ঋণের প্রতিদান রবীন্দ্রনাথ দিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও।
নোবেল থেকে পাওয়া অর্থের প্রায় অনেকটাই তিনি খরচ করেছিলেন গরিব প্রজাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে। তাই ব্যবসায়ী হিসেবে, চাষি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ যত অসফলই হোন, নিজের মানবিক সত্তার জয়ধ্বনিতে তিনি সফল বারবার।

কবিরা সূদ খান? নাকি সূদের কারবার তাঁদের মানায়? কিন্তু খোদ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই কুষ্টিয়ার শিলাইদহে শুরু করেছিলেন দাদন ব্যবসায়ের কারবার। উদ্দেশ্য ছিল গরীব চাষিদের আর্থিক সহয়তা। আর সূদ বসিয়েছিলেন, যাতে চাষিরা সচেতন থাকে। অন্তত টাকাটা আসল কাজে ব্যয় না করে বাজে খরচ করে ফেলে। কিন্তু কবি বলে কথা। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছিল। সূদ দূরে থাক, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আসল টাকাই ফেরত আসেনি।
আদতে প্রজাদের অক্ষমতার ব্যাপারটি তিনি ভালোভাবেই অনুধাবন করতেন। রথীন্দ্রনাথের মতে, জোর-জুলুম দূরে থাক, গরিব প্রজাদের কাছে ঋণের টাকা চাইতেই বিবেকের দংশনে ভুগতেন রবীন্দ্রনাথ। পরে তাঁর ব্যক্তিগত তহবিলের দেদার টাকার শ্রাদ্ধ হয়েছিল দাদন ব্যবসায়।
অন দ্য এজেস অব টাইম বইয়ে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ আরো বলেছেন, আসলে এই ঋণদানের বিষয়টাকে রবীন্দ্রনাথ কখনোই ব্যাবসায়িক দৃষ্টিতে দেখেননি; বরং তাঁর কবিসত্তাই ব্যাকুল হয়ে উঠত এতে।
রবীন্দ্রনাথের জীবনের সবচেয়ে পাওয়া এই শিলাইদহের গরিব প্রজাদের কাছ থেকেই। আর এ কথা স্বীকারে রবীন্দ্রনাথও কার্পণ্য করেননি যে শিলাইদহের গ্রাম-প্রকৃতি, হতদরিদ্র মানুষ এবং তাদের জীবনই তাঁর কবিসত্তায় বড় প্রভাব ফেলেছিল। সে কথা যে সত্যি, তার প্রমাণ মেলে তাঁর শিলাইদহ-পূর্ব আর শিলাইদহ বাসের পরবর্তী জীবনের কবিতার পার্থক্য, ভাবগত পার্থক্য দেখলেই। সেই ঋণের প্রতিদান রবীন্দ্রনাথ দিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরও।
নোবেল থেকে পাওয়া অর্থের প্রায় অনেকটাই তিনি খরচ করেছিলেন গরিব প্রজাদের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে। তাই ব্যবসায়ী হিসেবে, চাষি হিসেবে রবীন্দ্রনাথ যত অসফলই হোন, নিজের মানবিক সত্তার জয়ধ্বনিতে তিনি সফল বারবার।

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৮ দিন আগে
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৯ দিন আগে
এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।
২০ দিন আগে
একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।
২০ দিন আগে