
আবু হেনা তিমু

শহরের ভিড়ে হাঁটি আমি নিঃসঙ্গ পথিক,
বিজ্ঞাপনের আলো, ক্লান্ত রিকশার ঘণ্টাধ্বনি,
সবাই যেন ঠেলে দেয় দূরের সীমান্তে—
যেখানে আর কোনো সাড়া নেই,
শুধু নীরবতার গহ্বর।
সময় প্রতিদিন আসে ঋণদাতার বেশে,
ক্যালেন্ডারের পাতায় লিখে যায় তাগিদ:
আজও বেঁচে আছ, কালও বাঁচতে হবে—
কিন্তু কোথা থেকে আনবে আলো,
কোথা থেকে আনবে নিঃশ্বাসের খোরাক?
মানুষেরা ব্যস্ত নিজেদের আয়নায়—
পুত্রের চোখে দহন,
পুত্রবধূর ঠোঁটে শীতল অভিযোগ,
নাতনির কণ্ঠে অপূর্ণতার ছায়া।
আমি তাদের পাশে থেকেও অচেনা,
যেন নিভে যাওয়া প্রদীপের নিস্তেজ সলতে।
তবুও সন্ধ্যা নামে—
আকাশে ধূসরতা মিশে যায় নদীর ডাকে।
বাসায় মোবাইল রেখে প্রতিদিন
ধলেশ্বরীর পারে গিয়ে দাঁড়াই,
জলে মুখ ডুবিয়ে শান্তি খুঁজি।
প্রতিদিন নদী আমাকে ফেরায়,
কানে কানে বলে দেয়—
এখনো তোমার সময় হয়নি।
আমি ফিরে আসি,
শহরের নরকযন্ত্রণা, দোকানদারের তাগাদা,
বাড়িওলার গালি, মানুষের শূন্যতা—
সব কোলাহল নিয়ে আবার বেঁচে থাকি।
কিন্তু অন্তরে জানি,
একদিন মেঘনা ডেকে নেবে আপন করে—
বলবে, আর ফেরাবো না তোমায়।
তখন ভেসে যাব নীল অন্ধকারে,
সময়ের কাঁটা থেমে যাবে সেখানে,
মানুষের সকল অনুযোগ হারাবে,
থাকবে শুধু শূন্য সমুদ্রের মতো নিস্তব্ধতা,
যেখানে আমি এক বিন্দু হয়ে মিলিয়ে যাব
চিরকালের অসীমের ভেতর।

শহরের ভিড়ে হাঁটি আমি নিঃসঙ্গ পথিক,
বিজ্ঞাপনের আলো, ক্লান্ত রিকশার ঘণ্টাধ্বনি,
সবাই যেন ঠেলে দেয় দূরের সীমান্তে—
যেখানে আর কোনো সাড়া নেই,
শুধু নীরবতার গহ্বর।
সময় প্রতিদিন আসে ঋণদাতার বেশে,
ক্যালেন্ডারের পাতায় লিখে যায় তাগিদ:
আজও বেঁচে আছ, কালও বাঁচতে হবে—
কিন্তু কোথা থেকে আনবে আলো,
কোথা থেকে আনবে নিঃশ্বাসের খোরাক?
মানুষেরা ব্যস্ত নিজেদের আয়নায়—
পুত্রের চোখে দহন,
পুত্রবধূর ঠোঁটে শীতল অভিযোগ,
নাতনির কণ্ঠে অপূর্ণতার ছায়া।
আমি তাদের পাশে থেকেও অচেনা,
যেন নিভে যাওয়া প্রদীপের নিস্তেজ সলতে।
তবুও সন্ধ্যা নামে—
আকাশে ধূসরতা মিশে যায় নদীর ডাকে।
বাসায় মোবাইল রেখে প্রতিদিন
ধলেশ্বরীর পারে গিয়ে দাঁড়াই,
জলে মুখ ডুবিয়ে শান্তি খুঁজি।
প্রতিদিন নদী আমাকে ফেরায়,
কানে কানে বলে দেয়—
এখনো তোমার সময় হয়নি।
আমি ফিরে আসি,
শহরের নরকযন্ত্রণা, দোকানদারের তাগাদা,
বাড়িওলার গালি, মানুষের শূন্যতা—
সব কোলাহল নিয়ে আবার বেঁচে থাকি।
কিন্তু অন্তরে জানি,
একদিন মেঘনা ডেকে নেবে আপন করে—
বলবে, আর ফেরাবো না তোমায়।
তখন ভেসে যাব নীল অন্ধকারে,
সময়ের কাঁটা থেমে যাবে সেখানে,
মানুষের সকল অনুযোগ হারাবে,
থাকবে শুধু শূন্য সমুদ্রের মতো নিস্তব্ধতা,
যেখানে আমি এক বিন্দু হয়ে মিলিয়ে যাব
চিরকালের অসীমের ভেতর।

শিল্পবোদ্ধাদের মতে, এটি শুধু একটি বিমূর্ত চিত্রকর্ম নয়; এটি স্মৃতি ও সময়ের বহুমাত্রিক পাঠ। ছবির ভাঙা জ্যামিতিক গঠন, টেক্সচার ও স্তরযুক্ত রঙ দর্শককে ব্যক্তিগত স্মৃতি ও হারিয়ে যাওয়া সময়ের অনুভূতির মুখোমুখি দাঁড় করায়। কাজটির নীরব প্রকাশভঙ্গিই এর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন শিল্প সমালোচকরা।
৬ দিন আগে
মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আতাউর রহমানের লাশ শহীদ মিনারে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। রাত সোয়া একটা পর্যন্ত কিছুই নিশ্চিত হয়নি। তবে বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে তাকে সমাহিত করা হবে এটা চূড়ান্ত হয়েছে। আপাতত বাদ জোহর দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
৭ দিন আগে
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) আয়োজন করেছে ১০ দিনব্যাপী শিল্পপ্রদর্শনী ‘সম্প্রীতি’। বৃহস্পতিবার (৭ মে) আইজিসিসি প্রাঙ্গণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
১১ দিন আগে
৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধগ্রন্থ, অসংখ্য ছোটগল্পের দুই হাজারের বেশি গান— একজীবনে তাকে পাঠ করে শেষ করাই কঠিন। বছরের পর বছর ধরে বাঙালিকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেলজয়ের গৌরবও তিনিই বয়ে আনেন ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।
১১ দিন আগে