
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

খাবার না বিষ
একদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মহাত্মা গান্ধী একসাথে সকালের নাশতা করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ লুচি খাচ্ছিলেন, আর গান্ধীজি খাচ্ছিলেন ওটসের পরিজ।্রনাথ ঠাকুর এবং মহাত্মা গান্ধী একসাথে সকালের নাশতা করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ লুচি খাচ্ছিলেন, আর গান্ধীজি খাচ্ছিলেন ওটসের পরিজ।
গান্ধীজি লুচি পছন্দ করতেন না, তাই রবীন্দ্রনাথকে বললেন, ‘গুরুদেব, তুমি কি জানো যে তুমি বিষ খাচ্ছো?’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হেসে উত্তর দিলেন, ‘বিষই হবে; তবে এর অ্যাকশন খুব ধীরে। কারণ, আমি বিগত ষাট বছর যাবৎ এই বিষ খাচ্ছি।’

খাবার না বিষ
একদিন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মহাত্মা গান্ধী একসাথে সকালের নাশতা করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ লুচি খাচ্ছিলেন, আর গান্ধীজি খাচ্ছিলেন ওটসের পরিজ।্রনাথ ঠাকুর এবং মহাত্মা গান্ধী একসাথে সকালের নাশতা করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ লুচি খাচ্ছিলেন, আর গান্ধীজি খাচ্ছিলেন ওটসের পরিজ।
গান্ধীজি লুচি পছন্দ করতেন না, তাই রবীন্দ্রনাথকে বললেন, ‘গুরুদেব, তুমি কি জানো যে তুমি বিষ খাচ্ছো?’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হেসে উত্তর দিলেন, ‘বিষই হবে; তবে এর অ্যাকশন খুব ধীরে। কারণ, আমি বিগত ষাট বছর যাবৎ এই বিষ খাচ্ছি।’

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৮ দিন আগে
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৯ দিন আগে
এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।
২০ দিন আগে
একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।
২০ দিন আগে