সাহিত্য

মার্ক টোয়েনকে যখন দাঁড়িয়ে থাকতে হত

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন

মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন লেখক হিসেবে যেতন জনপ্রিয় ছিল, বক্তা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল। একদিন এক শহরে তাঁর ডাক পড়ল বক্তৃতার জন্য। বক্তৃতার তখনো কয়েকঘণ্টা বাকি।

টোয়েনের মনে হলো শেভ করা দরকার। খোঁচা খোঁচা দাঁড়িগুলো বিরক্তি উৎপাদন করছে। তাই তিনি সেলুনে ঢুকলেন।

শেভিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে নাপিতের সঙ্গে হালকা কথাবার্তা হচ্ছিল টোয়েনের।

একসময় নাপিতকে জানালেন, ‘আপনাদের শহরে এবারই প্রথম বেড়াতে এলাম।’

নাপিত উৎসাহের সঙ্গে বললেন, ‘ভালো সময়ে এসেছেন। আজ রাতে এখানে মার্ক টোয়েন বক্তৃতা করবেন। আপনি সেখানে যাচ্ছেন তো?’

‘হুম... আশা করছি যাব।’ জবাবে বললেন টোয়েন।

‘টিকিট কেটেছেন?’ নাপিত জানতে চাইলেন।

‘না তো!’ কিছুটা বিস্ময়ের সুরে বললেন টোয়েন।

হতাশ কণ্ঠে নাপিত বললেন, ‘মনে হয় আর টিকিট পাবেন না। পেলেও আপনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।’

টোয়েনের মুখভঙ্গিতে দুঃখের ভাব প্রকাশ পেল। হতাশ কণ্ঠে বললেন, ‘আমার ভাগ্যটাই আসলে খারাপ। ভদ্রলোক যতবার বক্তৃতা দেন, ততবারই আমাকে সব সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়!’

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

রেসকোর্সের দলিলে পাকিস্তানি দম্ভের সলিল সমাধি

১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা

১৮ দিন আগে

ক্যান্টনমেন্টে বন্দি নিয়াজির ‘ইস্টার্ন কমান্ড’, আত্মসমর্পণের পদধ্বনি

একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব

১৯ দিন আগে

বুদ্ধিজীবীদের রক্ত, গভর্নর হাউজে বোমার ভূমিকম্প আর ‘টাইগার’ এখন খাঁচাবন্দি!

এই ভয়াল ট্র্যাজেডির পাশাপাশি এ দিনই শুরু হয় আত্মসমর্পণের আনুষ্ঠানিক নাটকীয়তাও। ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মানেকশের চরমপত্রের পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে জেনারেল নিয়াজি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন নিয়াজির আত্মসমর্পণের সেই ঐতিহাসিক সিগন্যালটি দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছায়।

২০ দিন আগে

বিজয়ের ৪৮ ঘণ্টা আগে যেভাবে ‘মগজশূন্য’ করা হয় জাতিকে

একাত্তরের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই যখন রণাঙ্গনে পাকিস্তানি বাহিনীর পরাজয় নিশ্চিত হয়ে আসছিল, তখনই গভর্নর হাউসের অন্দরমহলে মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক ভয়ংকর নীলনকশা চূড়ান্ত করেন। তাঁর ডায়েরিতেই পাওয়া যায় সেই মৃত্যু-তালিকা, যেখানে লেখা ছিল দেশের প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের নাম।

২০ দিন আগে