পাঠ্যবই: প্রাথমিকে কী শেখানো হচ্ছে চাকমা শিক্ষার্থীদের?

শুভ্র জ্যোতি চাকমা

প্রথমে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চলতি শিক্ষাবর্ষে চাকমা শিক্ষার্থীদের জন্য যে পাঠ্যবই (প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি) প্রকাশ করেছে, সেই বিষয়ে সামান্য আলোকপাত করা যাক।

প্রকৃতপক্ষে চলতি শিক্ষাবর্ষে চাকমা শিক্ষার্থীদের জন্য যে পাঠ্যবই প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলোকে পাঠ্যপুস্তকের মর্যাদা দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এ ধরনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পাঠ্যবই বিশ্বের কোথাও আছে বলে মনে হয় না। ছোটবেলায় ইংরেজি টেক্সটবুকের রিডিং পড়তে হিমশিম খেতাম বলে বাজারে পাওয়া নোট বা গাইড বইয়ের দ্বারস্থ হতে হতো। ইংরেজি শব্দের বাংলা অনুবাদটাই পড়তাম। আমার মতো অনেকেই পড়ত। এর ফলে আমাদের কাছে ইংরেজি বিষয়টি দুর্বোধ্যই থেকে যায়।

চলতি শিক্ষাবর্ষে চাকমা ভাষায় রচিত পাঠ্যবইগুলোতে চাকমা হরফের পাশাপাশি বাংলা হরফ দেওয়া হয়েছে। নীতিনির্ধারকদের ধারণা, চাকমা হরফে লেখা বইগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে দুর্বোধ্য। হয়তো এ কারণেই তারা চাকমা হরফের পাশাপাশি বাংলাবর্ণে বর্ণান্তর করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন!

নীতিনির্ধারকদের এই উদ্যোগের মাধ্যমে চাকমা ভাষা ও বর্ণমালায় দক্ষ শিক্ষকের প্রসঙ্গও সামনে আসে। আমরা কি ধরে নেব যে বিগত ৯ বছরেও দক্ষ শিক্ষক তৈরিতে আমরা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছি? ব্যর্থ যদি না-ই হই, তাহলে নোট বা গাইড বইয়ের আদলে পাঠ্যবইয়ের প্রয়োজনীয়তা পড়ল কেন? নোট বা গাইড বই প্রকাশে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন বৈশিষ্ট্যের পাঠ্যবই শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হলো?

চাকমা হরফ ও নিজস্ব ভাষায় রচিত পাঠ্যবই শিশুদের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যটি মহৎ। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির পরিচিত জগত পাঠ্যবইয়ে পেয়ে পাঠে আরও মনোযোগী হবে। তারা নিজস্ব হরফে নিজের ভাষায় লিখবে, পড়বে, আনন্দ অনুভব করবে। অধিকন্তু, চাকমা ভাষার অগ্রগতি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।

কিন্তু যে বৈশিষ্ট্যের পাঠ্যবই দেওয়া হয়েছে, তাতে শিক্ষার্থীরা চাকমা হরফ শেখা থেকে নিরুৎসাহিত হবে— এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। শিশুদের মেধা বিকাশের স্বার্থে এই ধরনের পাঠ্যবই পুরোপুরি বাদ দিয়ে মানসম্মত পাঠ্যবই রচনা করা প্রয়োজন।

মুখ্য বিষয়টি হচ্ছে নোটবইয়ের আদলে ছাপানো পাঠ্যবইগুলোতে কী কী বিষয় সংযুক্ত করা হয়েছে, যা চাকমা শিক্ষার্থীদের পড়তে দেওয়া হয়েছে? বইগুলো পড়ে তারা কী কী শিখবে, কী অর্জন করবে?

যতদূর জানি, এনসিটিবির পাঠ্যক্রম বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে একটি দল চাকমা পাঠ্যবই রচনায় কাজ করেছে। তাদের কেউ কেউ সূচনালগ্ন (২০১৭) থেকে এখন পর্যন্ত এ কাজে যুক্ত আছেন। আবার অনেকে আছেন, যারা কোনো দিন দুকলমও লেখেননি; তারা শুধুমাত্র চাকমা হরফ জানেন। অর্থাৎ দুয়েকজন বাদে কারওই লেখালেখিতে অভিজ্ঞতা নেই। বাস্তবতা যদি এমন হয়ে থাকে, তাহলে আমরা অনুমান করতেই পারি বইগুলোর মান কী হতে পারে!

কী আছে চাকমা ভাষা ও হরফে রচিত পাঠ্যবইগুলোতে? বইগুলো পর্যালোচনায় অসংখ্য ভুল, অসঙ্গতি ও মানহীন রচনা পাওয়া গেছে। রয়েছে ভুলে ভরা বানান, শব্দের অপপ্রয়োগ, দুর্বল লিখনশৈলী ও ধারাবাহিকতার অভাব। পেশাদারিত্বের বিশাল অনুপস্থিতি স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। ভিনভাষার ছড়াকে অনুকরণ করে চাকমারূপ দেওয়া হয়েছে। এখানে কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করার প্রয়াস পাচ্ছি।

যেমন— সব শ্রেণির বইয়েই ছবিকে বলা হয়েছে ‘আরুক’। অথচ ‘আরুক’ অর্থ কঙ্কালসার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি ইংরেজি স্কেচ (Sketch)-এর সমার্থক। এ ছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বইয়ে ‘বিলেই’কে ‘মিঞং’, ‘ওলোনসাল’কে ‘ওলোন’, ‘জুমবলা’কে ‘জুম্মউন’, ‘ফুদের’কে ‘ফাদের’, ‘খাল্যা’কে ‘খিল্যা’, ‘কাগুজি’কে ‘লেমু’ (বিকৃত বাংলা), ‘গুরু’কে ‘গরু’ (বাংলা), ‘পল্লেল’কে ‘পলেল’, ‘কুচকুচ’কে ‘কুচ কুচ’, ‘ইক্কো’কে ‘এক্কো’, ‘ঐয়’কে ‘ঐয়া’, ‘পিধেগুরি’কে ‘পিধে গুরি’, ‘খাকখন’কে ‘কাকখন’, ‘পিজেঙাপুত ভেই’কে ‘পিজেঙা পুতভেই’, ‘কজরমজর’কে ‘কজর মজর’, ‘এগত্তরে’কে ‘জধাবদি’, ‘মারিহুরি’কে ‘মারি হুরি’, ‘দগরন’কে ‘ডাগন’, ‘পেলাং’কে ‘পিলাং’, ‘এজ’কে (আজও) ‘ইজো’, ‘চেয়ার’কে ‘কাদিরা’ (বাংলা) ইত্যাদি ভুল শেখানো হচ্ছে।

এ ছাড়া দ্বিতীয় শ্রেণির বইয়ে ভুল শব্দার্থ শেখানো হচ্ছে, যা একদিকে যেমন তাজ্জব, অন্যদিকে তেমনি উদ্ভট। যেমন— ‘সিক’ (শিষ) মানে ‘দোল র সুর’ (সুন্দর শব্দের সুর), ‘রেত’ (রাত্রি) মানে ‘আনদার’ (অন্ধকার), ‘বিঝু’ মানে ‘বঝর থুমত এক্কো খুঝির দিন’ (বছরের শেষে একটি খুশির দিন), ‘পত্তাপত্তি’ (প্রজাপতি) মানে ‘রংচঙ্যা পুক’ (লালচে পোকা), ‘নুয়ভাত’ (নতুন ভাত) মানে ‘জুমর নুয় ধান ভাত’ (জুমের নতুন ধানের ভাত; তাহলে কি হালচাষে উৎপাদিত নতুন চালের ভাতকে নতুন ভাত বলা যায় না?)।

এ তালিকায় আরও আছে— ‘ধুধুক’ মানে ‘বাঝ চুমোর এক্কো বাদ্য’ (বাঁশের চোঙার একটি বাদ্যযন্ত্র), ‘ঢুল’ (ঢোল) মানে ‘ঢুল র’ (ঢোলের শব্দ), ‘ঝাক’ (ঝাঁক) মানে ‘জধা’ (একত্র), ‘জত’ (জঞ্জাল) মানে ‘কামর ভির’ (কাজের চাপ), ‘চিগোন’ (ছোট) মানে ‘বেক্কুন কনেত’ (সবার ছোট), ‘ঘরত’ (ঘরে) মানে ‘ঘরে’ (বাংলা শব্দ), ‘গেংখুলি’ (এক শ্রেণির চারণশিল্পী) মানে ‘গিদ মালা’ (গীতমালা), ‘ভুলুক-চুলুক’ মানে ‘লেঘাপরা ন জান্যা’ (লেখাপড়া না জানা), ‘হাত্যার’ মানে ‘যুদ্ধ গরিবার সচপদর’ (যুদ্ধ করার সরঞ্জাম, যেখানে সাধারণত চাকমা ভাষায় ‘সচপদর’ মানে কোমরতাঁতে ব্যবহৃত জিনিসপত্রকে বোঝায়)।

এদিকে ‘ধন্য’ মানে ‘সাধু পেবার মানুচ’, ‘ভান্তে’ মানে ‘বুদ্ধ ভিকখু’ (বুদ্ধ ভিক্ষু), ‘জাহাজ’ মানে ‘জাচ’, ‘ঝকঝক্যা’ (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন) মানে ‘দোল গরি সাজেয়্যা’, ‘গেলারি’ মানে ‘ফগদাঙি জাগা’, ‘বির’ মানে ‘বলি’, ‘ফুলবিঝু’ মানে ‘চোদোশেঝ দিনর আগরদিন’, ‘ফেন্নো’ মানে ‘বলপজ্যা’, ‘উব’ মানে ‘উজন্যা’, ‘হাতি’কে ‘ঐরাবত’ (বাংলা)— এমন উদ্ভট, অযৌক্তিক ও বাস্তবতাবিবর্জিত শব্দার্থও রয়েছে। এ ধরনের শব্দের উদ্ভট, আজগুবি ব্যবহার ও অপপ্রয়োগের কারণে চাকমা ভাষার মৌলিকত্ব যেমন নষ্ট হবে, তেমনি এটির বিকাশও মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

লিখনশৈলীর দুর্বলতা প্রমাণ করে, অধিকাংশ লেখক বা বইগুলোর পরিমার্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। তারা হয়তো চাকমা হরফে অভিজ্ঞ, কিন্তু লেখালেখির কাজে নন, যা বইগুলো পাঠে সুস্পষ্ট বোঝা যায়।

ছবি অলঙ্করণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। দ্বিতীয় শ্রেণির বইটির ২২ নম্বর পৃষ্ঠার সিংহের ছবিতে চোখ বুলালেই বোঝা যাবে ছবির মান কেমন। লিখনশৈলীর দুর্বলতার মধ্যে দ্বিতীয় শ্রেণির বইয়ে অমকদ ভারি (দুটি শব্দের অর্থ কাছাকাছি; একটি ব্যবহার করলেই চলত), ‘সিংহ ও ইঁদুর’-এর গল্পে ‘গিরগিরেই গরিগিরেই কল’-এর জায়গায় ‘গিরগিরেই কল’ (অর্থ অসম্পূর্ণ), ঘিলেদাদকে ঘিলে জবর; একই শব্দটি বইয়ের ২০ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘ঘিলে দাদ’ লেখা হয়েছে।

‘মুক্ত করানো’ অর্থে ‘তোরানা’ শব্দের ব্যবহার যথার্থ নয়। ‘তোরানা’ শব্দটি ইংরেজি Survival-এর সমার্থক। ফলে একজনকে বিপদ থেকে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ‘তোরানা’ শব্দটির প্রয়োগ যথার্থ নয়। প্রতিটি গদ্যে লিখনশৈলীর উপস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সিকোয়েন্সের অভাব রয়েছে। যেমন— দ্বিতীয় শ্রেণির বইয়ে ‘ডালিম কুমার ও কঙ্কাবতী’ রূপকথাটিতে ‘ডালিম কুমার বেড়াতে বেড়াতে একবার অচিনপুরে পৌঁছে গেল’ কথাটি লেখা হয়েছে ‘লুমিলগি’, অর্থাৎ ‘প্রত্যাবর্তন করল’।

প্রথম শ্রেণির বইয়ের একটি ছড়ায় দূরের জিনিস বোঝাতে ‘এ আদামত’ (এই গ্রামে) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। সুকুমার বড়ুয়ার ‘মুক্তিসেনা’ ছড়াটির অনুবাদ দ্বিতীয় শ্রেণির বইয়ে ছাপা হয়েছে। এটিকে আক্ষরিক বা ভাবানুবাদ— কোনোটিতেই ফেলা যায় না; বরং নতুন রচনা বললে অত্যুক্তি হবে না।

একটি অনুবাদ ছড়াসহ প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণির তিনটি পাঠ্যবইয়ে লোকছড়া ব্যতীত ছয়জনের ১৫টি আধুনিক ছড়া/কবিতা ছাপা হয়েছে। দুটির রচয়িতার নাম উল্লেখ নেই। তার মধ্যে প্রসন্ন কুমার চাকমার একারই রয়েছে সাতটি ছড়া/কবিতা। তিনি পাঠ্যপুস্তক রচনাকারী/অভিযোজকদের অন্যতম একজন। একই সঙ্গে তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একজনের একটি কবিতা এবং অন্য একজন ছবি অলঙ্করণের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। অবাক হওয়ার বিষয়, পাঠ্যপুস্তক রচনাতেও পরিবারতন্ত্রের থাবা পড়েছে!

এই যখন বাস্তবতা, তখন পাঠ্যপুস্তকের মান কী হতে পারে, তা সহজেই অনুমান করা যায়। আরও আশ্চর্যের বিষয়, তৃতীয় শ্রেণির বইয়ে প্রসন্ন কুমার চাকমার তিনটি এবং সুগত চাকমার তিনটি কবিতা পাঠ করে শিক্ষার্থীরা মনে করতেই পারে, তাদের দুজনের কাব্যগ্রন্থ পড়তে দেওয়া হয়েছে। এ বাস্তবতায় মনে হচ্ছে, চাকমাদের মধ্যে যেন লেখক-কবির আকাল পড়েছে! এর দায় সংশ্লিষ্ট লেখকদের, নাকি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের? নতুন সম্পাদনা পরিষদ গঠন করে পাঠ্যবইগুলোর যাবতীয় ত্রুটি ও অসংগতি দূরীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা অতীব জরুরি।

লেখক: গবেষণা কর্মকর্তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি।

ই-মেইল: [email protected]

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

ভাষা ও রাজনীতি— কী শেখাচ্ছেন এই প্রজন্মকে?

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো— এই ভাষা কেবল বেনামি অ্যাকাউন্টে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্পী, শিক্ষক, লেখক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও জনপ্রিয় অনলাইন ব্যক্তিত্বদের মধ্যেও এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে— আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের সামনে কী ধরনের ভাষা ও সংস্কৃতির উদাহরণ রেখে যাচ্ছি?

৯ দিন আগে

বিশ্বকাপের উল্লাস: বিনোদন ও বিশ্বাসের সীমারেখা

কিন্তু যখন এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে ধর্মীয় প্রতীক, ঈমানের পরিচয় কিংবা পবিত্র বিশ্বাসকে বিনোদনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দাঁড় করানো হয়, তখন বিষয়টি আর শুধুমাত্র খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তখন এটি বিবেক, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

৯ দিন আগে

জুলাইয়ে নারীর ভূমিকা ও প্রাপ্তি

জুলাইয়ে দাঁড়িয়ে এই লেখার মাধ্যমে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং রাষ্ট্র, সমাজ ও ইতিহাসের কাছে দাবি রাখি— এই দেশ, এই ইতিহাস যেন তাদের নামেও উচ্চারিত হয়। দীর্ঘ জুলাইয়ে ঝরে যাওয়া অসংখ্য নারীর প্রাণ, যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হলেও নারীদের লড়াই এখনো চলমান।

১১ দিন আগে

শিশুরা মেধাবী, আমরা কি তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ দিচ্ছি?

বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর— সবখানেই অসংখ্য মেধাবী শিশুর জন্ম হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করতে জানে, নতুন কিছু ভাবতে জানে, স্বপ্ন দেখতে জানে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বিপুল সম্ভাবনার একটি বড় অংশ সঠিক পরিচর্যা, দিকনির্দেশনা ও সহায়ক পরিবেশের অভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

১৩ দিন আগে