সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কতটুকু সহায়ক?

ড. মিহির কুমার রায়

মুদ্রানীতি হলো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত নীতি, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ এবং সুদের হার তথা অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। প্রচলিত নিয়মানুসারে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুবার (জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে। দেশের এবং বিশ্বের অর্থনীতি যেভাবে দ্রুত বদলে যাচ্ছে, তাতে বছরে একাধিকবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা অর্থনীতির জন্য আরও ভালো। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে বছরে ছয়বার (দুই মাস অন্তর) মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশে গত কয়েক মাস ধরেই বহিঃঅর্থনীতির প্রভাবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তারল্য এবং বিনিময় হারে বড় ধরনের চাপ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষত ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ এবং সুশাসনের চ্যালেঞ্জের কারণে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কঠোর সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঘোষিত মুদ্রানীতিতে নীতিসুদহার ১০ শতাংশ (অপরিবর্তিত) এবং এসএলএফ ১১ শতাংশ (অপরিবর্তিত) রাখা হয়েছে। তবে এসডিএফ ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এ নীতির ফলে ধীরে ধীরে মূল্যস্ফীতি কমবে, ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং অর্থনীতি স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে শুরু করবে। এ আশাবাদ কতটুকু সফল হবে, এ নিয়ে বিশেষত গভর্নর ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

এই সকল বিতর্কের মধ্যেও মুদ্রানীতির বৈশিষ্ট্যের অন্যতম দিকগুলো হলো— মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় এবারও সংকোচনমূলক নীতি বহাল রেখে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে চাহিদা কমে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হারও অনেক কমানো হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জুন শেষে সাড়ে ৮ শতাংশ হওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। তবে গত এপ্রিল শেষে এ খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে।

একই সঙ্গে নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী ছয় মাসে সার্বিকভাবে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবাহে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। চলমান মুদ্রানীতিতে এ হার সাড়ে ১১ শতাংশ। এর বিপরীতে গত এপ্রিল শেষে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। নতুন মুদ্রানীতিতে সরকারি ঋণ প্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। চলমান মুদ্রানীতিতে এ হার ২১ দশমিক ৬ শতাংশ। এর বিপরীতে গত এপ্রিল শেষে ঋণ প্রবাহ ছিল ৩০ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

নতুন মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ মূলত সেবাখাতনির্ভর হয়ে গেছে। শিল্পঋণে প্রবৃদ্ধি সেভাবে হয়নি। আগামী ছয় মাসের মুদ্রানীতিতে শিল্পঋণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় কৃষি ও এসএমই খাতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন গভর্নর।

এদিকে অর্থনীতি সচল করতে বন্ধ কারখানা চালু করাসহ ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এসব কোম্পানির সবগুলোকে ঋণ না দেওয়ার কথাও সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন তিনি। মোস্তাকুর রহমান বলেন, “এবার আমরা কিন্তু অনেক শর্ত দিয়েছি। চাইলেই সব বন্ধ কোম্পানি ঋণ নিতে পারবে না। যাদের জ্বালানি, বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা রয়েছে, তারা পাবেন না। কারণ তারা তো ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না। যাদের শুধু অর্থসংকট রয়েছে এবং কোম্পানিকে ভালো করার সুযোগ দেখা যাবে, ব্যাংকগুলো তাদেরই ঋণ দেবে।”

খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের বারবার সুবিধা দেওয়ার প্রশ্নে গভর্নর বলেন, “অতীতে ঋণ প্যাকেজের সুবিধা দেওয়া নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। আমরা সেসব সমালোচনা পর্যালোচনা করেছি। হয়তো কোনো সমস্যা ছিল, তাই যথাযথ ফল সেভাবে আসেনি।”

তিনি বলেন, “অন্য কোনো কারণে যদি বন্ধ হয়ে থাকে, যেমন জ্বালানি, মার্কেটিং কিংবা ম্যানেজমেন্ট ফেইলিওর— সেগুলোর সমাধান করে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ দিতে হবে ব্যাংককে। এটি এমন নয় যে, কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, কেউ আসলে তাকে টাকা দিয়ে দিতে হবে।”

বর্তমান গভর্নরের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত প্রথম মুদ্রানীতি, যেখানে সরকারের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সহায়ক অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে তারল্য নিয়ন্ত্রণের কৌশল সাজানো হয়েছে। সরকারের আর্থিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাজারে কী পরিমাণ অর্থের সরবরাহ থাকবে, সেটির সম্ভাব্য পরিকল্পনা থাকে মুদ্রানীতিতে। বাংলাদেশ ব্যাংক ছয় মাস অন্তর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত সর্বশেষ মুদ্রানীতির ধারাও ছিল সংকোচনমূলক। তখনও নীতিসুদহার ১০ শতাংশ ছিল। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ২০২২ সালের শেষ দিক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিসুদহার বাড়াতে শুরু করে। তারপরও ২০২৪ সালে মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কে পৌঁছে যায় এবং ওই বছর জুলাই মাসে রেকর্ড ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে উন্নীত হয়।

ঘোষিত মুদ্রানীতি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। যেমন, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় বলে হতাশা ব্যক্ত করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। এই সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর মুদ্রানীতির প্রয়োগ সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে আসেনি; বরং প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এর ফলে উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসে গত ডিসেম্বরে ৬.১ শতাংশ হয়েছে। অস্বাভাবিক উচ্চ সুদের হার এবং ঋণের অতিরিক্ত ব্যয় শিল্প সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি কার্যত স্থবির করে দিয়েছে।

আবার বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বৃহৎ ঋণখেলাপি ও পুনঃতফসিলনির্ভর ব্যবসায়িক মডেল। বছরের পর বছর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে লুট হলেও আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। ফলে আমানতকারীরা ব্যাংকে টাকা জমা রেখে তা ফেরত পাচ্ছেন না। বরং সম্প্রতি ‘রেজুলিউশন স্কিম’-এর মাধ্যমে লোকসানের দায় চাপানো হয়েছে সাধারণ আমানতকারীদের ওপর, যা ব্যাংক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

এই অবস্থায় নতুন মুদ্রানীতি যদি আবারও খেলাপিদের জন্য নমনীয় ঋণনীতি, বিশেষ সুবিধা বা গোপন প্রণোদনার পথ খুলে দেয়, তবে তা স্থিতিশীলতার বদলে সংকট আরও গভীর করবে। নতুন মুদ্রানীতিতে নীতিসুদের হার কিছুটা কমানো বা স্থিতিশীল রাখার সম্ভাবনার কথা আলোচনায় রয়েছে, যাতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন খাতে গতি আসে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ব্যাংকগুলো নিজেরাই তারল্যসংকটে ভুগছে। আমানত কমছে, মানুষ ব্যাংকে টাকা রাখতে ভয় পাচ্ছে। এই অবস্থায় সুদের হার কমালে ঋণ বিতরণ বাড়বে— এই ধারণা অনেকটাই তাত্ত্বিক।

বরং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমানতকারীদের সুরক্ষা ও আস্থা ফেরানো ছাড়া কোনো মুদ্রানীতি কার্যকর হবে না। আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ব্যাংক খাতে তারল্য ফেরানো সম্ভব নয়।

নতুন মুদ্রানীতির সফলতা অনেকটাই নির্ভর করবে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রক সাহসের ওপর। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই সমালোচনার মুখে পড়েছে, বিশেষ করে দুর্বল ব্যাংকগুলোর লুটেরাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপানোর কারণে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক একই সঙ্গে মুদ্রানীতিকে কঠোর দেখালেও বাস্তবে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কাছে নতি স্বীকার করে, তাহলে নীতির বিশ্বাসযোগ্যতা থাকবে না। বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংক খাতে প্রকৃত স্থিতি আনতে হলে মুদ্রানীতির পাশাপাশি কয়েকটি বিষয় জরুরি। প্রথমেই বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমানতকারীদের ক্ষতি পূরণে স্পষ্ট রোডম্যাপ এবং ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক প্রভাব কমানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ঘোষিত মুদ্রানীতি স্বল্পমেয়াদে কিছু আর্থিক সূচকে শৃঙ্খলা আনতে পারলেও ব্যাংক খাতের গভীর কাঠামোগত সংকট সমাধানে এটি একা যথেষ্ট নয়। যদি নতুন নীতি আবারও পুরোনো সমস্যাকে আড়াল করার হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তবে স্থিতিশীলতার বদলে আস্থার সংকট আরও ঘনীভূত হবে।

এখন সময় অর্ধসমাধানের নয়; বরং কঠোর ও ন্যায্য সংস্কারের। বাণিজ্য-সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, রাজনৈতিক পরিস্থিতির দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে বের করা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষত ব্যাংকগুলোকে শক্তিশালী ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা প্রয়োজন।

কাজেই, এসব সমস্যা সমাধানকল্পে ঘোষিত মুদ্রানীতিতে আলোচিত বিষয়গুলো বিবেচনায় আনতে হবে। তাহলেই দেশের কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হবে।

লেখক: অধ্যাপক (অর্থনীতি) ও সাবেক পরিচালক, বার্ড (কুমিল্লা)

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

ভাষা ও রাজনীতি— কী শেখাচ্ছেন এই প্রজন্মকে?

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো— এই ভাষা কেবল বেনামি অ্যাকাউন্টে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্পী, শিক্ষক, লেখক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও জনপ্রিয় অনলাইন ব্যক্তিত্বদের মধ্যেও এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে— আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের সামনে কী ধরনের ভাষা ও সংস্কৃতির উদাহরণ রেখে যাচ্ছি?

১৪ দিন আগে

বিশ্বকাপের উল্লাস: বিনোদন ও বিশ্বাসের সীমারেখা

কিন্তু যখন এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে ধর্মীয় প্রতীক, ঈমানের পরিচয় কিংবা পবিত্র বিশ্বাসকে বিনোদনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় দাঁড় করানো হয়, তখন বিষয়টি আর শুধুমাত্র খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তখন এটি বিবেক, মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।

১৪ দিন আগে

জুলাইয়ে নারীর ভূমিকা ও প্রাপ্তি

জুলাইয়ে দাঁড়িয়ে এই লেখার মাধ্যমে তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং রাষ্ট্র, সমাজ ও ইতিহাসের কাছে দাবি রাখি— এই দেশ, এই ইতিহাস যেন তাদের নামেও উচ্চারিত হয়। দীর্ঘ জুলাইয়ে ঝরে যাওয়া অসংখ্য নারীর প্রাণ, যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হলেও নারীদের লড়াই এখনো চলমান।

১৬ দিন আগে

শিশুরা মেধাবী, আমরা কি তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ দিচ্ছি?

বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর— সবখানেই অসংখ্য মেধাবী শিশুর জন্ম হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করতে জানে, নতুন কিছু ভাবতে জানে, স্বপ্ন দেখতে জানে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বিপুল সম্ভাবনার একটি বড় অংশ সঠিক পরিচর্যা, দিকনির্দেশনা ও সহায়ক পরিবেশের অভাবে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

১৮ দিন আগে