
এম ডি মাসুদ খান

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী ধারার দীর্ঘ পথচলার প্রতীক প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দেশের এক সংকটময় সময়ে তিনি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রবর্তন, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করেন। সেই আদর্শিক ধারার উত্তরাধিকার বহন করে বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিতে আলোচিত নাম তারেক রহমান, যিনি জিয়াউর রহমানের সন্তান।
এই ধারাবাহিকতার মধ্যবর্তী সেতুবন্ধন হিসেবে রয়েছেন ‘গণতন্ত্রের জননী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরেন তিনি। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবরণ ও রাজনৈতিক ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা অনুপ্রাণিত করেছে পরবর্তী প্রজন্মকে।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা। তিনি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি জনগণের মধ্যে নিহিত। তাই কৃষি, শিল্প, বেসরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
এই দর্শন পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তারেক রহমান নিজেকে সেই আদর্শিক ধারার উত্তরসূরি হিসেবে তুলে ধরেছেন। তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা, উদ্যোক্তা তৈরি এবং আধুনিক প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে তার কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয় সংগঠনভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে। তিনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক পুনর্গঠন, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি একটি শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা ও আধুনিক প্রচার কৌশল দলীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। এভাবে তিনি ধীরে ধীরে উঠে আসেন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও এর নেতৃত্ব নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তারেক রহমানও রাজনৈতিক মামলা, দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান এবং নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। এই সময় তিনি বিদেশে থেকেও দলের নীতিনির্ধারণ, কৌশলগত দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন।
সমর্থকদের মতে, এই সময়কাল তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত সক্ষমতাকে আরও পরিপক্ব করেছে।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন তারেক রহমান। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতি, যুব কর্মসংস্থান, রপ্তানি বৃদ্ধি, কৃষি ও শিল্পায়নের সমন্বিত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তুলে ধরেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, তার রাজনৈতিক দর্শনে ঐতিহ্যগত জাতীয়তাবাদ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের সমন্বয়ের চেষ্টা রয়েছে।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে দলটি পেয়েছে ২০৯ আসন। নিয়ম অনুযায়ী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হবে আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় দিক হলো তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ গঠনে নিজের মতামত দিচ্ছে, যা জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বড় ভূমিকা রাখবে। তরুণ-তরুণীরা হাসিমুখে ভোট দিচ্ছে— এমন একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশই আমাদের এত দিনের চাওয়া ছিল।
এ বিজয় জিয়াউর রহমানের আদর্শ, খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ধারাবাহিকতার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে দল পরিচালনার নতুন অধ্যায়েরও সূচনা হবে।
ভোটের ব্যালটে যে সিল দেওয়া হয় সেটা কেবল কালির নয়, আস্থার প্রতীক। সেই আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে আজ সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। বাংলাদেশের মানুষ চায় এমন এক সংসদ, যেখানে তাদের কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হবে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পথচলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ধারাবাহিক আদর্শিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি। এ ধারার মূল শক্তি জনগণের ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এসব দেখার অপেক্ষায়। সব ষড়যন্ত্র ভেদ করে শুভ হোক এই সরকারের পথচলা।
লেখক: ব্যবসায়ী ও কলামিস্ট

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয়তাবাদী ধারার দীর্ঘ পথচলার প্রতীক প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। দেশের এক সংকটময় সময়ে তিনি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রবর্তন, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও জাতীয় স্বার্থভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করেন। সেই আদর্শিক ধারার উত্তরাধিকার বহন করে বর্তমান প্রজন্মের রাজনীতিতে আলোচিত নাম তারেক রহমান, যিনি জিয়াউর রহমানের সন্তান।
এই ধারাবাহিকতার মধ্যবর্তী সেতুবন্ধন হিসেবে রয়েছেন ‘গণতন্ত্রের জননী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরেন তিনি। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবরণ ও রাজনৈতিক ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা অনুপ্রাণিত করেছে পরবর্তী প্রজন্মকে।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, গ্রামীণ উন্নয়ন, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা। তিনি বিশ্বাস করতেন, রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি জনগণের মধ্যে নিহিত। তাই কৃষি, শিল্প, বেসরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
এই দর্শন পরবর্তী সময়ে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তারেক রহমান নিজেকে সেই আদর্শিক ধারার উত্তরসূরি হিসেবে তুলে ধরেছেন। তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা, উদ্যোক্তা তৈরি এবং আধুনিক প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে তার কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
তারেক রহমানের রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয় সংগঠনভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে। তিনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক পুনর্গঠন, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি একটি শক্ত সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলেন।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা ও আধুনিক প্রচার কৌশল দলীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। এভাবে তিনি ধীরে ধীরে উঠে আসেন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন সময়ে বিএনপি ও এর নেতৃত্ব নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তারেক রহমানও রাজনৈতিক মামলা, দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান এবং নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। এই সময় তিনি বিদেশে থেকেও দলের নীতিনির্ধারণ, কৌশলগত দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন।
সমর্থকদের মতে, এই সময়কাল তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত সক্ষমতাকে আরও পরিপক্ব করেছে।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন তারেক রহমান। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতি, যুব কর্মসংস্থান, রপ্তানি বৃদ্ধি, কৃষি ও শিল্পায়নের সমন্বিত উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য তুলে ধরেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, তার রাজনৈতিক দর্শনে ঐতিহ্যগত জাতীয়তাবাদ ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নের সমন্বয়ের চেষ্টা রয়েছে।
২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে দলটি পেয়েছে ২০৯ আসন। নিয়ম অনুযায়ী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হবে আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় দিক হলো তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশ গঠনে নিজের মতামত দিচ্ছে, যা জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বড় ভূমিকা রাখবে। তরুণ-তরুণীরা হাসিমুখে ভোট দিচ্ছে— এমন একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশই আমাদের এত দিনের চাওয়া ছিল।
এ বিজয় জিয়াউর রহমানের আদর্শ, খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ধারাবাহিকতার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে দল পরিচালনার নতুন অধ্যায়েরও সূচনা হবে।
ভোটের ব্যালটে যে সিল দেওয়া হয় সেটা কেবল কালির নয়, আস্থার প্রতীক। সেই আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে আজ সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। বাংলাদেশের মানুষ চায় এমন এক সংসদ, যেখানে তাদের কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হবে।
প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পথচলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ধারাবাহিক আদর্শিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি। এ ধারার মূল শক্তি জনগণের ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এসব দেখার অপেক্ষায়। সব ষড়যন্ত্র ভেদ করে শুভ হোক এই সরকারের পথচলা।
লেখক: ব্যবসায়ী ও কলামিস্ট

আমি যে নারী নির্যাতন মামলার ভিকটিম, সেই কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর আমার বাবা— তাকেও শুনতে হয়েছে, ‘এত কিছুর পর মেয়েকে কেন রাজনীতি করতে দেয়!’ ৫ আগস্টের পর ভেবেছিলাম আমার লড়াই শেষ। কিন্তু তারপর অনলাইনে কিছু আইডির এমন হ্যারাসমেন্ট ও স্লাট-শেমিং আমি স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারিনি।
৭ দিন আগে
এভাবেই লাখ লাখ ভোটারকে একত্রিত করতে সক্ষম একটি নির্বাচন দলীয় কর্মী বাহিনীর একত্রিতকরণের একটি অপারেশনে পরিণত হয়। ফলে শুধু ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনাতেই কয়েক লাখ সংগঠিত কর্মী মাঠে নামাতে হয়। এই মানুষগুলো স্বেচ্ছাসেবী নন, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় অর্থ, প্রভাব ও সুবিধার আশ্বাস দিয়ে।
৮ দিন আগে
বিপরীতভাবে, ইতিহাস যখন বিকৃত হয়— ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা অবহেলার কারণে— তখন একটি জাতি ধীরে ধীরে তার শেকড় হারাতে শুরু করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইতিহাস বিকৃতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই একটি গভীর ও বহুমাত্রিক সংকট হিসেবে বিদ্যমান।
৯ দিন আগে
অর্থাৎ এ পর্যন্ত তিনবার ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে; এবারেরটি হবে চতুর্থ। তবে নির্বাচনের কারণে বইমেলা কখনো বন্ধ থাকেনি। ১৯৭৯ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলেছে। ১৯৯১ সালেও মেলা চলেছে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়ে। ১৯৯৬ সালেও একই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ১৯৭৯ সালের মেলাটি কিছুটা ব্যতিক
১০ দিন আগে