
জান্নাতুল বাকেয়া কেকা

পঞ্চম দশকের বাংলা সাহিত্যের কালপুরুষ শংকর সম্পন্ন করলেন তার ইহজাগতিক যাত্রা। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬— ৯৩ বছরের দীর্ঘ জীবন পেরিয়ে তিনি পাড়ি দিলেন অনন্তলোকের পথে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই কথাশিল্পী রেখে গেলেন তার কালজয়ী সাহিত্যকর্মের বিশাল ভান্ডার, অসংখ্য চরিত্র, অগণিত পাঠকের আবেগ এবং কয়েক প্রজন্মের মানসগঠনে গভীর ছাপ। তার পুরোনাম মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় হলেও তিনি পাঠকের কাছে ছিলেন শুধু ‘শংকর’— এক নাম, এক আবেগ, এক সময়ের প্রতীক। আমাদের মা-চাচি-খালা-ফুপিদের কাছে তিনি ছিলেন খুব কাছের প্রিয় লেখক; আমাদের প্রজন্মের কাছে হয়তো কিছুটা দূরের, কিন্তু তাদের পাঠজীবনের অন্তরঙ্গ অংশ।
তিনি ছিলেন পঞ্চাশ-ষাট-সত্তর দশকের তারুণ্যের চিরচেনা সাহিত্যিক। তার কালজয়ী উপন্যাস চৌরঙ্গী আমার মা কতবার যে পড়েছেন, তার হিসাব নেই। আম্মার সাবিত্রী স্কুলের বান্ধবী, সমসাময়িক চাচা-ফুফিরাও এই উপন্যাসকে মনে করতেন জীবনঘনিষ্ঠ এক অনন্য কাহিনি। সদ্য স্বাধীন কলকাতার সাহেবপাড়া, অভিজাত হোটেল সংস্কৃতি, নাগরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, স্বপ্নভঙ্গ, সম্পর্কের টানাপোড়েন— সব মিলিয়ে ‘চৌরঙ্গী’ হয়ে উঠেছিল সময়ের প্রতিচ্ছবি। ব্রিটিশ শাসনের দীর্ঘ দুইশো বছরের অভিঘাত তখনও ছড়িয়ে ছিল কলকাতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে; সেই ইতিহাসের আবহ, সেই পরিবর্তনশীল সমাজবাস্তবতা তার কলমে পেয়েছে শিল্পিত অথচ নির্মোহ ভাষ্য।
এই উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৬৮ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রে মহানায়ক উত্তম কুমারের অভিনয় শংকরের জনপ্রিয়তাকে আরও বিস্তৃত করে। পরবর্তীতে তার ‘সীমাবদ্ধ’ ও ‘জন অরণ্য’ উপন্যাসকে চলচ্চিত্রে রূপ দেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত নির্মাতা সত্যজিৎ রায়। সাহিত্য থেকে সিনেমা— দুই পরিসরেই শংকর হয়ে ওঠেন নাগরিক জীবনের নৈতিক সংকট, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানবিক দ্বন্দ্বের অনন্য কথক। তার সৃষ্ট চরিত্রেরা শুধু কাহিনির মানুষ নয়; তারা সময়ের দলিল, সমাজের প্রতিচ্ছবি, মধ্যবিত্ত মানসিকতার উন্মোচিত রূপ।
আমার নিজের শৈশবের স্মৃতিতে শংকর জড়িয়ে আছেন খুব ব্যক্তিগতভাবে। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে কাটানো সেই দীর্ঘ চৈত্র-বৈশাখের দুপুরে দেখেছি— আম্মা আমাদের ঘুম পাড়াচ্ছেন। এক হাতে আমাদের পিঠে আলতো থাবা, আরেক হাতে তার প্রিয় উপন্যাস। সংসারের সারাদিনের কাজ গুছিয়ে নিয়ে বই পড়াই ছিল তার একমাত্র বিনোদন। বিয়ের আগের অভ্যাসে নিজের সংগ্রহে রাখা শংকর, নিমাই ভট্টাচার্য— ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি ভেবে তিনি বইয়ের পাতায় ডুবে যেতেন। কখনো আমরা সত্যিই ঘুমাতাম, কখনো ভান করতাম। তিনি বইয়ের পাতায় চোখ বুলাতে বুলাতে কখন যে নিজেও ঘুমিয়ে পড়তেন— টের পেতাম না। তার আগে খুব যত্ন করে পাতার কোণা মুড়ে বুকের ওপর উপুড় করে রাখতেন বইটি। বেশিরভাগ দিন আমি আর বড় বোন সেই সুযোগে বাইরে পালানোর উপায় খুঁজতাম। শৈশবের সেই দুপুরগুলোয় শংকর ছিলেন আমাদের ঘরের নীরব সঙ্গী।
সত্তর-আশির দশকে আজকের মতো ইউটিউব বা গুগলের যুগ ছিল না। তখনকার সমসাময়িক লেখক-সাহিত্যিকদের উপন্যাসই ছিল সেকালের নারীদের মানসিক আশ্রয়। সাহিত্য ছিল বিনোদন, ছিল আত্মমগ্নতার অবকাশ, ছিল নিজের অদেখা অনুভূতির আয়না। প্রিয় লেখকের চরিত্রের নামে সন্তানের নামকরণ হতো। ঘরে ঘরে আলোচনায় থাকতেন শংকর, নিমাই, শরৎচন্দ্র, আশাপূর্ণা দেবী। শংকর ছিলেন সেই সময়ের একরকম ‘ক্রাশখাওয়া’ লেখক— যেমন আমাদের প্রজন্ম সুনীল বা শীর্ষেন্দু পড়ে আলোড়িত হয়েছে, তেমনি আমাদের মায়েদের প্রজন্ম ডুবেছিল শংকরের সৃষ্ট জগতে। বই হাতে নীরবে কাঁদতে দেখা সেই মায়েদের চোখের জলই প্রমাণ করে— তার সাহিত্য হৃদয়ের গভীরে পৌঁছাতে পারত।
১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ববঙ্গের যশোহর জেলায় জন্ম তার। বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন আইনজীবী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই পরিবার কলকাতায় চলে যায়; হাওড়ায় তার বেড়ে ওঠা। সেখানেই শুরু সাহিত্যচর্চা। ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত ‘কত অজানারে’ উপন্যাস তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর ‘সীমাবদ্ধ’, ‘জন অরণ্য’, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই’, ‘অচেনা অজানা বিবেকানন্দ’সহ অসংখ্য রচনায় তিনি মানবজীবনের বহুমুখী বাস্তবতা, নাগরিক সংকট, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, নৈতিক দ্বিধা ও অস্তিত্বের প্রশ্নকে অন্বেষণ করেছেন। তার লেখায় ছিল জীবন ঘষে আগুন জ্বালানোর এক নিরন্তর প্রয়াস— জিয়ন কাঠিতে জীবন খোঁজার অদম্য আকাঙ্ক্ষা।
বাংলাদেশের জল-হাওয়া-মাটি-পানিতে সিক্ত তার জন্মসূত্রের শেকড় আমাদেরই ভূগোলে প্রোথিত। সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষের স্মৃতি বহন করা এক ভূখণ্ডের সন্তান হয়েও তিনি হয়ে উঠেছিলেন সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সাহিত্যপুরুষ। নাগরিক জীবনের অন্তর্লীন সত্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানবিক ভাঙনের যে ভাষা তিনি নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যের পাতায় পাতায় তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে। আজ, কাল কিংবা পরশু নয়— শতাব্দী পেরিয়েও পাঠক ফিরে আসবেন তার কাছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাকে খুঁজে নেবে নিজস্ব সময়ের আয়নায়। বিনম্র শ্রদ্ধা, শংকর।
লেখক: কলামিস্ট ও সাংবাদিক

পঞ্চম দশকের বাংলা সাহিত্যের কালপুরুষ শংকর সম্পন্ন করলেন তার ইহজাগতিক যাত্রা। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬— ৯৩ বছরের দীর্ঘ জীবন পেরিয়ে তিনি পাড়ি দিলেন অনন্তলোকের পথে। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এই কথাশিল্পী রেখে গেলেন তার কালজয়ী সাহিত্যকর্মের বিশাল ভান্ডার, অসংখ্য চরিত্র, অগণিত পাঠকের আবেগ এবং কয়েক প্রজন্মের মানসগঠনে গভীর ছাপ। তার পুরোনাম মণিশঙ্কর মুখোপাধ্যায় হলেও তিনি পাঠকের কাছে ছিলেন শুধু ‘শংকর’— এক নাম, এক আবেগ, এক সময়ের প্রতীক। আমাদের মা-চাচি-খালা-ফুপিদের কাছে তিনি ছিলেন খুব কাছের প্রিয় লেখক; আমাদের প্রজন্মের কাছে হয়তো কিছুটা দূরের, কিন্তু তাদের পাঠজীবনের অন্তরঙ্গ অংশ।
তিনি ছিলেন পঞ্চাশ-ষাট-সত্তর দশকের তারুণ্যের চিরচেনা সাহিত্যিক। তার কালজয়ী উপন্যাস চৌরঙ্গী আমার মা কতবার যে পড়েছেন, তার হিসাব নেই। আম্মার সাবিত্রী স্কুলের বান্ধবী, সমসাময়িক চাচা-ফুফিরাও এই উপন্যাসকে মনে করতেন জীবনঘনিষ্ঠ এক অনন্য কাহিনি। সদ্য স্বাধীন কলকাতার সাহেবপাড়া, অভিজাত হোটেল সংস্কৃতি, নাগরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, স্বপ্নভঙ্গ, সম্পর্কের টানাপোড়েন— সব মিলিয়ে ‘চৌরঙ্গী’ হয়ে উঠেছিল সময়ের প্রতিচ্ছবি। ব্রিটিশ শাসনের দীর্ঘ দুইশো বছরের অভিঘাত তখনও ছড়িয়ে ছিল কলকাতার রন্ধ্রে রন্ধ্রে; সেই ইতিহাসের আবহ, সেই পরিবর্তনশীল সমাজবাস্তবতা তার কলমে পেয়েছে শিল্পিত অথচ নির্মোহ ভাষ্য।
এই উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৬৮ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রে মহানায়ক উত্তম কুমারের অভিনয় শংকরের জনপ্রিয়তাকে আরও বিস্তৃত করে। পরবর্তীতে তার ‘সীমাবদ্ধ’ ও ‘জন অরণ্য’ উপন্যাসকে চলচ্চিত্রে রূপ দেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত নির্মাতা সত্যজিৎ রায়। সাহিত্য থেকে সিনেমা— দুই পরিসরেই শংকর হয়ে ওঠেন নাগরিক জীবনের নৈতিক সংকট, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানবিক দ্বন্দ্বের অনন্য কথক। তার সৃষ্ট চরিত্রেরা শুধু কাহিনির মানুষ নয়; তারা সময়ের দলিল, সমাজের প্রতিচ্ছবি, মধ্যবিত্ত মানসিকতার উন্মোচিত রূপ।
আমার নিজের শৈশবের স্মৃতিতে শংকর জড়িয়ে আছেন খুব ব্যক্তিগতভাবে। ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে কাটানো সেই দীর্ঘ চৈত্র-বৈশাখের দুপুরে দেখেছি— আম্মা আমাদের ঘুম পাড়াচ্ছেন। এক হাতে আমাদের পিঠে আলতো থাবা, আরেক হাতে তার প্রিয় উপন্যাস। সংসারের সারাদিনের কাজ গুছিয়ে নিয়ে বই পড়াই ছিল তার একমাত্র বিনোদন। বিয়ের আগের অভ্যাসে নিজের সংগ্রহে রাখা শংকর, নিমাই ভট্টাচার্য— ছিলেন তার নিত্যসঙ্গী। আমরা ঘুমিয়ে পড়েছি ভেবে তিনি বইয়ের পাতায় ডুবে যেতেন। কখনো আমরা সত্যিই ঘুমাতাম, কখনো ভান করতাম। তিনি বইয়ের পাতায় চোখ বুলাতে বুলাতে কখন যে নিজেও ঘুমিয়ে পড়তেন— টের পেতাম না। তার আগে খুব যত্ন করে পাতার কোণা মুড়ে বুকের ওপর উপুড় করে রাখতেন বইটি। বেশিরভাগ দিন আমি আর বড় বোন সেই সুযোগে বাইরে পালানোর উপায় খুঁজতাম। শৈশবের সেই দুপুরগুলোয় শংকর ছিলেন আমাদের ঘরের নীরব সঙ্গী।
সত্তর-আশির দশকে আজকের মতো ইউটিউব বা গুগলের যুগ ছিল না। তখনকার সমসাময়িক লেখক-সাহিত্যিকদের উপন্যাসই ছিল সেকালের নারীদের মানসিক আশ্রয়। সাহিত্য ছিল বিনোদন, ছিল আত্মমগ্নতার অবকাশ, ছিল নিজের অদেখা অনুভূতির আয়না। প্রিয় লেখকের চরিত্রের নামে সন্তানের নামকরণ হতো। ঘরে ঘরে আলোচনায় থাকতেন শংকর, নিমাই, শরৎচন্দ্র, আশাপূর্ণা দেবী। শংকর ছিলেন সেই সময়ের একরকম ‘ক্রাশখাওয়া’ লেখক— যেমন আমাদের প্রজন্ম সুনীল বা শীর্ষেন্দু পড়ে আলোড়িত হয়েছে, তেমনি আমাদের মায়েদের প্রজন্ম ডুবেছিল শংকরের সৃষ্ট জগতে। বই হাতে নীরবে কাঁদতে দেখা সেই মায়েদের চোখের জলই প্রমাণ করে— তার সাহিত্য হৃদয়ের গভীরে পৌঁছাতে পারত।
১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ববঙ্গের যশোহর জেলায় জন্ম তার। বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন আইনজীবী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই পরিবার কলকাতায় চলে যায়; হাওড়ায় তার বেড়ে ওঠা। সেখানেই শুরু সাহিত্যচর্চা। ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত ‘কত অজানারে’ উপন্যাস তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর ‘সীমাবদ্ধ’, ‘জন অরণ্য’, ‘চরণ ছুঁয়ে যাই’, ‘অচেনা অজানা বিবেকানন্দ’সহ অসংখ্য রচনায় তিনি মানবজীবনের বহুমুখী বাস্তবতা, নাগরিক সংকট, উচ্চাকাঙ্ক্ষা, নৈতিক দ্বিধা ও অস্তিত্বের প্রশ্নকে অন্বেষণ করেছেন। তার লেখায় ছিল জীবন ঘষে আগুন জ্বালানোর এক নিরন্তর প্রয়াস— জিয়ন কাঠিতে জীবন খোঁজার অদম্য আকাঙ্ক্ষা।
বাংলাদেশের জল-হাওয়া-মাটি-পানিতে সিক্ত তার জন্মসূত্রের শেকড় আমাদেরই ভূগোলে প্রোথিত। সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষের স্মৃতি বহন করা এক ভূখণ্ডের সন্তান হয়েও তিনি হয়ে উঠেছিলেন সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সাহিত্যপুরুষ। নাগরিক জীবনের অন্তর্লীন সত্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানবিক ভাঙনের যে ভাষা তিনি নির্মাণ করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যের পাতায় পাতায় তাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে। আজ, কাল কিংবা পরশু নয়— শতাব্দী পেরিয়েও পাঠক ফিরে আসবেন তার কাছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাকে খুঁজে নেবে নিজস্ব সময়ের আয়নায়। বিনম্র শ্রদ্ধা, শংকর।
লেখক: কলামিস্ট ও সাংবাদিক

কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন পরিপূর্ণ এক সংগ্রামী নেতা। ক্ষমতার মোহ তাকে কখনোই আচ্ছন্ন করতে পারেনি। একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে তিনি দেশের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। তার মৃত্যুদিবসে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
৫ দিন আগে
আমাদের চোখের সামনে বহু রূপে বর্ণচোরা নতুন খোলস পরে চারপাশে সুশীল কিংবা শক্তিধর সেজে দাঁড়াবে— স্বদেশ-স্বাধীনতা, একাত্তরের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের ৫৪ বছরের রাষ্ট্র বাংলাদেশের গৌরবময় মাহাত্ম্য ও অর্জনের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস-ঘৃণা ছড়াবে— এই কলঙ্ক তারা ঢাকবে কীভাবে?
৮ দিন আগে
গণভোট ও জনরায় কার্যকর হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী, বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, নিরপেক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক আস্থা নিশ্চিত হতে পারে। ফলে দেশের জনগণ সচেতনভাবে, আবেগতাড়িত না হয়ে যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
১০ দিন আগে
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অতি লোভনীয় উদীয়মান অর্থনীতির এই দেশ কি বহির্শক্তির খেলার মাঠে পরিণত হবে, নাকি বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় একাট্টা হয়ে নিজেদের গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতিকার নিজেরাই করবে— তা নিয়ে ভাবনার সময় এসেছে।
১০ দিন আগে