
এ কে এম মাহফুজুর রহমান

আজকের বিশ্বে শুধুমাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি হাতে পেলেই কাঙ্ক্ষিত চাকরির নিশ্চয়তা আর নেই। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন, ডিজিটাল অর্থনীতি ও গিগ–ইকোনমি মিলিয়ে কর্মবাজার দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদাও ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৬৭% মানুষ কর্মক্ষম বয়সে রয়েছে। কিন্তু এই বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী যথাযথ দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে তারা বেকারত্ব ও হতাশার শিকার হবে, যা ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ১০ বছরে কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে ডিজিটাল দক্ষতা, বহুভাষাগত সক্ষমতা, অভিযোজনশীলতা ও চৌকষ পেশাদারিত্ব অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
বেকারত্ব
উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান: বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বেকারত্বের হার ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে সার্বিক বেকারত্ব দাঁড়ায় ৪.৬৩%, যা আগের বছরের ৩.৯৫% থেকে বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ মানুষকে কর্মহীন করেছে। এর মধ্যে উচ্চশিক্ষিত তরুণরা সবচেয়ে বেশি সংকটে। ২০১৩ সালে যেখানে শিক্ষিত বেকারত্ব ছিল ৯.৭%, ২০২২ সালে তা বেড়ে ২৭.৮%-এ পৌঁছেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পরও প্রায় ২৮% স্নাতক চাকরি পাচ্ছেন না। প্রতিবছর ৫০টির বেশি সরকারি ও ১১০টির বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৭–৮ লাখ নতুন স্নাতক বের হলেও শ্রমবাজারে চাকরির সৃষ্টি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪–৫ লাখ। বাকি ২১–২২ লাখ শিক্ষিত তরুণ কার্যত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে কলা ও সাধারণ শিক্ষার স্নাতকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। যদিও ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত স্নাতকদের কর্মসংস্থান কিছুটা বেড়েছে, তথাপি প্রতি চারজন স্নাতকের একজন এখনো পূর্ণাঙ্গ চাকরির বাইরে।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট : তরুণরাই বেশি ঝুঁকিতে
এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিকও বটে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বেকারত্ব দাঁড়াবে ৫%, তবে তরুণদের ক্ষেত্রে এই হার হবে ১২.৬%। সাম্প্রতিক এক জরিপে (Kickresume) দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫৮% নতুন গ্র্যাজুয়েট চাকরি পাচ্ছেন না, মূলত অভিজ্ঞতার অভাব ও দক্ষতার ঘাটতির কারণে। Financial Times-এর তথ্যানুযায়ী, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে Entry-level চাকরি ক্রমেই কমছে। AI ও অটোমেশনের কারণে হাজারো সুযোগ হারালেও নতুন খাত যেমন ডেটা সায়েন্স, AI প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, সাইবার সিকিউরিটি, ব্লকচেইন, গ্রিন টেকনোলজি ইত্যাদিতে সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বিশেষত AI-নেটিভ Gen Z তরুণদের জন্য এই খাতগুলো ভবিষ্যতে বড় কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
সম্ভাবনার ক্ষেত্র
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরির সুযোগ: বাংলাদেশের আইটি খাত বিশ্বে ইতোমধ্যেই পরিচিত। সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার আইটি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মানুষ আইটি খাতে কাজ করছেন। সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড আর্কিটেকচার, মেশিন লার্নিং ও ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপমেন্টে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং-এ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মশক্তি সরবরাহকারী দেশ। এছাড়া গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হেলথ টেক ও এগ্রো-টেক খাতেও তরুণদের জন্য নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের তরুণরা ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে সম্ভাবনার দরজা খুলছে। প্রবাসী আয়ের প্রায় ৬০% আসে যুবশ্রমিকদের হাত ধরে, যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।
দক্ষতা
নিয়োগদাতার চাহিদা বনাম প্রস্তুতি: বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বড় সমস্যা হলো দক্ষতার ফাঁক (Skill Gap)। নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা আর স্নাতকদের প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যেখানে প্রায় ৮০% নিয়োগদাতা ডিজিটাল দক্ষতা প্রত্যাশা করেন, সেখানে মাত্র অর্ধেক স্নাতক তা অর্জন করেছেন। ইংরেজি ভাষাজ্ঞান, শিল্প–সংযুক্ত ইন্টার্নশিপ, সমস্যা সমাধান ও সফট স্কিলে ঘাটতি ব্যাপক। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ ও বিদেশি ভাষায় এগিয়ে থাকলেও সার্বিকভাবে Industry–Academia Partnership দুর্বল। ফলে চাকরি পাওয়া সত্ত্বেও অনেকে আবার দ্রুত চাকরি হারাচ্ছেন বা কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে পারছেন না।
বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এ সম্পদকে কাজে লাগাতে হলে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, পাঠ্যক্রমকে শ্রমবাজার-সংশ্লিষ্ট করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে Industry–Academia Partnership বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, নারীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, AI, Data Science, Blockchain, IoT–এর মতো উদীয়মান খাতে স্বল্পমেয়াদি কোর্স চালু করতে হবে। পঞ্চমত, কৃষি প্রযুক্তি, গ্রামীণ BPO, হস্তশিল্প আধুনিকীকরণ ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি শক্তিশালী করে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে Active Labor Market Policy (ALMP) বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। পরিকল্পনা, নীতি ও প্রয়াসের মাধ্যমে এমন এক তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে যারা দেশীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে
লেখক: ডেপুটি ডিরেক্টর-ফ্যাকাল্টি এইচ আর, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন

আজকের বিশ্বে শুধুমাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি হাতে পেলেই কাঙ্ক্ষিত চাকরির নিশ্চয়তা আর নেই। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), অটোমেশন, ডিজিটাল অর্থনীতি ও গিগ–ইকোনমি মিলিয়ে কর্মবাজার দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদাও ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৬৭% মানুষ কর্মক্ষম বয়সে রয়েছে। কিন্তু এই বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী যথাযথ দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে তারা বেকারত্ব ও হতাশার শিকার হবে, যা ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ১০ বছরে কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকতে হলে ডিজিটাল দক্ষতা, বহুভাষাগত সক্ষমতা, অভিযোজনশীলতা ও চৌকষ পেশাদারিত্ব অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
বেকারত্ব
উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান: বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বেকারত্বের হার ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে সার্বিক বেকারত্ব দাঁড়ায় ৪.৬৩%, যা আগের বছরের ৩.৯৫% থেকে বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ মানুষকে কর্মহীন করেছে। এর মধ্যে উচ্চশিক্ষিত তরুণরা সবচেয়ে বেশি সংকটে। ২০১৩ সালে যেখানে শিক্ষিত বেকারত্ব ছিল ৯.৭%, ২০২২ সালে তা বেড়ে ২৭.৮%-এ পৌঁছেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পরও প্রায় ২৮% স্নাতক চাকরি পাচ্ছেন না। প্রতিবছর ৫০টির বেশি সরকারি ও ১১০টির বেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৭–৮ লাখ নতুন স্নাতক বের হলেও শ্রমবাজারে চাকরির সৃষ্টি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪–৫ লাখ। বাকি ২১–২২ লাখ শিক্ষিত তরুণ কার্যত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে কলা ও সাধারণ শিক্ষার স্নাতকরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন। যদিও ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত স্নাতকদের কর্মসংস্থান কিছুটা বেড়েছে, তথাপি প্রতি চারজন স্নাতকের একজন এখনো পূর্ণাঙ্গ চাকরির বাইরে।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট : তরুণরাই বেশি ঝুঁকিতে
এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিকও বটে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বেকারত্ব দাঁড়াবে ৫%, তবে তরুণদের ক্ষেত্রে এই হার হবে ১২.৬%। সাম্প্রতিক এক জরিপে (Kickresume) দেখা গেছে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫৮% নতুন গ্র্যাজুয়েট চাকরি পাচ্ছেন না, মূলত অভিজ্ঞতার অভাব ও দক্ষতার ঘাটতির কারণে। Financial Times-এর তথ্যানুযায়ী, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে Entry-level চাকরি ক্রমেই কমছে। AI ও অটোমেশনের কারণে হাজারো সুযোগ হারালেও নতুন খাত যেমন ডেটা সায়েন্স, AI প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং, সাইবার সিকিউরিটি, ব্লকচেইন, গ্রিন টেকনোলজি ইত্যাদিতে সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বিশেষত AI-নেটিভ Gen Z তরুণদের জন্য এই খাতগুলো ভবিষ্যতে বড় কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
সম্ভাবনার ক্ষেত্র
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাকরির সুযোগ: বাংলাদেশের আইটি খাত বিশ্বে ইতোমধ্যেই পরিচিত। সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার আইটি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মানুষ আইটি খাতে কাজ করছেন। সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড আর্কিটেকচার, মেশিন লার্নিং ও ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপমেন্টে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং-এ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মশক্তি সরবরাহকারী দেশ। এছাড়া গার্মেন্টস, ফার্মাসিউটিক্যালস, ইলেকট্রনিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, হেলথ টেক ও এগ্রো-টেক খাতেও তরুণদের জন্য নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের তরুণরা ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে সম্ভাবনার দরজা খুলছে। প্রবাসী আয়ের প্রায় ৬০% আসে যুবশ্রমিকদের হাত ধরে, যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।
দক্ষতা
নিয়োগদাতার চাহিদা বনাম প্রস্তুতি: বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বড় সমস্যা হলো দক্ষতার ফাঁক (Skill Gap)। নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা আর স্নাতকদের প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। গবেষণায় দেখা গেছে, যেখানে প্রায় ৮০% নিয়োগদাতা ডিজিটাল দক্ষতা প্রত্যাশা করেন, সেখানে মাত্র অর্ধেক স্নাতক তা অর্জন করেছেন। ইংরেজি ভাষাজ্ঞান, শিল্প–সংযুক্ত ইন্টার্নশিপ, সমস্যা সমাধান ও সফট স্কিলে ঘাটতি ব্যাপক। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ ও বিদেশি ভাষায় এগিয়ে থাকলেও সার্বিকভাবে Industry–Academia Partnership দুর্বল। ফলে চাকরি পাওয়া সত্ত্বেও অনেকে আবার দ্রুত চাকরি হারাচ্ছেন বা কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে পারছেন না।
বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এ সম্পদকে কাজে লাগাতে হলে কিছু জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমত, পাঠ্যক্রমকে শ্রমবাজার-সংশ্লিষ্ট করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে Industry–Academia Partnership বাড়াতে হবে। তৃতীয়ত, নারীদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। চতুর্থত, AI, Data Science, Blockchain, IoT–এর মতো উদীয়মান খাতে স্বল্পমেয়াদি কোর্স চালু করতে হবে। পঞ্চমত, কৃষি প্রযুক্তি, গ্রামীণ BPO, হস্তশিল্প আধুনিকীকরণ ও স্টার্টআপ সংস্কৃতি শক্তিশালী করে গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে এসে Active Labor Market Policy (ALMP) বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে। পরিকল্পনা, নীতি ও প্রয়াসের মাধ্যমে এমন এক তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে যারা দেশীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে
লেখক: ডেপুটি ডিরেক্টর-ফ্যাকাল্টি এইচ আর, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট, ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সরকার ৫ লাখ কর্মসংস্থান, ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে চায়। দুর্নীতি ও অপচয় পরিহার, শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও এনবিআরের সম্পদ সংগ্রহে গতি সঞ্চারের মাধ্য
৭ দিন আগে
কিছুসংখ্যক মানুষ গত কয়েকদিন ধরে এই কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছেন যে, মায়েরা তাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, তাই হামের সংক্রমণ বাড়ছে! শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ‘কান নিয়েছে চিলে’— সেই কানের খোঁজ না করেই কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম লিখেছে, মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না বলেই হামের
৮ দিন আগে
তৃণমূল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাংক ছিল মূলত সংখ্যালঘু ও নারী ভোট। ফলাফলে দেখা গেছে, যে তৃণমূলের ৮০ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জন মুসলিম, যা ঠিক ঠিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য দলের আরও ছয়টি আসনে মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাহলে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিশেষত নওসাদ সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট
৯ দিন আগে
চলমান এই স্নায়ুযুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি আগামী সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়, তবে তার মাশুল শুধু মধ্যপ্রাচ্যকে নয়, বরং পুরো বিশ্বকে দিতে হবে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘাত কূটনৈতিক টেবিলে সমাধান হবে, নাকি বিশ্বকে এক নতুন অর্থনৈতিক মন্দা ও তৃতীয়
১১ দিন আগে