গণমাধ্যমে নারী-শিশুদের নিয়ে ‘দায়িত্বহীনতা’

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গণমাধ্যমে নারী ও শিশুদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা দেখা যায় না৷ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সম্প্রচার গণমাধ্যম চালু হয়েছে কিন্তু এখানেও শিশু বিষয়ক প্রতিবেদনে কি দেখানো হবে বা কি উহ্য রাখা হবে সে বিষয়ে কোনো ঐক্যমতে পৌঁছানো যায়নি৷ ফলে অনেক মিডিয়া লাগামহীনভাবে যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে৷ মুরাদনগরে নারীর সাথে মিডিয়া যা করেছে তা দেশের সাংবাদিকতা আরও এক ধাপ পিছিয়ে দিয়ে মবে তারা মনে করেন৷


অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সচেতনতার পাশাপাশি সাংবাদিক ও গেটকিপারদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি বলে মনে করেন তারা৷

ধর্ষণের ঘটনাকে সংবাদের বড় পণ্য হিসেবে গণ্য করে বড় হেডলাইন, বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও বিভৎস বিবরণ থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন তারা৷ এছাড়াও ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করার সংস্কৃতি বন্ধ করে দায়িত্বশীল, তথ্যভিত্তিক এবং মানবিক সাংবাদিকতা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে বলে তারা মনে করেন৷ অন্যথায়, আইনি সহায়তা বিচারের পাওয়ার পরিবর্তে ভিকটিম শুধু হয়রানির মুখোমুখি হবে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

সাংঘর্ষিক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষণ এখনো দৃশ্যমান নয়

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্মতা স্পষ্ট করা দরকার— আমি রাজনৈতিক প্রতিবাদ বা আন্দোলনকে অন্যায় বলছি না। আমার মূল যুক্তিটি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নিয়ে— রাজপথকে যদি প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে রাখা হয়, তাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

১৪ দিন আগে

খাদ্য নিরাপত্তা— নতুন নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা

মানুষের জীবনে কিছু প্রয়োজন আছে, যেগুলো নিয়ে কোনো আপস চলে না। খাদ্য তার প্রথম সারিতে। সকালে শ্রমজীবী মানুষের নাশতার রুটি, দুপুরে পরিবারের ভাতের হাঁড়ি, কৃষকের গোলায় ধান কিংবা দুর্যোগে অসহায় মানুষের হাতে পৌঁছে যাওয়া খাদ্যসহায়তা—সবকিছুর পেছনেই রয়েছে একটি বিশাল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা। সেই ব্যবস্থাপনার কেন

১৬ দিন আগে

পিংক বাস: একটি রঙ, একটি পরিবর্তন ও অনেক প্রশ্ন

বাংলাদেশের গণপরিবহনে নারীদের জন্য ‘পিংক বাস’ চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। ঢাকার রাস্তায় যখন নারী চালক, নারী সহকারী আর নারী যাত্রীদের নিয়ে বাস চলছে, তখন সেটা দেখতে ভালো লাগে। কিন্তু এই ভালো লাগার ভেতরেই কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন লুকিয়ে আছে, যে প্রশ্নগুলো শুধু বাসের রং নিয়ে নয়, বরং আ

১৭ দিন আগে

আমরা যা দেখাই, আমরা কি সত্যিই তাই?

মানুষের একটা অদ্ভুত স্বভাব আছে— সে নিজেকে যেমন, তার চেয়ে একটু ভালো করে দেখাতে চায়। আগে এই প্রবণতার সীমা ছিল পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, অফিস কিংবা বন্ধুমহল পর্যন্ত। এখন সেই ছোট পরিসরটি বিস্ফোরিত হয়ে গেছে। হাতে একটি স্মার্টফোন, সামনে একটি ক্যামেরা, আর পেছনে কোটি কোটি দর্শকের সম্ভাবনা। ফলে মানুষ এখন

১৮ দিন আগে
Advertisement