
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর।
মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে গ্র্যান্ডি এই মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার রাতেই প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করা হয়। রোহিঙ্গা সংকটের জন্য, বিশেষ করে এই বছরের শেষের দিকে এই বিষয়ে একটি বড় বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা সমর্থন চাওয়ার পর গ্র্যান্ডি বলেন, আমরা আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনার কথা আরও গুরুত্ব বাড়াবে। নতুন করে আরো শরণার্থীর আগমন বাংলাদেশের ওপর আরও বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে বলে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের মনোযোগ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়স্থল নির্মাণের জন্য উন্নত উপকরণ ব্যবহার করার অনুমতি দেয়ার জন্য গ্র্যান্ডি প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। পূর্বে, রোহিঙ্গাদের কেবল বাঁশ এবং ত্রিপল দিয়ে আশ্রয় তৈরি করার অনুমতি ছিল।
বৈঠকে তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মানবিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন, যেখানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন যে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের জন্য একজন উচ্চ প্রতিনিধি নিয়োগ করেছেন এবং তিনি সব সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন করছেন।
এর আগে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজের সঙ্গে বৈঠকেও রোহিঙ্গা ইস্যু তোলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সেফ জোন তৈরিতে জার্মানির সমর্থন চান তিনি। এদিন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবেরসঙ্গে বৈঠক করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টা জুরিখে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সুইজারল্যান্ডের জেনেভার রাষ্ট্রদূত মো. আরিফুর রহমান। আগামী ২৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর।
মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে গ্র্যান্ডি এই মন্তব্য করেন।
মঙ্গলবার রাতেই প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট করা হয়। রোহিঙ্গা সংকটের জন্য, বিশেষ করে এই বছরের শেষের দিকে এই বিষয়ে একটি বড় বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা সমর্থন চাওয়ার পর গ্র্যান্ডি বলেন, আমরা আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আপনার কথা আরও গুরুত্ব বাড়াবে। নতুন করে আরো শরণার্থীর আগমন বাংলাদেশের ওপর আরও বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে বলে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের মনোযোগ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়স্থল নির্মাণের জন্য উন্নত উপকরণ ব্যবহার করার অনুমতি দেয়ার জন্য গ্র্যান্ডি প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান। পূর্বে, রোহিঙ্গাদের কেবল বাঁশ এবং ত্রিপল দিয়ে আশ্রয় তৈরি করার অনুমতি ছিল।
বৈঠকে তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মানবিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন, যেখানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন যে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের জন্য একজন উচ্চ প্রতিনিধি নিয়োগ করেছেন এবং তিনি সব সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন করছেন।
এর আগে জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজের সঙ্গে বৈঠকেও রোহিঙ্গা ইস্যু তোলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সেফ জোন তৈরিতে জার্মানির সমর্থন চান তিনি। এদিন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রা, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবেরসঙ্গে বৈঠক করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টা জুরিখে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে প্রধান উপদেষ্টাকে স্বাগত জানান সুইজারল্যান্ডের জেনেভার রাষ্ট্রদূত মো. আরিফুর রহমান। আগামী ২৫ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
এ মামলার বাদী ২০ বছর বয়সি এক তরুণ, যার সংক্ষেপিত নাম কেজিএম৷ তিনি ছয় বছর বয়সে ইউটিউব ও ৯ বছর বয়সে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার শুরু করেছিলেন৷
৩ ঘণ্টা আগে
ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকায় এই রেডি ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে