
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশ সফরকালে রোহিঙ্গা শরণার্থী, বিশেষ করে নারী ও মেয়ে শিশুদের তীব্র মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবার আহ্বান জানিয়েছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ।
সংস্থাটি বলছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) রোহিঙ্গাদের মাসিক খাদ্য তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তে (১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে) বাংলাদেশে অবস্থানরত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কঠিন হুমকির মুখে পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাকশনএইড এ আহ্বান জানিয়েছে। এ দিন বিকেলেই চার দিনেই সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সফরে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন আগামীকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ)। সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টাসহ লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারও করবেন।
এদিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে ডব্লিউএফপি। সংস্থাটি সম্প্রতি জানিয়েছে, তহবিল সংকটের কারণ রোহিঙ্গাদের একেকজনের জন্য মাসিক বরাদ্দ আগামী এপ্রিল থেকে তারা ৬ ডলারে নামিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে, যা আগে ছিল সাড়ে ১২ ডলার।
ডব্লিউএফপির মতে, তহবিল সংকটের কারণে বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেকে আনার ফলে শরণার্থীদের জীবনধারণের ন্যূনতম সীমার নিচে ঠেলে দেবে, যা অপুষ্টি ও স্বাস্থ্য সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
খাদ্য সহায়তা বরাদ্দের এই মারাত্মক হ্রাসের কারণে নারী ও কিশোরীরা অসমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মা, কিশোরী ও শিশুরা এরই মধ্যে তীব্র অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা ও মৃত্যুর হার বাড়িয়ে তুলতে পারে।
ডব্লিউএফপি আরও বলছে, খাদ্য ঘাটতির চাপ পারিবারিক সহিংসতা ও শোষণসহ জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলবে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যাপ্ত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার (এসআরএইচআর) পরিষেবার বিঘ্নের আশঙ্কা। এতে নারী ও কিশোরীরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে।
অ্যাকশনএইড বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য রেশন কমানোর খবরে এরই মধ্যে রোহিঙ্গা শিবিরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং এতে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ প্রবণতা নারী ও কিশোরীদের বিপদ আরও বাড়িয়ে তুলবে। কারণ তারা প্রায়ই এ ধরনের অস্থিতিশীলতার শিকার সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকেন।
অ্যাকশনএইডের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তহবিল ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে মানবিক সংস্থাগুলোকে শরণার্থীদের ন্যূনতম চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খেতে বাধ্য করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছে।
অ্যাকশনএইড বলছে, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পূর্ণ খাদ্য রেশন পুনরুদ্ধার করতে এবং নারী ও কিশোরীদের অগ্রাধিকার দিয়ে জেন্ডার-সংবেদনশীল সহায়তা নিশ্চিত করতে জরুরি তহবিল প্রদানের আহ্বান জানাই। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় টেকসই প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন পরিকল্পনাসহ দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকট এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে অ্যাকশনএইড আরও বলছে, জাতিসংঘের মহাসচিব যখন এ সংকটের প্রতি বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন, তখন আমরা ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীর, বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত এবং সহানুভূতিশীল পদক্ষেপের আহ্বান জানাই।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের বাংলাদেশ সফরকালে রোহিঙ্গা শরণার্থী, বিশেষ করে নারী ও মেয়ে শিশুদের তীব্র মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবার আহ্বান জানিয়েছে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ।
সংস্থাটি বলছে, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) রোহিঙ্গাদের মাসিক খাদ্য তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে আনার সিদ্ধান্তে (১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে) বাংলাদেশে অবস্থানরত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা কঠিন হুমকির মুখে পড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে অ্যাকশনএইড এ আহ্বান জানিয়েছে। এ দিন বিকেলেই চার দিনেই সফরে ঢাকা পৌঁছেছেন অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সফরে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন আগামীকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ)। সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টাসহ লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারও করবেন।
এদিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা দিয়ে আসছে ডব্লিউএফপি। সংস্থাটি সম্প্রতি জানিয়েছে, তহবিল সংকটের কারণ রোহিঙ্গাদের একেকজনের জন্য মাসিক বরাদ্দ আগামী এপ্রিল থেকে তারা ৬ ডলারে নামিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছে, যা আগে ছিল সাড়ে ১২ ডলার।
ডব্লিউএফপির মতে, তহবিল সংকটের কারণে বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেকে আনার ফলে শরণার্থীদের জীবনধারণের ন্যূনতম সীমার নিচে ঠেলে দেবে, যা অপুষ্টি ও স্বাস্থ্য সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
খাদ্য সহায়তা বরাদ্দের এই মারাত্মক হ্রাসের কারণে নারী ও কিশোরীরা অসমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গর্ভবতী ও বুকের দুধ খাওয়ানো মা, কিশোরী ও শিশুরা এরই মধ্যে তীব্র অপুষ্টির ঝুঁকিতে রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা ও মৃত্যুর হার বাড়িয়ে তুলতে পারে।
ডব্লিউএফপি আরও বলছে, খাদ্য ঘাটতির চাপ পারিবারিক সহিংসতা ও শোষণসহ জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলবে। এই চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যাপ্ত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার (এসআরএইচআর) পরিষেবার বিঘ্নের আশঙ্কা। এতে নারী ও কিশোরীরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে।
অ্যাকশনএইড বিজ্ঞপ্তিতে বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য রেশন কমানোর খবরে এরই মধ্যে রোহিঙ্গা শিবিরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং এতে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ প্রবণতা নারী ও কিশোরীদের বিপদ আরও বাড়িয়ে তুলবে। কারণ তারা প্রায়ই এ ধরনের অস্থিতিশীলতার শিকার সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকেন।
অ্যাকশনএইডের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তহবিল ঘাটতি মোকাবিলায় ব্যর্থতার কারণে মানবিক সংস্থাগুলোকে শরণার্থীদের ন্যূনতম চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খেতে বাধ্য করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংস্থাটি অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছে।
অ্যাকশনএইড বলছে, আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পূর্ণ খাদ্য রেশন পুনরুদ্ধার করতে এবং নারী ও কিশোরীদের অগ্রাধিকার দিয়ে জেন্ডার-সংবেদনশীল সহায়তা নিশ্চিত করতে জরুরি তহবিল প্রদানের আহ্বান জানাই। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় টেকসই প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন পরিকল্পনাসহ দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ তৈরি করতে হবে।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংকট এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে অ্যাকশনএইড আরও বলছে, জাতিসংঘের মহাসচিব যখন এ সংকটের প্রতি বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন, তখন আমরা ১০ লাখেরও বেশি শরণার্থীর, বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত এবং সহানুভূতিশীল পদক্ষেপের আহ্বান জানাই।

কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গুম কমিশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন। একই কমিশনের আরও দুজন সদস্যকে মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার করা হয়েছে। তারা হলেন— মো. নূর খান ও নাবিলা ইদ্রিস।
১১ ঘণ্টা আগে
অবস্থান সম্পর্কে ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হাদি হত্যা তদন্তের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ও শহীদের স্ত্রী। সরকার, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দল সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কিন্তু, ইনকিলাবকে সহযোগিতার বেলায় সবাই হাত গুটিয়েছে বারবার।
১৩ ঘণ্টা আগে
সিআইডি প্রধান বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব সিআইডিসহ সমগ্র বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি পবিত্র আমানত। এই দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা, সততা ও পেশাদারত্ব অক্ষুণ্ন রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য সিআইডির সব সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে ইতোমধ্যে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে বিশেষ
১৩ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও জানান, এই সময়ে মোট ১১৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ৩টি নীতিগতভাবে অনুমোদিত। এ ছাড়া, নীতি, নীতিমালা, কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ৩০টি নীতিমূলক দলিল প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি স্বাক্ষরিত বা অনুমোদিত এবং ১৪টি বাস্তবায়নের অধীনে রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে