
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভির কয়েক সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের জবাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, সরকার কোনো সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করছে না। সিটি গ্রুপই তাদের সাংবাদিকদের বরখাস্ত করার জন্য একমাত্র দায়ী।
শুধু তাই নয়, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা কোনো সংবাদপত্রে নিয়োগ অথবা ছাঁটাইয়ের ঘটনায় প্রভাব রাখলে সেটি জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এসব কথা বলেন শফিকুল আলম।
স্ট্যাটসে প্রেস সচিব লেখন, প্রথমত আমরা বারবার বলছি আমরা কোনো সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করিনি। যদি কোনো জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা কোনো সংবাদপত্রে নিয়োগ অথবা ছাঁটাইয়ে প্রভাবিত করেন বা চাপপ্রয়োগ করেন তাহলে তা আমাদের জানান। আমরা অবিলম্বে পদক্ষেপ নেব। আমরা ইতিমধ্যে এ রকম অন্তত দুটি ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়েছি, যার একটি আমাদের সময় পত্রিকা, অন্যটি বৈশাখী টিভি।
প্রেস সচিব বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা যা করছে তার জন্য আমরা দায়ী নই। আমরা ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি। কিন্তু তার মানে এমন নয় যে আমরা তাদের আদেশে পরিচালিত হচ্ছি। যদি তাই হতো, তাহলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের সময় টিভিতে প্রতিবাদ করতে হতো না। তারা আমাদের কাছে তাদের তালিকা পাঠাত এবং আমরা সিটি গ্রুপকে বাস্তবায়নের জন্য বলতাম। আমরা শুনেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলে তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিক নিয়োগের জন্য চাপপ্রয়োগের চেষ্টা করছে। কেউ কেউ বিষয়টি মেনেও নিয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে মিডিয়ার মালিক কোম্পানির বড় দায়িত্ব রয়েছে। সিটি গ্রুপই তাদের সাংবাদিকদের বরখাস্ত করার জন্য একমাত্র দায়ী। এমনকি পশ্চিমা সমাজেও লবিং গ্রুপ বা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ থেকে সাংবাদিকদের পদত্যাগের জন্য চাপের নজির রয়েছে। বিরোধী মন্তব্যের কারণে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, বিবিসি চলতি সপ্তাতে সময় টিভির সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারাও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করেছে। অধিকার বা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ অথবা সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রায় সব ক্ষেত্রেই, মালিকানার কোম্পানিগুলো এই চাপ থেকে নিজেদের দায় এড়িয়ে যায়। তবে সিটি গ্রুপ এবং সময় টিভির শীর্ষ কর্মকর্তারা ভিকটিমদের নিয়ে খেলায় মেতেছে। তারা সাংবাদিকদের বরখাস্ত না করে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষা অনুসারে বরখাস্ত করবে না বলে জানাতে পারত। তারা তাদের ভিত্তি ধরে রাখতে পারত যেমনটা অন্যান্য সংবাদমাধ্যম করেছে।
প্রেস সচিব বলেন, যারা এ ঘটনায় সরকারের দিকে আঙুল তুলছেন তাদের উচিত প্রথমে সিটি গ্রুপের সমালোচনা করা। সংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনায় প্রথম ও প্রধান দায়ভার সংবাদমাধ্যমটিরই। দুঃখের বিষয় হলো শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আমলে সময় টিভি যে ধরনের অপসাংবাদিকতা করেছে আমরা তার খুব কমই সমালোচনা করতে শুনেছি। বরং তারা হাসিনার সময়ে যা ঘটেছে তার সঙ্গে এখনকার ঘটনার মিথ্যা তুলনা দিচ্ছে।

বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভির কয়েক সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের জবাব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, সরকার কোনো সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করছে না। সিটি গ্রুপই তাদের সাংবাদিকদের বরখাস্ত করার জন্য একমাত্র দায়ী।
শুধু তাই নয়, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা কোনো সংবাদপত্রে নিয়োগ অথবা ছাঁটাইয়ের ঘটনায় প্রভাব রাখলে সেটি জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে এসব কথা বলেন শফিকুল আলম।
স্ট্যাটসে প্রেস সচিব লেখন, প্রথমত আমরা বারবার বলছি আমরা কোনো সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করিনি। যদি কোনো জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বা গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা কোনো সংবাদপত্রে নিয়োগ অথবা ছাঁটাইয়ে প্রভাবিত করেন বা চাপপ্রয়োগ করেন তাহলে তা আমাদের জানান। আমরা অবিলম্বে পদক্ষেপ নেব। আমরা ইতিমধ্যে এ রকম অন্তত দুটি ঘটনায় ব্যবস্থা নিয়েছি, যার একটি আমাদের সময় পত্রিকা, অন্যটি বৈশাখী টিভি।
প্রেস সচিব বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্ররা যা করছে তার জন্য আমরা দায়ী নই। আমরা ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি। কিন্তু তার মানে এমন নয় যে আমরা তাদের আদেশে পরিচালিত হচ্ছি। যদি তাই হতো, তাহলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের সময় টিভিতে প্রতিবাদ করতে হতো না। তারা আমাদের কাছে তাদের তালিকা পাঠাত এবং আমরা সিটি গ্রুপকে বাস্তবায়নের জন্য বলতাম। আমরা শুনেছি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলে তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিক নিয়োগের জন্য চাপপ্রয়োগের চেষ্টা করছে। কেউ কেউ বিষয়টি মেনেও নিয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে মিডিয়ার মালিক কোম্পানির বড় দায়িত্ব রয়েছে। সিটি গ্রুপই তাদের সাংবাদিকদের বরখাস্ত করার জন্য একমাত্র দায়ী। এমনকি পশ্চিমা সমাজেও লবিং গ্রুপ বা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ থেকে সাংবাদিকদের পদত্যাগের জন্য চাপের নজির রয়েছে। বিরোধী মন্তব্যের কারণে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, বিবিসি চলতি সপ্তাতে সময় টিভির সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তারাও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করেছে। অধিকার বা অ্যাডভোকেসি গ্রুপ অথবা সাংবাদিক সংগঠনের পক্ষ থেকেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রায় সব ক্ষেত্রেই, মালিকানার কোম্পানিগুলো এই চাপ থেকে নিজেদের দায় এড়িয়ে যায়। তবে সিটি গ্রুপ এবং সময় টিভির শীর্ষ কর্মকর্তারা ভিকটিমদের নিয়ে খেলায় মেতেছে। তারা সাংবাদিকদের বরখাস্ত না করে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রদের আকাঙ্ক্ষা অনুসারে বরখাস্ত করবে না বলে জানাতে পারত। তারা তাদের ভিত্তি ধরে রাখতে পারত যেমনটা অন্যান্য সংবাদমাধ্যম করেছে।
প্রেস সচিব বলেন, যারা এ ঘটনায় সরকারের দিকে আঙুল তুলছেন তাদের উচিত প্রথমে সিটি গ্রুপের সমালোচনা করা। সংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনায় প্রথম ও প্রধান দায়ভার সংবাদমাধ্যমটিরই। দুঃখের বিষয় হলো শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী আমলে সময় টিভি যে ধরনের অপসাংবাদিকতা করেছে আমরা তার খুব কমই সমালোচনা করতে শুনেছি। বরং তারা হাসিনার সময়ে যা ঘটেছে তার সঙ্গে এখনকার ঘটনার মিথ্যা তুলনা দিচ্ছে।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১০ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১১ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১১ ঘণ্টা আগে