
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর এই কেন্দ্রেই ভোট দিয়েছেন তিনি।
সিইসি বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজ গণতান্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছি। আমি ওয়াদা করেছিলাম, উৎসবমুখর পরিবেশে (ফেস্টিভ মোড) আমরা একটা ইলেকশন জাতিকে উপহার দেবো। আপনার দেখেছেন, এই কয়দিনে ঈদের দিনের মতো মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে, গ্রামেগঞ্জে চলে গেছে।
বহু দিন পর দেশে ‘ভোটের আমেজ’ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন বলেন, সবাই ভোট দিতে পারবে, এই আনন্দ তাদের উদ্বেলিত করছে। আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে।
নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোটে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। এ প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, আমরা জাতিকে ওয়াদা দিয়েছিলাম— একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবো। সে লক্ষ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি। সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা ইনশআল্লাহ। আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে। আমরা কারও পক্ষে না, আবার কারও বিপক্ষেও না।
নির্বাচনের বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, এই নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সাড়ে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রায় আট লাখ নির্বাচনি কর্মকর্তা কাজ করছেন। এই যে সাড়ে ১৭ লাখ লোককে এক সুতায় গাঁথা, এটা যে একটা কত কঠিন কাজ, আপনারা একবার একটু কল্পনা করে দেখুন।
সবার সহযোগিতা চেয়ে সিইসি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এসেছি। আমরা জানি না সামনে আরও কী চ্যালেঞ্জ আসবে। ইনশাল্লাহ আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব। বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের পথে রওনা দিয়েছে, গণতন্ত্রের ট্রেন ইনশাল্লাহ স্টেশনে পৌঁছাবে। আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। রাজধানীর এই কেন্দ্রেই ভোট দিয়েছেন তিনি।
সিইসি বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজ গণতান্ত্রায়নের ট্রেনে উঠে গেছি। আমি ওয়াদা করেছিলাম, উৎসবমুখর পরিবেশে (ফেস্টিভ মোড) আমরা একটা ইলেকশন জাতিকে উপহার দেবো। আপনার দেখেছেন, এই কয়দিনে ঈদের দিনের মতো মানুষ ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে, গ্রামেগঞ্জে চলে গেছে।
বহু দিন পর দেশে ‘ভোটের আমেজ’ তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে নাসির উদ্দিন বলেন, সবাই ভোট দিতে পারবে, এই আনন্দ তাদের উদ্বেলিত করছে। আমি বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেছি, গ্রামেগঞ্জে মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে।
নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোটে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। এ প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, আমরা জাতিকে ওয়াদা দিয়েছিলাম— একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবো। সে লক্ষ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছি। সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা ইনশআল্লাহ। আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে। আমরা কারও পক্ষে না, আবার কারও বিপক্ষেও না।
নির্বাচনের বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, এই নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সাড়ে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রায় আট লাখ নির্বাচনি কর্মকর্তা কাজ করছেন। এই যে সাড়ে ১৭ লাখ লোককে এক সুতায় গাঁথা, এটা যে একটা কত কঠিন কাজ, আপনারা একবার একটু কল্পনা করে দেখুন।
সবার সহযোগিতা চেয়ে সিইসি বলেন, আমরা এ পর্যন্ত আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এসেছি। আমরা জানি না সামনে আরও কী চ্যালেঞ্জ আসবে। ইনশাল্লাহ আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করব। বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের পথে রওনা দিয়েছে, গণতন্ত্রের ট্রেন ইনশাল্লাহ স্টেশনে পৌঁছাবে। আপনাদের সবার সহযোগিতা চাই।

রাষ্ট্রপতি রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে পৌঁছান। এ সময় প্রধান ফটক-২-এ বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে ক্রেডেনশিয়াল মাঠে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
১২ ঘণ্টা আগে
আকতারুল ইসলাম বলেন, জাল কাগজপত্র বানিয়ে এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক মমিনুর রহমানের নামে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান করে দুদক। মমিনুরের অভিযোগের ভিত্তিতেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল। তবে অনুসন্ধানে দুদক তারও সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সহায়তায় নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত অধিদপ্তরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, চীন ও রাশিয়ার দূতাবাসে হুমকি দিয়ে ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে এসব বার্তাকে ভুয়া বা স্ক্যাম হিসেবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ই-মেইলগুলো ঠিক কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে